বিশ্বের বৃহত্তম মুক্তবাণিজ্য ব্লক রিজিওনাল কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ বা আরসিইপিতে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া আরও এক ধাপ এগিয়েছে।
বাংলাদেশসহ চার দেশ ও অঞ্চলকে নিয়ে একটি বিশেষ অ্যাডহক অ্যাকসেশন ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের সুপারিশ অনুমোদন করেছেন আরসিইপির বাণিজ্যমন্ত্রীরা। গত ২১ সেপ্টেম্বর ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত পঞ্চম আরসিইপি মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।বাংলাদেশের পাশাপাশি তালিকায় রয়েছে লাতিন আমেরিকার দেশ চিলি দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা এবং হংকং চীন।বৈঠকে সদস্য দেশগুলোর মন্ত্রীরা আরসিইপি যৌথ কমিটির দেওয়া সুপারিশে আনুষ্ঠানিক সম্মতি জানান। যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আরসিইপি একটি উন্মুক্ত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কাঠামো বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আড়ও পড়ুন,কানাডায় এটিএসসি ২০২৬ মেলায় বাংলাদেশের ১৩ পোশাক ও টেক্সটাইল প্রতিষ্ঠান
জোটের পরিধি সম্প্রসারণ এবং নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির রোডম্যাপ অনুযায়ী আগ্রহী দেশগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা ও কারিগরি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে এই ওয়ার্কিং গ্রুপ কাজ করবে।বর্তমানে আরসিইপিতে আসিয়ানভুক্ত ১০টি দেশের পাশাপাশি চীন জাপান দক্ষিণ কোরিয়া অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড রয়েছে। বিশ্বের বড় অর্থনীতিগুলোর সমন্বয়ে গঠিত এই বাণিজ্য জোটে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি হলে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বিশেষ করে এলডিসি থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশের বাণিজ্য সুবিধা ধরে রাখা আন্তর্জাতিক সরবরাহ শৃঙ্খলের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হওয়া এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রে আরসিইপির সঙ্গে সম্পৃক্ততা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলে বাণিজ্য বিশ্লেষকদের মত।
বৈঠকে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা ও গঠনমূলক সংলাপের মাধ্যমে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংহতি জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি সদস্যপদের জন্য আবেদন করা দেশগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অপ্রয়োজনীয় বাধা দূর করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সংস্কার প্রক্রিয়া নিয়েও বৈঠকে গুরুত্বারোপ করা হয়।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বিশেষ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের সুপারিশ অনুমোদন বাংলাদেশের আরসিইপিতে যোগদানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। এটি সদস্যপদ পাওয়ার পথে আনুষ্ঠানিক আলোচনা ও কারিগরি মূল্যায়ন এগিয়ে নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
বিষয় : প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্তি

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিশ্বের বৃহত্তম মুক্তবাণিজ্য ব্লক রিজিওনাল কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ বা আরসিইপিতে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া আরও এক ধাপ এগিয়েছে।
বাংলাদেশসহ চার দেশ ও অঞ্চলকে নিয়ে একটি বিশেষ অ্যাডহক অ্যাকসেশন ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের সুপারিশ অনুমোদন করেছেন আরসিইপির বাণিজ্যমন্ত্রীরা। গত ২১ সেপ্টেম্বর ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত পঞ্চম আরসিইপি মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।বাংলাদেশের পাশাপাশি তালিকায় রয়েছে লাতিন আমেরিকার দেশ চিলি দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা এবং হংকং চীন।বৈঠকে সদস্য দেশগুলোর মন্ত্রীরা আরসিইপি যৌথ কমিটির দেওয়া সুপারিশে আনুষ্ঠানিক সম্মতি জানান। যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আরসিইপি একটি উন্মুক্ত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কাঠামো বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আড়ও পড়ুন,কানাডায় এটিএসসি ২০২৬ মেলায় বাংলাদেশের ১৩ পোশাক ও টেক্সটাইল প্রতিষ্ঠান
জোটের পরিধি সম্প্রসারণ এবং নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির রোডম্যাপ অনুযায়ী আগ্রহী দেশগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা ও কারিগরি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে এই ওয়ার্কিং গ্রুপ কাজ করবে।বর্তমানে আরসিইপিতে আসিয়ানভুক্ত ১০টি দেশের পাশাপাশি চীন জাপান দক্ষিণ কোরিয়া অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড রয়েছে। বিশ্বের বড় অর্থনীতিগুলোর সমন্বয়ে গঠিত এই বাণিজ্য জোটে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি হলে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বিশেষ করে এলডিসি থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশের বাণিজ্য সুবিধা ধরে রাখা আন্তর্জাতিক সরবরাহ শৃঙ্খলের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হওয়া এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রে আরসিইপির সঙ্গে সম্পৃক্ততা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলে বাণিজ্য বিশ্লেষকদের মত।
বৈঠকে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা ও গঠনমূলক সংলাপের মাধ্যমে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংহতি জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি সদস্যপদের জন্য আবেদন করা দেশগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অপ্রয়োজনীয় বাধা দূর করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সংস্কার প্রক্রিয়া নিয়েও বৈঠকে গুরুত্বারোপ করা হয়।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বিশেষ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের সুপারিশ অনুমোদন বাংলাদেশের আরসিইপিতে যোগদানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। এটি সদস্যপদ পাওয়ার পথে আনুষ্ঠানিক আলোচনা ও কারিগরি মূল্যায়ন এগিয়ে নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

আপনার মতামত লিখুন