সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যম/পত্রিকায় "সিরাজগঞ্জ গণপূর্তে টেন্ডার বাণিজ্যের নিয়ন্ত্রক প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান: বহিরাগতদের হাতে সরকারি পাসওয়ার্ড, সিন্ডিকেট আর ই-জিপি কারসাজিতে লুটপাট কোটি কোটি টাকা" শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি সিরাজগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগ ও বিভাগীয় নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাহমুদুল হাসানের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রতিবেদনটিতে যেসব অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, কাল্পনিক, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বিভাগীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা মাত্র।প্রতিবেদনে উল্লিখিত বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে প্রকৃত তথ্য ও ব্যাখ্যা নিচে উপস্থাপন করা হলো:ই-জিপি (e-GP) ও আইবাস++ (iBAS++) সংক্রান্ত তথ্য:সরকারের ই-জিপি এবং আইবাস++ অত্যন্ত সুরক্ষিত ও প্রযুক্তিনির্ভর দুটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। সিরাজগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর ব্যক্তিগত পাসওয়ার্ড বা দাপ্তরিক আইডি অন্য কোনো বহিরাগত বা আউটসোর্সিং কর্মচারীকে হস্তান্তরের অভিযোগটি সম্পূর্ণ অসত্য ও বিভ্রান্তিকর। দাপ্তরিক নিয়ম মেনেই কেবল авторизованный (অনুমোদিত) কর্মকর্তার মাধ্যমে ই-জিপি ও আর্থিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে পাসওয়ার্ড হাতবদল বা অনৈতিক ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই।
টেন্ডার মূল্যায়ন ও কাজের বণ্টন:
সিরাজগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের আওতাধীন যাবতীয় উন্নয়নমূলক ও সংস্কার কাজ শতভাগ ই-জিপি ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্পাদিত হয়। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন (PPA-2006) এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা (PPR-2008) কড়াকড়িভাবে অনুসরণ করে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে সর্বনিম্ন ও যোগ্য রেসপনসিভ দরদাতাকেই নোটিফিকেশন অব একসেপ্টেন্স (NOA) ও কার্যাদেশ প্রদান করা হয়। ‘এসএ এন্টারপ্রাইজ’ বা নির্দিষ্ট কোনো সিন্ডিকেটকে একচেটিয়া কাজ দেওয়ার যে কথা বলা হয়েছে, ই-জিপি পদ্ধতিতে তা প্রযুক্তিগতভাবেই অসম্ভব।
আরও পড়ুন, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে কোনো রাজনৈতিক শক্তি প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে না: খোকন
বিল পরিশোধ ও বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনা (APP):বিগত অর্থবছরের অনিয়ম ঢাকতে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনায় (APP) কাজ অন্তর্ভুক্ত করা কিংবা জুনের ক্লোজিংয়ে ভুয়া বিল উত্তোলনের বিষয়টি ভিত্তিহীন। কাজ সরেজমিনে পরিদর্শনের পর Measurement Book (MB) অনুযায়ী শতভাগ কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করেই কেবল আইবাস++ এর মাধ্যমে ঠিকাদারদের বিল ছাড় করা হয়। নিয়মবহির্ভূত বা ভুয়া কোনো বিল পরিশোধের সুযোগ এখানে নেই।ঘুষ ও অনৈতিক পার্সেন্টেজ আদায়:উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (SDE) কিংবা দাপ্তরিক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট পার্সেন্টেজ বা ঘুষ আদায়ের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা বিভ্রান্তি ছড়ানোর একটি অসৎ কৌশল। প্রশাসনিক শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ন রেখে সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করছেনসরকারি কর্মকর্তা হিসেবে অর্পিত দায়িত্ব পালন ছাড়া কোনো রাজনৈতিক দলের সুবিধাপ্রাপ্তি বা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
উপসংহার:একটি কায়েমী স্বার্থান্বেষী মহল ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যর্থ হয়ে তথ্য বিকৃত করে বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশন করিয়েছে। মনগড়া ও ভিত্তিহীন তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রণীত উক্ত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে সিরাজগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগ। সংশ্লিষ্ট সকলকে এ ধরনের অসত্য তথ্য ও অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।অনুরোধক্রমে,সিরাজগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগ

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যম/পত্রিকায় "সিরাজগঞ্জ গণপূর্তে টেন্ডার বাণিজ্যের নিয়ন্ত্রক প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান: বহিরাগতদের হাতে সরকারি পাসওয়ার্ড, সিন্ডিকেট আর ই-জিপি কারসাজিতে লুটপাট কোটি কোটি টাকা" শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি সিরাজগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগ ও বিভাগীয় নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাহমুদুল হাসানের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রতিবেদনটিতে যেসব অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, কাল্পনিক, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বিভাগীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা মাত্র।প্রতিবেদনে উল্লিখিত বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে প্রকৃত তথ্য ও ব্যাখ্যা নিচে উপস্থাপন করা হলো:ই-জিপি (e-GP) ও আইবাস++ (iBAS++) সংক্রান্ত তথ্য:সরকারের ই-জিপি এবং আইবাস++ অত্যন্ত সুরক্ষিত ও প্রযুক্তিনির্ভর দুটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। সিরাজগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর ব্যক্তিগত পাসওয়ার্ড বা দাপ্তরিক আইডি অন্য কোনো বহিরাগত বা আউটসোর্সিং কর্মচারীকে হস্তান্তরের অভিযোগটি সম্পূর্ণ অসত্য ও বিভ্রান্তিকর। দাপ্তরিক নিয়ম মেনেই কেবল авторизованный (অনুমোদিত) কর্মকর্তার মাধ্যমে ই-জিপি ও আর্থিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে পাসওয়ার্ড হাতবদল বা অনৈতিক ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই।
টেন্ডার মূল্যায়ন ও কাজের বণ্টন:
সিরাজগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের আওতাধীন যাবতীয় উন্নয়নমূলক ও সংস্কার কাজ শতভাগ ই-জিপি ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্পাদিত হয়। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন (PPA-2006) এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা (PPR-2008) কড়াকড়িভাবে অনুসরণ করে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে সর্বনিম্ন ও যোগ্য রেসপনসিভ দরদাতাকেই নোটিফিকেশন অব একসেপ্টেন্স (NOA) ও কার্যাদেশ প্রদান করা হয়। ‘এসএ এন্টারপ্রাইজ’ বা নির্দিষ্ট কোনো সিন্ডিকেটকে একচেটিয়া কাজ দেওয়ার যে কথা বলা হয়েছে, ই-জিপি পদ্ধতিতে তা প্রযুক্তিগতভাবেই অসম্ভব।
আরও পড়ুন, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে কোনো রাজনৈতিক শক্তি প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে না: খোকন
বিল পরিশোধ ও বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনা (APP):বিগত অর্থবছরের অনিয়ম ঢাকতে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনায় (APP) কাজ অন্তর্ভুক্ত করা কিংবা জুনের ক্লোজিংয়ে ভুয়া বিল উত্তোলনের বিষয়টি ভিত্তিহীন। কাজ সরেজমিনে পরিদর্শনের পর Measurement Book (MB) অনুযায়ী শতভাগ কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করেই কেবল আইবাস++ এর মাধ্যমে ঠিকাদারদের বিল ছাড় করা হয়। নিয়মবহির্ভূত বা ভুয়া কোনো বিল পরিশোধের সুযোগ এখানে নেই।ঘুষ ও অনৈতিক পার্সেন্টেজ আদায়:উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (SDE) কিংবা দাপ্তরিক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট পার্সেন্টেজ বা ঘুষ আদায়ের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা বিভ্রান্তি ছড়ানোর একটি অসৎ কৌশল। প্রশাসনিক শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ন রেখে সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করছেনসরকারি কর্মকর্তা হিসেবে অর্পিত দায়িত্ব পালন ছাড়া কোনো রাজনৈতিক দলের সুবিধাপ্রাপ্তি বা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
উপসংহার:একটি কায়েমী স্বার্থান্বেষী মহল ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যর্থ হয়ে তথ্য বিকৃত করে বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশন করিয়েছে। মনগড়া ও ভিত্তিহীন তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রণীত উক্ত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে সিরাজগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগ। সংশ্লিষ্ট সকলকে এ ধরনের অসত্য তথ্য ও অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।অনুরোধক্রমে,সিরাজগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগ

আপনার মতামত লিখুন