ভারতীয় রুপির বিপরীতে গত দুই বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী হয়েছে বাংলাদেশি টাকা। বিনিময় হারসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী এই সময়ে ভারতীয় মুদ্রার বিপরীতে টাকার মূল্য বেড়েছে প্রায় ১১ দশমিক ৬ শতাংশ। এর মধ্যে শুধু গত এক বছরেই বেড়েছে প্রায় ৭ দশমিক ৬ শতাংশ।২২ সেপ্টেম্বরের হিসাব অনুযায়ী এক বাংলাদেশি টাকায় পাওয়া যাচ্ছিল প্রায় শূন্য দশমিক ৭৮ ভারতীয় রুপি। এক বছর আগে একই পরিমাণ টাকায় পাওয়া যেত প্রায় শূন্য দশমিক ৭৩ রুপি। আর দুই বছর আগে পাওয়া যেত প্রায় শূন্য দশমিক ৭০ রুপি।অন্যদিকে উল্টো হিসাবে দেখা যায় ২২ সেপ্টেম্বর এক ভারতীয় রুপির মূল্য ছিল প্রায় ১ টাকা ২৮ পয়সা। এক বছর আগে যেখানে এক রুপি কিনতে প্রয়োজন হতো প্রায় ১ টাকা ৩৮ পয়সা। অর্থাৎ এক ভারতীয় রুপি কিনতে এখন আগের তুলনায় কম বাংলাদেশি টাকা প্রয়োজন হচ্ছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যেও সাম্প্রতিক সময়ে রুপির বিপরীতে টাকার শক্তিশালী অবস্থান দেখা যাচ্ছে। ২১ সেপ্টেম্বর ভারতীয় রুপির ক্রস রেট ছিল ১ টাকা ২৭ দশমিক ৮৯ পয়সা থেকে ১ টাকা ২৭ দশমিক ৯৬ পয়সা। ২৩ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত ক্রস রেটে তা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ টাকা ২৮ দশমিক ৫৯ পয়সা থেকে ১ টাকা ২৮ দশমিক ৭৮ পয়সা।
আরও পড়ুন, হজ নিবন্ধনের টাকা জমা দিতে শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেছেন রুপির বিপরীতে টাকার শক্তিশালী অবস্থান বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে ভারত থেকে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে স্থানীয় মুদ্রায় ব্যয় কিছুটা কমতে পারে।কাঁচামাল শিল্পের যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য পণ্য আমদানিকারকরাও বিনিময় হারের এই পরিবর্তন থেকে সুবিধা পেতে পারেন। একইভাবে ভারতে ভ্রমণকারী বাংলাদেশিরাও আবাসন খাবার যাতায়াতসহ স্থানীয় ব্যয়ের ক্ষেত্রে কিছুটা স্বস্তি পেতে পারেন।তবে শুধু বিনিময় হার কমলেই বাজারে পণ্যের দাম একই অনুপাতে কমবে এমন নিশ্চয়তা নেই। আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের মূল্য পরিবহন ব্যয় শুল্ক কর এবং ব্যবসায়ীদের মূল্য নির্ধারণসহ বিভিন্ন বিষয় চূড়ান্ত দামের ওপর প্রভাব ফেলে।এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে বৈদেশিক মুদ্রাবাজার ও বিনিময় হারের গতিবিধি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে
বিষয় : শক্তিশালী বাংলাদেশি টাকা ভারতীয় রুপি

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভারতীয় রুপির বিপরীতে গত দুই বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী হয়েছে বাংলাদেশি টাকা। বিনিময় হারসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী এই সময়ে ভারতীয় মুদ্রার বিপরীতে টাকার মূল্য বেড়েছে প্রায় ১১ দশমিক ৬ শতাংশ। এর মধ্যে শুধু গত এক বছরেই বেড়েছে প্রায় ৭ দশমিক ৬ শতাংশ।২২ সেপ্টেম্বরের হিসাব অনুযায়ী এক বাংলাদেশি টাকায় পাওয়া যাচ্ছিল প্রায় শূন্য দশমিক ৭৮ ভারতীয় রুপি। এক বছর আগে একই পরিমাণ টাকায় পাওয়া যেত প্রায় শূন্য দশমিক ৭৩ রুপি। আর দুই বছর আগে পাওয়া যেত প্রায় শূন্য দশমিক ৭০ রুপি।অন্যদিকে উল্টো হিসাবে দেখা যায় ২২ সেপ্টেম্বর এক ভারতীয় রুপির মূল্য ছিল প্রায় ১ টাকা ২৮ পয়সা। এক বছর আগে যেখানে এক রুপি কিনতে প্রয়োজন হতো প্রায় ১ টাকা ৩৮ পয়সা। অর্থাৎ এক ভারতীয় রুপি কিনতে এখন আগের তুলনায় কম বাংলাদেশি টাকা প্রয়োজন হচ্ছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যেও সাম্প্রতিক সময়ে রুপির বিপরীতে টাকার শক্তিশালী অবস্থান দেখা যাচ্ছে। ২১ সেপ্টেম্বর ভারতীয় রুপির ক্রস রেট ছিল ১ টাকা ২৭ দশমিক ৮৯ পয়সা থেকে ১ টাকা ২৭ দশমিক ৯৬ পয়সা। ২৩ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত ক্রস রেটে তা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ টাকা ২৮ দশমিক ৫৯ পয়সা থেকে ১ টাকা ২৮ দশমিক ৭৮ পয়সা।
আরও পড়ুন, হজ নিবন্ধনের টাকা জমা দিতে শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেছেন রুপির বিপরীতে টাকার শক্তিশালী অবস্থান বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে ভারত থেকে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে স্থানীয় মুদ্রায় ব্যয় কিছুটা কমতে পারে।কাঁচামাল শিল্পের যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য পণ্য আমদানিকারকরাও বিনিময় হারের এই পরিবর্তন থেকে সুবিধা পেতে পারেন। একইভাবে ভারতে ভ্রমণকারী বাংলাদেশিরাও আবাসন খাবার যাতায়াতসহ স্থানীয় ব্যয়ের ক্ষেত্রে কিছুটা স্বস্তি পেতে পারেন।তবে শুধু বিনিময় হার কমলেই বাজারে পণ্যের দাম একই অনুপাতে কমবে এমন নিশ্চয়তা নেই। আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের মূল্য পরিবহন ব্যয় শুল্ক কর এবং ব্যবসায়ীদের মূল্য নির্ধারণসহ বিভিন্ন বিষয় চূড়ান্ত দামের ওপর প্রভাব ফেলে।এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে বৈদেশিক মুদ্রাবাজার ও বিনিময় হারের গতিবিধি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে

আপনার মতামত লিখুন