হুথিদের হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান। তিনি অভিযোগ করেছেন, হুথিরা অরাজকতা ও ধ্বংসের পথ বেছে নিয়েছে, যার ফলে ইয়েমেনের সাধারণ মানুষসহ পুরো অঞ্চল নিরাপত্তাঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।বুধবার শুরা কাউন্সিলে বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন মোহাম্মদ বিন সালমান। তিনি বলেন, সৌদি আরবের নিরাপত্তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে—এমন যেকোনো হামলা বা হুমকির জবাব দিতে দেশটি কোনো ধরনের দ্বিধা করবে না।সৌদি ক্রাউন প্রিন্স তাঁর বক্তব্যে গত আগস্টে পাকিস্তান ও তুরস্কের সঙ্গে স্বাক্ষরিত মক্কা চুক্তির বিষয়ও তুলে ধরেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ওই চুক্তির মাধ্যমে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা জোরদার, উত্তেজনা ও সংঘাতের নেতিবাচক প্রভাব থেকে সৌদিকে সুরক্ষিত রাখা এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সমন্বয়ের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।
আরও পড়ুন, মার্কিন সেনা প্রত্যাহারে নতুন সমীকরণ, ইরাকের সামনে নিরাপত্তার বড় পরীক্ষা
তিনি বলেন, সৌদি আরব সামরিকভাবে প্রস্তুত থাকার পাশাপাশি উত্তেজনা কমাতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগও নিচ্ছে। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও উত্তেজনা প্রশমনের উদ্যোগকে সমর্থন করতে দেশটি সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। তবে এসব প্রচেষ্টার কোনোটি সৌদি আরবের নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করে করা হবে না।লোহিত সাগরে হুথিদের জাহাজে হামলা এবং এসব হামলা মোকাবিলায় বহুজাতিক সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোটের উদ্যোগ নিয়েও কথা বলেন তিনি। তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও নৌ চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ পথ লোহিত সাগর ও বাব এল-মান্দেবকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।এদিকে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে সৌদি আরব ও ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথিদের মধ্যে সংঘাত চলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময়ে সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানে হুথিদের হামলার পাশাপাশি পাল্টা সৌদি বিমান হামলার ঘটনাও ঘটেছে। চলমান সংঘাত ঘিরে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও উত্তেজনা কমানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
বিষয় : হামলা কঠোর বার্তা সৌদি নিরাপত্তা

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
হুথিদের হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান। তিনি অভিযোগ করেছেন, হুথিরা অরাজকতা ও ধ্বংসের পথ বেছে নিয়েছে, যার ফলে ইয়েমেনের সাধারণ মানুষসহ পুরো অঞ্চল নিরাপত্তাঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।বুধবার শুরা কাউন্সিলে বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন মোহাম্মদ বিন সালমান। তিনি বলেন, সৌদি আরবের নিরাপত্তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে—এমন যেকোনো হামলা বা হুমকির জবাব দিতে দেশটি কোনো ধরনের দ্বিধা করবে না।সৌদি ক্রাউন প্রিন্স তাঁর বক্তব্যে গত আগস্টে পাকিস্তান ও তুরস্কের সঙ্গে স্বাক্ষরিত মক্কা চুক্তির বিষয়ও তুলে ধরেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ওই চুক্তির মাধ্যমে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা জোরদার, উত্তেজনা ও সংঘাতের নেতিবাচক প্রভাব থেকে সৌদিকে সুরক্ষিত রাখা এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সমন্বয়ের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।
আরও পড়ুন, মার্কিন সেনা প্রত্যাহারে নতুন সমীকরণ, ইরাকের সামনে নিরাপত্তার বড় পরীক্ষা
তিনি বলেন, সৌদি আরব সামরিকভাবে প্রস্তুত থাকার পাশাপাশি উত্তেজনা কমাতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগও নিচ্ছে। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও উত্তেজনা প্রশমনের উদ্যোগকে সমর্থন করতে দেশটি সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। তবে এসব প্রচেষ্টার কোনোটি সৌদি আরবের নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করে করা হবে না।লোহিত সাগরে হুথিদের জাহাজে হামলা এবং এসব হামলা মোকাবিলায় বহুজাতিক সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোটের উদ্যোগ নিয়েও কথা বলেন তিনি। তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও নৌ চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ পথ লোহিত সাগর ও বাব এল-মান্দেবকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।এদিকে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে সৌদি আরব ও ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথিদের মধ্যে সংঘাত চলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময়ে সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানে হুথিদের হামলার পাশাপাশি পাল্টা সৌদি বিমান হামলার ঘটনাও ঘটেছে। চলমান সংঘাত ঘিরে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও উত্তেজনা কমানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন