যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসীদের তৃতীয় কোনো আফ্রিকান দেশে নির্বাসনের নীতি আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে অভিযোগ করেছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বা এইচআরডব্লিউ। সংস্থাটির দাবি, অভিবাসন ঠেকাতে মানবিক দুর্ভোগকে ভয় দেখানোর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ৮ অক্টোবর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এইচআরডব্লিউ এসব তথ্য জানায়। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর তার প্রশাসন ল্যাটিন আমেরিকা, আফ্রিকা ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশের সঙ্গে চুক্তি করে। এসব চুক্তির আওতায় নিজ দেশে আইনগতভাবে বহিষ্কার করা সম্ভব নয়—এমন বিদেশিদের গ্রহণে ওই দেশগুলো সম্মত হয়। মার্কিন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের তথ্য উদ্ধৃত করে এইচআরডব্লিউ জানায়, এখন পর্যন্ত ৫০০ জনের বেশি অভিবাসীকে তাদের নিজ দেশে ফেরত না পাঠিয়ে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে নির্বাসন দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন,সরবরাহ সংকটের শঙ্কায় ১০৪ ডলার ছাড়াল ব্রেন্ট তেল
এইচআরডব্লিউ বলছে, এ নীতি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লঙ্ঘন করছে এবং অভিবাসন ঠেকাতে মানবিক দুর্ভোগকে ভয় দেখানোর উপায় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। সংস্থাটি যুক্তরাষ্ট্র থেকে আফ্রিকার ছয়টি দেশে পাঠানো ২৪ জন তৃতীয় দেশের নাগরিকের সাক্ষাৎকার নিয়েছে। দেশগুলো হলো ক্যামেরুন, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, নিরক্ষীয় গিনি, ইসওয়াতিনি ও দক্ষিণ সুদান। তাদের কয়েকজন জানিয়েছেন, ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী ফ্লাইটে তাদের শিকল পরিয়ে রাখা হয়েছিল। এমনকি কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, সে বিষয়েও তাদের স্পষ্ট ধারণা ছিল না। এদিকে চলতি মাসের শুরুতে বুরুন্ডি যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কৃতদের গ্রহণে সম্মত হওয়ার কথা জানায়। এর মধ্য দিয়ে দেশটি এমন চুক্তিতে যুক্ত হওয়া ১৫তম আফ্রিকান রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। এইচআরডব্লিউর অভিযোগ, আফ্রিকার দেশগুলোকে বহিষ্কৃত অভিবাসীদের গ্রহণে রাজি করাতে যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন ধরনের চাপ প্রয়োগ করেছে। এর মধ্যে শুল্ক আরোপের হুমকি, ভিসা প্রদান স্থগিত এবং সহায়তা কমিয়ে দেওয়ার মতো পদক্ষেপের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
বিষয় : যুক্তরাষ্ট্র সমালোচনা আফ্রিকা

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসীদের তৃতীয় কোনো আফ্রিকান দেশে নির্বাসনের নীতি আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে অভিযোগ করেছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বা এইচআরডব্লিউ। সংস্থাটির দাবি, অভিবাসন ঠেকাতে মানবিক দুর্ভোগকে ভয় দেখানোর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ৮ অক্টোবর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এইচআরডব্লিউ এসব তথ্য জানায়। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর তার প্রশাসন ল্যাটিন আমেরিকা, আফ্রিকা ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশের সঙ্গে চুক্তি করে। এসব চুক্তির আওতায় নিজ দেশে আইনগতভাবে বহিষ্কার করা সম্ভব নয়—এমন বিদেশিদের গ্রহণে ওই দেশগুলো সম্মত হয়। মার্কিন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের তথ্য উদ্ধৃত করে এইচআরডব্লিউ জানায়, এখন পর্যন্ত ৫০০ জনের বেশি অভিবাসীকে তাদের নিজ দেশে ফেরত না পাঠিয়ে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে নির্বাসন দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন,সরবরাহ সংকটের শঙ্কায় ১০৪ ডলার ছাড়াল ব্রেন্ট তেল
এইচআরডব্লিউ বলছে, এ নীতি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লঙ্ঘন করছে এবং অভিবাসন ঠেকাতে মানবিক দুর্ভোগকে ভয় দেখানোর উপায় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। সংস্থাটি যুক্তরাষ্ট্র থেকে আফ্রিকার ছয়টি দেশে পাঠানো ২৪ জন তৃতীয় দেশের নাগরিকের সাক্ষাৎকার নিয়েছে। দেশগুলো হলো ক্যামেরুন, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, নিরক্ষীয় গিনি, ইসওয়াতিনি ও দক্ষিণ সুদান। তাদের কয়েকজন জানিয়েছেন, ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী ফ্লাইটে তাদের শিকল পরিয়ে রাখা হয়েছিল। এমনকি কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, সে বিষয়েও তাদের স্পষ্ট ধারণা ছিল না। এদিকে চলতি মাসের শুরুতে বুরুন্ডি যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কৃতদের গ্রহণে সম্মত হওয়ার কথা জানায়। এর মধ্য দিয়ে দেশটি এমন চুক্তিতে যুক্ত হওয়া ১৫তম আফ্রিকান রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। এইচআরডব্লিউর অভিযোগ, আফ্রিকার দেশগুলোকে বহিষ্কৃত অভিবাসীদের গ্রহণে রাজি করাতে যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন ধরনের চাপ প্রয়োগ করেছে। এর মধ্যে শুল্ক আরোপের হুমকি, ভিসা প্রদান স্থগিত এবং সহায়তা কমিয়ে দেওয়ার মতো পদক্ষেপের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন