দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঘনঘন লোডশেডিং, অস্বাভাবিক বিল; কাশিয়ানী পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে অনিয়মের অভিযোগ

ঘনঘন লোডশেডিং, অস্বাভাবিক বিল; কাশিয়ানী পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে অনিয়মের অভিযোগ
পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে অনিয়মের অভিযোগ

ঘনঘন লোডশেডিং, অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল, মিটার রিডিংয়ে অসঙ্গতি এবং সেবার নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ—সব মিলিয়ে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম অসন্তোষ।গ্রাহকদের অভিযোগ, দিন-রাত মিলিয়ে একাধিকবার বিদ্যুৎ চলে যায়। কোনো কোনো এলাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকে। এতে যেমন সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে, তেমনি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বিদ্যুৎনির্ভর ব্যবসায়ীরা।কাশিয়ানী সদর বাজারের ব্যবসায়ী আরিফুল ইসলাম অভির অভিযোগ, তার দোকানে তিনটি ফ্রিজ, দুটি ফ্যান ও পাঁচটি লাইট রয়েছে। সাধারণত মাসে তার বিদ্যুৎ বিল আসে ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৫ হাজার টাকার মধ্যে।কিন্তু মে, জুন ও জুলাই—তিন মাসের সমন্বিত বিল এসেছে ৩৮ হাজার ১৪৭ টাকা। অভিযোগ নিয়ে বিদ্যুৎ অফিসে গেলেও সমাধান না পেয়ে একপর্যায়ে ব্যবসা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান তিনি।আরেক গ্রাহক শরিফুল ইসলামের অভিযোগ, এপ্রিল মাসে মিটারে ৭০ ইউনিট ব্যবহার দেখানো হলেও মে মাসে বিল করা হয় ১৪০ ইউনিট। এরপর জুন, 

আরও  পড়ুন, কাপ্তাই হ্রদের পানি কমেছে, বন্ধ হলো বাঁধের ১৬ গেট

জুলাই ও আগস্টে মিটারে রিডিং শূন্য থাকলেও প্রতি মাসে ১৪০ ইউনিট করে বিল পাঠানো হয়।অভিযোগের পর বিষয়টি জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর পর্যন্ত গড়ায়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে তার বিল সমন্বয় করে দেওয়া হয়।এদিকে, ওড়াকান্দি গ্রামের গ্রাহক ইসরাফিল মোল্লার বাড়িতে নিয়মবহির্ভূতভাবে খুঁটি স্থাপন ও সংযোগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, এ ঘটনায় পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তাদের যোগসাজশ ছিল।অনুসন্ধানে জানা যায়, সংযোগের জন্য তাকে ১ স্প্যান লাইন নির্মাণ বাবদ ২৮ হাজার ১৪৮ টাকার ডিমান্ড নোট দেওয়া হয়েছিল। তবে অভিযোগ, ওই অর্থ অফিসে জমা না দিয়েই পরবর্তীতে সংযোগ দেওয়া হয়।অভিযোগের বিষয়ে কাশিয়ানী জোনাল অফিসের ডিজিএম গোলাম ফারুক মীর বলেন, অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হবে। তবে ডিমান্ড নোটের টাকা জমা না হওয়ার বিষয়ে তার দাবি, ওই গ্রাহক বিনামূল্যে এবং নিয়ম মেনেই সংযোগ পেয়েছেন।গ্রাহকদের প্রশ্ন—নিয়ম মেনে সংযোগ দেওয়া হলে ডিমান্ড নোটের অর্থের হিসাব কোথায়? আর মিটারে রিডিং না থাকলেও কীভাবে একই পরিমাণ বিল তৈরি হলো—এসব প্রশ্নের জবাব চান ভুক্তভোগীরা।

বিষয় : পল্লী বিদ্যুৎ বিদ্যুৎ বিল লোডশেডিং

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ঘনঘন লোডশেডিং, অস্বাভাবিক বিল; কাশিয়ানী পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ঘনঘন লোডশেডিং, অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল, মিটার রিডিংয়ে অসঙ্গতি এবং সেবার নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ—সব মিলিয়ে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম অসন্তোষ।গ্রাহকদের অভিযোগ, দিন-রাত মিলিয়ে একাধিকবার বিদ্যুৎ চলে যায়। কোনো কোনো এলাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকে। এতে যেমন সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে, তেমনি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বিদ্যুৎনির্ভর ব্যবসায়ীরা।কাশিয়ানী সদর বাজারের ব্যবসায়ী আরিফুল ইসলাম অভির অভিযোগ, তার দোকানে তিনটি ফ্রিজ, দুটি ফ্যান ও পাঁচটি লাইট রয়েছে। সাধারণত মাসে তার বিদ্যুৎ বিল আসে ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৫ হাজার টাকার মধ্যে।কিন্তু মে, জুন ও জুলাই—তিন মাসের সমন্বিত বিল এসেছে ৩৮ হাজার ১৪৭ টাকা। অভিযোগ নিয়ে বিদ্যুৎ অফিসে গেলেও সমাধান না পেয়ে একপর্যায়ে ব্যবসা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান তিনি।আরেক গ্রাহক শরিফুল ইসলামের অভিযোগ, এপ্রিল মাসে মিটারে ৭০ ইউনিট ব্যবহার দেখানো হলেও মে মাসে বিল করা হয় ১৪০ ইউনিট। এরপর জুন, 

আরও  পড়ুন, কাপ্তাই হ্রদের পানি কমেছে, বন্ধ হলো বাঁধের ১৬ গেট

জুলাই ও আগস্টে মিটারে রিডিং শূন্য থাকলেও প্রতি মাসে ১৪০ ইউনিট করে বিল পাঠানো হয়।অভিযোগের পর বিষয়টি জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর পর্যন্ত গড়ায়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে তার বিল সমন্বয় করে দেওয়া হয়।এদিকে, ওড়াকান্দি গ্রামের গ্রাহক ইসরাফিল মোল্লার বাড়িতে নিয়মবহির্ভূতভাবে খুঁটি স্থাপন ও সংযোগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, এ ঘটনায় পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তাদের যোগসাজশ ছিল।অনুসন্ধানে জানা যায়, সংযোগের জন্য তাকে ১ স্প্যান লাইন নির্মাণ বাবদ ২৮ হাজার ১৪৮ টাকার ডিমান্ড নোট দেওয়া হয়েছিল। তবে অভিযোগ, ওই অর্থ অফিসে জমা না দিয়েই পরবর্তীতে সংযোগ দেওয়া হয়।অভিযোগের বিষয়ে কাশিয়ানী জোনাল অফিসের ডিজিএম গোলাম ফারুক মীর বলেন, অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হবে। তবে ডিমান্ড নোটের টাকা জমা না হওয়ার বিষয়ে তার দাবি, ওই গ্রাহক বিনামূল্যে এবং নিয়ম মেনেই সংযোগ পেয়েছেন।গ্রাহকদের প্রশ্ন—নিয়ম মেনে সংযোগ দেওয়া হলে ডিমান্ড নোটের অর্থের হিসাব কোথায়? আর মিটারে রিডিং না থাকলেও কীভাবে একই পরিমাণ বিল তৈরি হলো—এসব প্রশ্নের জবাব চান ভুক্তভোগীরা।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত