বৃহস্পতিবার ১০ অক্টোবর উদ্ধারকারীরা হতাহতদের উদ্ধারের তথ্য জানায়। দোনেৎস্কের আঞ্চলিক প্রধান ভাদইয়াম ফিলাসকিন অভিযোগ করেছেন, রুশ সেনারা ইচ্ছাকৃতভাবে যাত্রীবাহী বাসগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। স্থানীয় প্রসিকিউটরদের প্রকাশিত ছবিতে হামলার পর দুটি বাস আগুনে পুড়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে। বাস দুটিতে যাত্রী ছিল বলেও জানিয়েছেন উদ্ধারকারীরা। তবে এ হামলার বিষয়ে রাশিয়ার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত কয়েকদিন ধরে ইউক্রেনে বেসামরিক স্থাপনায় হামলার ঘটনা বেড়েছে। এর মধ্যেই ক্রামাতোর্সকে দুটি বাসে হামলার ঘটনা ঘটল। রুশ বাহিনী ক্রামাতোর্সক ও পার্শ্ববর্তী স্লোভায়ান্সক দখলের চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেন।
আরও পড়ুন,যুক্তরাষ্ট্র থেকে আফ্রিকায় ৫০০ অভিবাসী নির্বাসন এইচআরডব্লিউর কঠোর সমালোচনা
এসব এলাকা দখলে নিতে পারলে দনবাস অঞ্চলের ওপর রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণ আরও বাড়বে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনে বেসামরিক মানুষের হতাহতের সংখ্যা ২০২৬ সালে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০২৫ সালের পুরো বছরে যত বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছিলেন, ২০২৬ সালের আগস্টের মধ্যেই তার চেয়ে বেশি মানুষ নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
দনবাস অঞ্চলে রুশভাষী জনগোষ্ঠীর বড় একটি অংশের বসবাস। ২০২২ সালে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর সময় রাশিয়া দনবাসের জনগণের সুরক্ষার বিষয়টিকে তাদের অভিযানের অন্যতম কারণ হিসেবে তুলে ধরেছিল। দনবাসের প্রধান দুটি অঞ্চল হলো লুহানস্ক ও দোনেৎস্ক। লুহানস্কের বড় অংশ বর্তমানে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দোনেৎস্কেরও উল্লেখযোগ্য অংশ রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং বাকি এলাকাগুলো নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
বৃহস্পতিবার ১০ অক্টোবর উদ্ধারকারীরা হতাহতদের উদ্ধারের তথ্য জানায়। দোনেৎস্কের আঞ্চলিক প্রধান ভাদইয়াম ফিলাসকিন অভিযোগ করেছেন, রুশ সেনারা ইচ্ছাকৃতভাবে যাত্রীবাহী বাসগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। স্থানীয় প্রসিকিউটরদের প্রকাশিত ছবিতে হামলার পর দুটি বাস আগুনে পুড়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে। বাস দুটিতে যাত্রী ছিল বলেও জানিয়েছেন উদ্ধারকারীরা। তবে এ হামলার বিষয়ে রাশিয়ার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত কয়েকদিন ধরে ইউক্রেনে বেসামরিক স্থাপনায় হামলার ঘটনা বেড়েছে। এর মধ্যেই ক্রামাতোর্সকে দুটি বাসে হামলার ঘটনা ঘটল। রুশ বাহিনী ক্রামাতোর্সক ও পার্শ্ববর্তী স্লোভায়ান্সক দখলের চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেন।
আরও পড়ুন,যুক্তরাষ্ট্র থেকে আফ্রিকায় ৫০০ অভিবাসী নির্বাসন এইচআরডব্লিউর কঠোর সমালোচনা
এসব এলাকা দখলে নিতে পারলে দনবাস অঞ্চলের ওপর রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণ আরও বাড়বে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনে বেসামরিক মানুষের হতাহতের সংখ্যা ২০২৬ সালে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০২৫ সালের পুরো বছরে যত বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছিলেন, ২০২৬ সালের আগস্টের মধ্যেই তার চেয়ে বেশি মানুষ নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
দনবাস অঞ্চলে রুশভাষী জনগোষ্ঠীর বড় একটি অংশের বসবাস। ২০২২ সালে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর সময় রাশিয়া দনবাসের জনগণের সুরক্ষার বিষয়টিকে তাদের অভিযানের অন্যতম কারণ হিসেবে তুলে ধরেছিল। দনবাসের প্রধান দুটি অঞ্চল হলো লুহানস্ক ও দোনেৎস্ক। লুহানস্কের বড় অংশ বর্তমানে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দোনেৎস্কেরও উল্লেখযোগ্য অংশ রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং বাকি এলাকাগুলো নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন