কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় অস্ত্রোপচারের পর এক প্রসূতির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে একটি বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার সকালে পপি আক্তার নামে ওই প্রসূতির মৃত্যুর পর স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।স্বজনদের অভিযোগ, গত ৪ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণপাড়ার আল বারাকা হাসপাতালে পপি আক্তারের সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করা হয়। চার দিন পর তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।স্বজনদের দাবি, বাড়ি ফেরার পর থেকেই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। ১৫ সেপ্টেম্বর তাকে আবারও ওই হাসপাতালে নেওয়া হলে অস্ত্রোপচারের স্থানের সেলাই কেটে তাকে বাড়ি যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।পরদিন অবস্থার আরও অবনতি হলে পপিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে পুনরায় অস্ত্রোপচার করেন।
আরও পড়ুন, স্ত্রী প্রবাসে যাওয়ার তিনদিন পর তিন সন্তানকে নিয়ে বাবার বিষপান
পরে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে শয্যা না থাকায় তাকে কুমিল্লা শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার ভোরে তার মৃত্যু হয়।মৃত্যুর পর স্বজন ও স্থানীয়রা মরদেহ নিয়ে আল বারাকা হাসপাতালে গিয়ে বিক্ষোভ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হাসপাতাল বন্ধ করে দেয়।পপির স্বামীর অভিযোগ, অস্ত্রোপচারের সময় ভুল চিকিৎসার কারণে রক্তনালি কেটে গিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়। তবে এ অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা এখনো তদন্তে নিশ্চিত হয়নি।ঘটনার তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় অস্ত্রোপচারের পর এক প্রসূতির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে একটি বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার সকালে পপি আক্তার নামে ওই প্রসূতির মৃত্যুর পর স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।স্বজনদের অভিযোগ, গত ৪ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণপাড়ার আল বারাকা হাসপাতালে পপি আক্তারের সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করা হয়। চার দিন পর তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।স্বজনদের দাবি, বাড়ি ফেরার পর থেকেই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। ১৫ সেপ্টেম্বর তাকে আবারও ওই হাসপাতালে নেওয়া হলে অস্ত্রোপচারের স্থানের সেলাই কেটে তাকে বাড়ি যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।পরদিন অবস্থার আরও অবনতি হলে পপিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে পুনরায় অস্ত্রোপচার করেন।
আরও পড়ুন, স্ত্রী প্রবাসে যাওয়ার তিনদিন পর তিন সন্তানকে নিয়ে বাবার বিষপান
পরে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে শয্যা না থাকায় তাকে কুমিল্লা শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার ভোরে তার মৃত্যু হয়।মৃত্যুর পর স্বজন ও স্থানীয়রা মরদেহ নিয়ে আল বারাকা হাসপাতালে গিয়ে বিক্ষোভ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হাসপাতাল বন্ধ করে দেয়।পপির স্বামীর অভিযোগ, অস্ত্রোপচারের সময় ভুল চিকিৎসার কারণে রক্তনালি কেটে গিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়। তবে এ অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা এখনো তদন্তে নিশ্চিত হয়নি।ঘটনার তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

আপনার মতামত লিখুন