মালপুরের মাদারগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত রোগীর চাপে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। শয্যা না পেয়ে বহু রোগীকে হাসপাতালের মেঝেতে (ফ্লোরে) থেকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। অন্যদিকে, তদারকি ও যত্নের অভাবে হাসপাতালের মূল্যবান কেবিনগুলো ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে রয়েছে। এমনকি কোনো কোনো কেবিনের ভেতরে কবুতর বাসা বেঁধেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১০০ শয্যাবিশিষ্ট এই সরকারি হাসপাতালে প্রতিদিন মাদারগঞ্জ ও পার্শ্ববর্তী এলাকার শত শত মানুষ চিকিৎসা নিতে আসেন। সাম্প্রতিক সময়ে ডেঙ্গু ,ডায়রিয়া ,রোগীর সংখ্যা ধারণক্ষমতার কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। ফলে ওয়ার্ডের ভেতরে জায়গা না পেয়ে হাসপাতালের বারান্দা এবং মেঝেতে বিছানা পেতেছেন রোগীরা। মেঝেতে নোংরা পরিবেশের কারণে রোগীরা নতুন করে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।ভুক্তভোগী রোগীদের অভিযোগ, হাসপাতালে সাধারণ ওয়ার্ডে যখন তিল ধারণের জায়গা নেই, তখন অন্যদিকে হাসপাতালের কেবিনগুলো অযত্ন আর অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে।
আরও পড়ুন, ২২ বছর পর ভোটে জেলা কাজী সমিতির সভাপতি কসবার কাজী ইয়াহিয়া মাসুদ
কেবিনগুলোর ভেতরের আসবাবপত্র ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে এবং দীর্ঘদিন পরিষ্কার না করায় সেখানে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ জমেছে। এমনকি জানালা ভাঙা থাকায় কেবিনের ভেতরে কবুতর বাসা তৈরি করেছে।হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা এক রোগীর স্বজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "হাসপাতালে এসে মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। অথচ কেবিনগুলো ফাঁকা পড়ে নষ্ট হচ্ছে। সেগুলোর কোনো যত্ন নেই, সেখানে মানুষ থাকতে পারে না, কবুতর থাকে।"এই বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, জনবল সংকট এবং ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত রোগীর চাপের কারণে কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে। তবে কেবিনগুলোর দ্রুত সংস্কার এবং হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে এই সরকারি হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা দূর করে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
বিষয় : হাসপাতালে কবুতরের বাসা রোগীর চাপ

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মালপুরের মাদারগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত রোগীর চাপে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। শয্যা না পেয়ে বহু রোগীকে হাসপাতালের মেঝেতে (ফ্লোরে) থেকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। অন্যদিকে, তদারকি ও যত্নের অভাবে হাসপাতালের মূল্যবান কেবিনগুলো ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে রয়েছে। এমনকি কোনো কোনো কেবিনের ভেতরে কবুতর বাসা বেঁধেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১০০ শয্যাবিশিষ্ট এই সরকারি হাসপাতালে প্রতিদিন মাদারগঞ্জ ও পার্শ্ববর্তী এলাকার শত শত মানুষ চিকিৎসা নিতে আসেন। সাম্প্রতিক সময়ে ডেঙ্গু ,ডায়রিয়া ,রোগীর সংখ্যা ধারণক্ষমতার কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। ফলে ওয়ার্ডের ভেতরে জায়গা না পেয়ে হাসপাতালের বারান্দা এবং মেঝেতে বিছানা পেতেছেন রোগীরা। মেঝেতে নোংরা পরিবেশের কারণে রোগীরা নতুন করে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।ভুক্তভোগী রোগীদের অভিযোগ, হাসপাতালে সাধারণ ওয়ার্ডে যখন তিল ধারণের জায়গা নেই, তখন অন্যদিকে হাসপাতালের কেবিনগুলো অযত্ন আর অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে।
আরও পড়ুন, ২২ বছর পর ভোটে জেলা কাজী সমিতির সভাপতি কসবার কাজী ইয়াহিয়া মাসুদ
কেবিনগুলোর ভেতরের আসবাবপত্র ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে এবং দীর্ঘদিন পরিষ্কার না করায় সেখানে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ জমেছে। এমনকি জানালা ভাঙা থাকায় কেবিনের ভেতরে কবুতর বাসা তৈরি করেছে।হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা এক রোগীর স্বজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "হাসপাতালে এসে মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। অথচ কেবিনগুলো ফাঁকা পড়ে নষ্ট হচ্ছে। সেগুলোর কোনো যত্ন নেই, সেখানে মানুষ থাকতে পারে না, কবুতর থাকে।"এই বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, জনবল সংকট এবং ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত রোগীর চাপের কারণে কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে। তবে কেবিনগুলোর দ্রুত সংস্কার এবং হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে এই সরকারি হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা দূর করে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন