ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) এক ছাত্রনেতাকে চড় মারার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। পরে এ উত্তেজনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ও কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক পর্যন্ত গড়ায়। এ ঘটনায় কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলে ছাত্রশিবিরের হল শাখার সেক্রেটারি কাজী জুহায়েরকে ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলীনূর রহমান চড় মারেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। তবে ঘটনার কারণ নিয়ে উভয় পক্ষের বক্তব্যে ভিন্নতা রয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করে। অভিযুক্ত আলীনূর রহমানকে হল থেকে বের করে প্রক্টর কার্যালয়ে নেওয়ার সময় প্রক্টরের গাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে।
আরও পড়ুন, বৃদ্ধ রিকশাচালকেকে মারধরের প্রতিবাদ করায় এসবি সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা
পরে বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক এলাকায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের অবস্থান এবং লাঠিসোঁটা প্রদর্শনের অভিযোগ পাওয়া যায়। একই সময়ে শিবিরের নেতাকর্মীরাও বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নেন। একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেখানে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শনের অভিযোগও উঠেছে।এ ঘটনায় শহীদুল ও বাবুল নামে দুজন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে আহতের প্রকৃত সংখ্যা ও সংঘর্ষে কারা জড়িত ছিলেন, তা নিয়ে বিভিন্ন সূত্রে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে।ঘটনার কারণ ও দায়ীদের চিহ্নিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটিকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়ার পরই ঘটনার দায় নির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হবে।

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) এক ছাত্রনেতাকে চড় মারার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। পরে এ উত্তেজনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ও কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক পর্যন্ত গড়ায়। এ ঘটনায় কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলে ছাত্রশিবিরের হল শাখার সেক্রেটারি কাজী জুহায়েরকে ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলীনূর রহমান চড় মারেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। তবে ঘটনার কারণ নিয়ে উভয় পক্ষের বক্তব্যে ভিন্নতা রয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করে। অভিযুক্ত আলীনূর রহমানকে হল থেকে বের করে প্রক্টর কার্যালয়ে নেওয়ার সময় প্রক্টরের গাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে।
আরও পড়ুন, বৃদ্ধ রিকশাচালকেকে মারধরের প্রতিবাদ করায় এসবি সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা
পরে বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক এলাকায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের অবস্থান এবং লাঠিসোঁটা প্রদর্শনের অভিযোগ পাওয়া যায়। একই সময়ে শিবিরের নেতাকর্মীরাও বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নেন। একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেখানে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শনের অভিযোগও উঠেছে।এ ঘটনায় শহীদুল ও বাবুল নামে দুজন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে আহতের প্রকৃত সংখ্যা ও সংঘর্ষে কারা জড়িত ছিলেন, তা নিয়ে বিভিন্ন সূত্রে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে।ঘটনার কারণ ও দায়ীদের চিহ্নিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটিকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়ার পরই ঘটনার দায় নির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন