দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পিপিএমের মুকুট মাথায় নিয়ে কোতোয়ালীর কমান্ডে ওসি জাহেদুল কবির

পিপিএমের মুকুট মাথায় নিয়ে কোতোয়ালীর কমান্ডে ওসি জাহেদুল কবির
কোতোয়ালীর কমান্ডে ওসি জাহেদুল কবির

রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির সর্বোচ্চ মর্যাদার সম্মাননা মাথায় নিয়ে এবার চট্টগ্রাম নগরীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আইনশৃঙ্খলা ইউনিটের দায়িত্বে নতুন অধ্যায় শুরু করলেন চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা জাহেদুল কবির। পেশাগত দক্ষতা, দায়িত্বনিষ্ঠা, জনসেবায় বিশেষ অবদান, গুরুত্বপূর্ণ মামলার সফল তদন্ত এবং উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে অর্জন করেছেন রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)-সেবা।আর এই সম্মান অর্জনের মাত্র আনুমানিক ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ঐতিহ্যবাহী ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে।একদিকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির গৌরব, অন্যদিকে চট্টগ্রামের প্রাণকেন্দ্রের নিরাপত্তার বিশাল দায়িত্ব দুটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যেন একই সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এই পুলিশ কর্মকর্তার কর্মজীবনে।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-২ শাখার প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ মার্চ থেকে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ের কর্মদক্ষতার মূল্যায়নে সাহসিকতা, সেবায় অনন্য অবদান, গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্ত এবং উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে চারটি ক্যাটাগরিতে মোট ৯২ জন পুলিশ সদস্যকে পদক প্রদান করা হয়েছে। সেই তালিকায় পিপিএম-সেবা পদকে ভূষিত হয়েছেন জাহেদুল কবির।চট্টগ্রাম নগরীর ইতিহাস, বাণিজ্য ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম কেন্দ্রস্থল কোতোয়ালী থানা। পুরনো নগরীর ঐতিহ্য, ব্যবসায়িক প্রাণচাঞ্চল্য এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনার সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই থানা এলাকার দায়িত্ব সবসময়ই বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

আরও  পড়ুন, হিজলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার পরকীয়া, ভাঙনের মুখে দুইটি সংসার

কোতোয়ালী থানার আওতাধীন এলাকায় রয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, জেলা পরিষদ, চট্টগ্রাম আদালত ভবনসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান। একই সঙ্গে দেশের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক এলাকা খাতুনগঞ্জ, আছদগঞ্জ, চাক্তাই, রিয়াজউদ্দিন বাজার, তামাকুমণ্ডি লেন, নিউমার্কেটসহ বিস্তীর্ণ ব্যবসায়িক অঞ্চল এই থানার নিরাপত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। প্রতিদিন হাজারো ব্যবসায়ী, আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের পদচারণায় মুখর থাকে পুরো এলাকা। বিপুল আর্থিক লেনদেন, ব্যবসায়িক কার্যক্রম, জনসমাগম ও নাগরিক সেবার কারণে কোতোয়ালী থানার দায়িত্ব শুধু আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সীমাবদ্ধ নয়; বরং নগরের বাণিজ্যিক নিরাপত্তা, অপরাধ প্রতিরোধ, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার সঙ্গেও গভীরভাবে যুক্ত। এছাড়া চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় রেলওয়ে স্টেশন (বটতলী স্টেশন), লালদিঘী ময়দান, লালদিঘী মসজিদসহ ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোও এই এলাকার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।পুলিশ পদক একটি কর্মকর্তার কর্মদক্ষতা, পেশাগত সক্ষমতা ও দায়িত্বশীলতার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি। সেই সম্মান অর্জনের পরপরই কোতোয়ালী থানার মতো গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটের দায়িত্ব পাওয়া জাহেদুল কবিরের প্রতি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আস্থা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, একটি থানার অফিসার ইনচার্জের সিদ্ধান্ত, নেতৃত্ব ও দায়িত্ব পালনের সঙ্গে সরাসরি জড়িয়ে থাকে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা।

আরও  পড়ুন, চট্টগ্রামের বেসরকারি হাসপাতাল থেকে ছাত্রলীগের সাবেক নেতা গ্রেপ্তার

কোতোয়ালীর মতো ঐতিহ্যবাহী থানার নেতৃত্বে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর জাহেদুল কবিরের সামনে রয়েছে একাধিক চ্যালেঞ্জ সংগঠিত অপরাধ দমন, দ্রুত নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা, জনবান্ধব পুলিশিং আরও শক্তিশালী করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করা।চট্টগ্রামের পুরনো নগরীর হৃদপিণ্ড হিসেবে পরিচিত কোতোয়ালী থানায় নতুন নেতৃত্ব ঘিরে ইতোমধ্যে বিভিন্ন মহলে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বাণিজ্যিক নিরাপত্তা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, জনসাধারণের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি এবং নাগরিকবান্ধব পুলিশিংয়ের ক্ষেত্রে নতুন কী উদ্যোগ নেওয়া হয়, তা পর্যবেক্ষণ করছেন সংশ্লিষ্টরা।রাষ্ট্রীয় পদকের সম্মান এবং মানুষের প্রত্যাশাকে সঙ্গে নিয়ে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী কোতোয়ালী থানার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জাহেদুল কবির। এখন তার অভিজ্ঞতা, নেতৃত্বগুণ ও কর্মদক্ষতার সমন্বয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট কোন নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করে, সেটিই দেখার বিষয়।জাহেদুল কবির বলেন, "রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)-সেবা অর্জন আমার জন্য যেমন গৌরবের, তেমনি এটি আরও বড় দায়িত্বের স্মারক। এই স্বীকৃতি আমাকে জনগণের প্রতি দায়িত্ব আরও নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের অনুপ্রেরণা দেবে। আমি কোতোয়ালি এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দ্রুত নাগরিক সেবা প্রদান, অপরাধ দমন এবং সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেব। থানায় আগত প্রতিটি মানুষ যেন সম্মানজনক ও কাঙ্ক্ষিত সেবা পান, সেটি নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করব।" তিনি আরো বলেন, "আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জনগণের সহযোগিতা, ব্যবসায়ী সমাজ, বিভিন্ন পেশাজীবী ও স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কোতোয়ালী থানাকে আরও জনবান্ধব সেবাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য।”

বিষয় : মুকুট মাথায় কমান্ডে ওসি চ্যালেঞ্জ সংগঠিত

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পিপিএমের মুকুট মাথায় নিয়ে কোতোয়ালীর কমান্ডে ওসি জাহেদুল কবির

প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির সর্বোচ্চ মর্যাদার সম্মাননা মাথায় নিয়ে এবার চট্টগ্রাম নগরীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আইনশৃঙ্খলা ইউনিটের দায়িত্বে নতুন অধ্যায় শুরু করলেন চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা জাহেদুল কবির। পেশাগত দক্ষতা, দায়িত্বনিষ্ঠা, জনসেবায় বিশেষ অবদান, গুরুত্বপূর্ণ মামলার সফল তদন্ত এবং উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে অর্জন করেছেন রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)-সেবা।আর এই সম্মান অর্জনের মাত্র আনুমানিক ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ঐতিহ্যবাহী ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে।একদিকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির গৌরব, অন্যদিকে চট্টগ্রামের প্রাণকেন্দ্রের নিরাপত্তার বিশাল দায়িত্ব দুটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যেন একই সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এই পুলিশ কর্মকর্তার কর্মজীবনে।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-২ শাখার প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ মার্চ থেকে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ের কর্মদক্ষতার মূল্যায়নে সাহসিকতা, সেবায় অনন্য অবদান, গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্ত এবং উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে চারটি ক্যাটাগরিতে মোট ৯২ জন পুলিশ সদস্যকে পদক প্রদান করা হয়েছে। সেই তালিকায় পিপিএম-সেবা পদকে ভূষিত হয়েছেন জাহেদুল কবির।চট্টগ্রাম নগরীর ইতিহাস, বাণিজ্য ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম কেন্দ্রস্থল কোতোয়ালী থানা। পুরনো নগরীর ঐতিহ্য, ব্যবসায়িক প্রাণচাঞ্চল্য এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনার সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই থানা এলাকার দায়িত্ব সবসময়ই বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

আরও  পড়ুন, হিজলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার পরকীয়া, ভাঙনের মুখে দুইটি সংসার

কোতোয়ালী থানার আওতাধীন এলাকায় রয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, জেলা পরিষদ, চট্টগ্রাম আদালত ভবনসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান। একই সঙ্গে দেশের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক এলাকা খাতুনগঞ্জ, আছদগঞ্জ, চাক্তাই, রিয়াজউদ্দিন বাজার, তামাকুমণ্ডি লেন, নিউমার্কেটসহ বিস্তীর্ণ ব্যবসায়িক অঞ্চল এই থানার নিরাপত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। প্রতিদিন হাজারো ব্যবসায়ী, আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের পদচারণায় মুখর থাকে পুরো এলাকা। বিপুল আর্থিক লেনদেন, ব্যবসায়িক কার্যক্রম, জনসমাগম ও নাগরিক সেবার কারণে কোতোয়ালী থানার দায়িত্ব শুধু আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সীমাবদ্ধ নয়; বরং নগরের বাণিজ্যিক নিরাপত্তা, অপরাধ প্রতিরোধ, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার সঙ্গেও গভীরভাবে যুক্ত। এছাড়া চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় রেলওয়ে স্টেশন (বটতলী স্টেশন), লালদিঘী ময়দান, লালদিঘী মসজিদসহ ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোও এই এলাকার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।পুলিশ পদক একটি কর্মকর্তার কর্মদক্ষতা, পেশাগত সক্ষমতা ও দায়িত্বশীলতার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি। সেই সম্মান অর্জনের পরপরই কোতোয়ালী থানার মতো গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটের দায়িত্ব পাওয়া জাহেদুল কবিরের প্রতি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আস্থা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, একটি থানার অফিসার ইনচার্জের সিদ্ধান্ত, নেতৃত্ব ও দায়িত্ব পালনের সঙ্গে সরাসরি জড়িয়ে থাকে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা।

আরও  পড়ুন, চট্টগ্রামের বেসরকারি হাসপাতাল থেকে ছাত্রলীগের সাবেক নেতা গ্রেপ্তার

কোতোয়ালীর মতো ঐতিহ্যবাহী থানার নেতৃত্বে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর জাহেদুল কবিরের সামনে রয়েছে একাধিক চ্যালেঞ্জ সংগঠিত অপরাধ দমন, দ্রুত নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা, জনবান্ধব পুলিশিং আরও শক্তিশালী করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করা।চট্টগ্রামের পুরনো নগরীর হৃদপিণ্ড হিসেবে পরিচিত কোতোয়ালী থানায় নতুন নেতৃত্ব ঘিরে ইতোমধ্যে বিভিন্ন মহলে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বাণিজ্যিক নিরাপত্তা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, জনসাধারণের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি এবং নাগরিকবান্ধব পুলিশিংয়ের ক্ষেত্রে নতুন কী উদ্যোগ নেওয়া হয়, তা পর্যবেক্ষণ করছেন সংশ্লিষ্টরা।রাষ্ট্রীয় পদকের সম্মান এবং মানুষের প্রত্যাশাকে সঙ্গে নিয়ে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী কোতোয়ালী থানার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জাহেদুল কবির। এখন তার অভিজ্ঞতা, নেতৃত্বগুণ ও কর্মদক্ষতার সমন্বয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট কোন নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করে, সেটিই দেখার বিষয়।জাহেদুল কবির বলেন, "রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)-সেবা অর্জন আমার জন্য যেমন গৌরবের, তেমনি এটি আরও বড় দায়িত্বের স্মারক। এই স্বীকৃতি আমাকে জনগণের প্রতি দায়িত্ব আরও নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের অনুপ্রেরণা দেবে। আমি কোতোয়ালি এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দ্রুত নাগরিক সেবা প্রদান, অপরাধ দমন এবং সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেব। থানায় আগত প্রতিটি মানুষ যেন সম্মানজনক ও কাঙ্ক্ষিত সেবা পান, সেটি নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করব।" তিনি আরো বলেন, "আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জনগণের সহযোগিতা, ব্যবসায়ী সমাজ, বিভিন্ন পেশাজীবী ও স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কোতোয়ালী থানাকে আরও জনবান্ধব সেবাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য।”


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
পিপিএমের মুকুট মাথায় নিয়ে কোতোয়ালীর কমান্ডে ওসি জাহেদুল কবির
0:00 0:00
1.0x