সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল জায়ান্ট 'আরামকো'-এর ধাহরানস্থিত প্রধান কার্যালয় থেকে জরুরি ভিত্তিতে কর্মীদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। নিরাপত্তা সংক্রান্ত পরিস্থিতির সার্বিক পর্যালোচনার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হলেও, ঠিক কী সুনির্দিষ্ট কারণে তাৎক্ষণিকভাবে কর্মী খালি করার সিদ্ধান্ত হয়েছে তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে স্পষ্ট করা হয়নি।মূলত ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হাউছি বিদ্রোহীরা চলতি মাসের শুরুর দিকে আরামকোর সদর দফতরে একটি বড় ধরনের আক্রমণ চালায়। সেই হামলায় ভবনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং একাধিক তলায় আগুন ধরে যায়। ধাহরানের এই সদর দফতরটি আরামকোর জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানে কোম্পানির মূল অপারেশন সেন্টার অবস্থিত। এই কেন্দ্র থেকেই বিশ্বজুড়ে তাদের বিশাল স্থল ও সমুদ্রভিত্তিক তেলক্ষেত্র, শোধনাগার, রফতানি টার্মিনাল এবং হাজার হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ পাইপলাইনের সমস্ত কার্যক্রম পরিচালনা ও পর্যবেক্ষণ করা হয়।
আরোও পড়ুন,চীনে ৫.২ মাত্রার আরও একটি ভূমিকম্প
চলতি সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যের এই অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও অবনতি ঘটেছে। সৌদি আরবের জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশন জানিয়েছে, ধাহরানের মাত্র ১৫ কিলোমিটার উত্তরের শহর দাম্মামের 'কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে' একটি হামলায় দুজন নিহত এবং আটজন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, সৌদির জ্বালানি মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, ধাহরান থেকে কয়েকশ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত 'শায়বাহ' তেলক্ষেত্রে একটি ড্রোন হামলার চেষ্টা চালানো হয়েছিল। সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেই হামলা প্রতিহত করতে পারলেও এতে দুজন নিহত হন। হাউছিদের এই ধারাবাহিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে সৌদি সামরিক বাহিনী ইয়েমেনে বিদ্রোহী অবস্থান ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলোতে তীব্র পাল্টা বিমান হামলা চালিয়েছে। পাশাপাশি সৌদির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হাউছিদের ছোড়া একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে ধ্বংস করেছে বলে দাবি করা হয়েছে। আরামকোর মতো বিশ্ব অর্থনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মী অপসারণের নির্দেশ এ অঞ্চলে চলমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতিকে নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে।

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬
সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল জায়ান্ট 'আরামকো'-এর ধাহরানস্থিত প্রধান কার্যালয় থেকে জরুরি ভিত্তিতে কর্মীদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। নিরাপত্তা সংক্রান্ত পরিস্থিতির সার্বিক পর্যালোচনার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হলেও, ঠিক কী সুনির্দিষ্ট কারণে তাৎক্ষণিকভাবে কর্মী খালি করার সিদ্ধান্ত হয়েছে তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে স্পষ্ট করা হয়নি।মূলত ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হাউছি বিদ্রোহীরা চলতি মাসের শুরুর দিকে আরামকোর সদর দফতরে একটি বড় ধরনের আক্রমণ চালায়। সেই হামলায় ভবনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং একাধিক তলায় আগুন ধরে যায়। ধাহরানের এই সদর দফতরটি আরামকোর জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানে কোম্পানির মূল অপারেশন সেন্টার অবস্থিত। এই কেন্দ্র থেকেই বিশ্বজুড়ে তাদের বিশাল স্থল ও সমুদ্রভিত্তিক তেলক্ষেত্র, শোধনাগার, রফতানি টার্মিনাল এবং হাজার হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ পাইপলাইনের সমস্ত কার্যক্রম পরিচালনা ও পর্যবেক্ষণ করা হয়।
আরোও পড়ুন,চীনে ৫.২ মাত্রার আরও একটি ভূমিকম্প
চলতি সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যের এই অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও অবনতি ঘটেছে। সৌদি আরবের জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশন জানিয়েছে, ধাহরানের মাত্র ১৫ কিলোমিটার উত্তরের শহর দাম্মামের 'কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে' একটি হামলায় দুজন নিহত এবং আটজন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, সৌদির জ্বালানি মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, ধাহরান থেকে কয়েকশ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত 'শায়বাহ' তেলক্ষেত্রে একটি ড্রোন হামলার চেষ্টা চালানো হয়েছিল। সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেই হামলা প্রতিহত করতে পারলেও এতে দুজন নিহত হন। হাউছিদের এই ধারাবাহিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে সৌদি সামরিক বাহিনী ইয়েমেনে বিদ্রোহী অবস্থান ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলোতে তীব্র পাল্টা বিমান হামলা চালিয়েছে। পাশাপাশি সৌদির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হাউছিদের ছোড়া একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে ধ্বংস করেছে বলে দাবি করা হয়েছে। আরামকোর মতো বিশ্ব অর্থনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মী অপসারণের নির্দেশ এ অঞ্চলে চলমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতিকে নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে।

আপনার মতামত লিখুন