চীনের তিব্বত অঞ্চলে ৭ মাত্রার এক শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৬ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে এবং আহত হয়েছেন আরও কযেক ডজন মানুষ। ধসে পড়েছে শত শত বাড়িঘর। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্র দিয়ে স্থানীয় কর্মকর্তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিব্বতের রাজধানী লাসার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত বিস্তীর্ণ ও জনবিরল পার্বত্য অঞ্চল নাগকুতে এই ভূমিকম্প আঘাত হানে।
আরোও পড়ুন,ইরান সীমান্তে ইসরাইলি যুদ্ধবিমানের মহড়া
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলো সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত হওয়ায় সেখানে উদ্ধারকাজ পরিচালনা এবং ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া অত্যন্ত জটিল হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি, ভূমিকম্পের তীব্রতায় বিভিন্ন এলাকার প্রধান সড়ক যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের পর এটিই এই অঞ্চলের সবচেয়ে প্রাণঘাতী ভূমিকম্পের ঘটনা; এর আগে গানসু প্রদেশে ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্পে ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬
চীনের তিব্বত অঞ্চলে ৭ মাত্রার এক শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৬ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে এবং আহত হয়েছেন আরও কযেক ডজন মানুষ। ধসে পড়েছে শত শত বাড়িঘর। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্র দিয়ে স্থানীয় কর্মকর্তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিব্বতের রাজধানী লাসার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত বিস্তীর্ণ ও জনবিরল পার্বত্য অঞ্চল নাগকুতে এই ভূমিকম্প আঘাত হানে।
আরোও পড়ুন,ইরান সীমান্তে ইসরাইলি যুদ্ধবিমানের মহড়া
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলো সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত হওয়ায় সেখানে উদ্ধারকাজ পরিচালনা এবং ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া অত্যন্ত জটিল হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি, ভূমিকম্পের তীব্রতায় বিভিন্ন এলাকার প্রধান সড়ক যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের পর এটিই এই অঞ্চলের সবচেয়ে প্রাণঘাতী ভূমিকম্পের ঘটনা; এর আগে গানসু প্রদেশে ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্পে ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন