গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ধর্ষণের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে এক তরুণীর (১৯) মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় শান্ত পাল নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরের দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তরুণী ময়মনসিংহের একটি কলেজ থেকে ২০২৬ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য তিনি ময়মনসিংহের একটি কোচিং সেন্টারে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করছিলেন!গ্রেফতার শান্ত পাল কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার সাচাইল এলাকার সুনীল চন্দ্র পালের ছেলে। তিনি কালিয়াকৈরের সফিপুর আহম্মদনগর এলাকায় একটি বাড়িতে ভাড়া থেকে স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন।মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আত্মীয়তার সূত্রে ওই তরুণীর গ্রামের বাড়িতে শান্ত পালের যাতায়াত ছিল। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। রোববার সকাল ৮টার দিকে ওই তরুণী প্রতিদিনের মতো কোচিং সেন্টারে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। ওইদিন মোবাইলফোনে যোগাযোগ করে শান্ত পাল তার সহযোগী আনোয়ার হোসেনের সহায়তায় তাকে কালিয়াকৈরে তার ভাড়া বাসায় নিয়ে যান।
আরও পড়ুন, নোয়াখালীর সুন্দলপুর-৪ কূপে মিলেছে গ্যাস
ওইদিন দুপুর ১২টার দিকে শান্ত পাল তাকে ধর্ষণ করেন। পরে তার অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হলে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর শান্ত পাল অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ তার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যান।বাড়িতে গিয়ে শান্ত পাল জানান, খিঁচুনি ওঠার পর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল এবং চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে তার কথাবার্তায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে মরদেহে ও পোশাকে রক্তের চিহ্ন দেখতে পেয়ে তারা বিষয়টি নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে শান্ত পাল ঘটনার কথা স্বীকার করেন বলে পরিবারের সদস্যদের দাবি।খবর পেয়ে ভালুকা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল করে। সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে নিহতের বাড়ি থেকে শান্ত পালকে গ্রেফতার করা হয়।কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামি শান্ত পালকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। মামলার অপর আসামি আনোয়ার হোসেনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তরুণীর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে।’
বিষয় : ধর্ষণ তরুণীর মৃত্যু অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ধর্ষণের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে এক তরুণীর (১৯) মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় শান্ত পাল নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরের দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তরুণী ময়মনসিংহের একটি কলেজ থেকে ২০২৬ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য তিনি ময়মনসিংহের একটি কোচিং সেন্টারে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করছিলেন!গ্রেফতার শান্ত পাল কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার সাচাইল এলাকার সুনীল চন্দ্র পালের ছেলে। তিনি কালিয়াকৈরের সফিপুর আহম্মদনগর এলাকায় একটি বাড়িতে ভাড়া থেকে স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন।মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আত্মীয়তার সূত্রে ওই তরুণীর গ্রামের বাড়িতে শান্ত পালের যাতায়াত ছিল। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। রোববার সকাল ৮টার দিকে ওই তরুণী প্রতিদিনের মতো কোচিং সেন্টারে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। ওইদিন মোবাইলফোনে যোগাযোগ করে শান্ত পাল তার সহযোগী আনোয়ার হোসেনের সহায়তায় তাকে কালিয়াকৈরে তার ভাড়া বাসায় নিয়ে যান।
আরও পড়ুন, নোয়াখালীর সুন্দলপুর-৪ কূপে মিলেছে গ্যাস
ওইদিন দুপুর ১২টার দিকে শান্ত পাল তাকে ধর্ষণ করেন। পরে তার অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হলে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর শান্ত পাল অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ তার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যান।বাড়িতে গিয়ে শান্ত পাল জানান, খিঁচুনি ওঠার পর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল এবং চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে তার কথাবার্তায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে মরদেহে ও পোশাকে রক্তের চিহ্ন দেখতে পেয়ে তারা বিষয়টি নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে শান্ত পাল ঘটনার কথা স্বীকার করেন বলে পরিবারের সদস্যদের দাবি।খবর পেয়ে ভালুকা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল করে। সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে নিহতের বাড়ি থেকে শান্ত পালকে গ্রেফতার করা হয়।কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামি শান্ত পালকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। মামলার অপর আসামি আনোয়ার হোসেনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তরুণীর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন