বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। এ নিয়ে ৯৮ বারের মতো পিছিয়েছে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়।সোমবার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য থাকলেও তা জমা দিতে পারেনি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি। পরে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত আগামী ১৯ অক্টোবর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রোকনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে থাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকে হ্যাকাররা ৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার চুরি করে নেয়। ওই অর্থের একটি বড় অংশ পরে বিভিন্ন মাধ্যমে পাচার হয়ে যায়।ধারণা করা হয় দেশের ভেতরে থাকা একটি চক্রের সহায়তায় এই অর্থপাচার সংঘটিত হয়েছিল।
আরও পড়ুন, তিন মাসে ব্যাংকে বড় অঙ্কের আমানত বেড়েছে ৫২ হাজার কোটি
এ ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের উপপরিচালক জোবায়ের বিন হুদা মতিঝিল থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন।মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে করা ওই মামলার তদন্তভার পরদিন ১৬ মার্চ সিআইডির কাছে দেওয়া হয়। এরপর থেকে দীর্ঘ সময় ধরে মামলাটি তদন্ত করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ।কিন্তু বছরের পর বছর পার হলেও তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল হয়নি। বারবার সময় পেছানোর কারণে আলোচিত এই মামলার তদন্তের অগ্রগতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।এবার আদালত আগামী ১৯ অক্টোবর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন ধার্য করেছেন। এখন দেখার বিষয় ওই তারিখে বহুল আলোচিত রিজার্ভ চুরি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা পড়ে কি না।

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। এ নিয়ে ৯৮ বারের মতো পিছিয়েছে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়।সোমবার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য থাকলেও তা জমা দিতে পারেনি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি। পরে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত আগামী ১৯ অক্টোবর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রোকনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে থাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকে হ্যাকাররা ৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার চুরি করে নেয়। ওই অর্থের একটি বড় অংশ পরে বিভিন্ন মাধ্যমে পাচার হয়ে যায়।ধারণা করা হয় দেশের ভেতরে থাকা একটি চক্রের সহায়তায় এই অর্থপাচার সংঘটিত হয়েছিল।
আরও পড়ুন, তিন মাসে ব্যাংকে বড় অঙ্কের আমানত বেড়েছে ৫২ হাজার কোটি
এ ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের উপপরিচালক জোবায়ের বিন হুদা মতিঝিল থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন।মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে করা ওই মামলার তদন্তভার পরদিন ১৬ মার্চ সিআইডির কাছে দেওয়া হয়। এরপর থেকে দীর্ঘ সময় ধরে মামলাটি তদন্ত করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ।কিন্তু বছরের পর বছর পার হলেও তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল হয়নি। বারবার সময় পেছানোর কারণে আলোচিত এই মামলার তদন্তের অগ্রগতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।এবার আদালত আগামী ১৯ অক্টোবর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন ধার্য করেছেন। এখন দেখার বিষয় ওই তারিখে বহুল আলোচিত রিজার্ভ চুরি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা পড়ে কি না।

আপনার মতামত লিখুন