চীনে রাশিয়ার গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে নতুন গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্প ‘পাওয়ার অব বাইকাল’ নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া ও চীন।আগে ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া–২’ নামে পরিচিত এই প্রকল্প নিয়ে শুক্রবার রাশিয়া-চীন আন্তঃসরকারি জ্বালানি সহযোগিতা কমিশনের বৈঠকে আলোচনা করেন রুশ উপপ্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক।নোভাক জানান, ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া’ পাইপলাইনের মাধ্যমে চীনে রাশিয়ার গ্যাস রপ্তানি ক্রমেই বাড়ছে। একই সঙ্গে ‘ফার ইস্টার্ন’ রুট চালুর প্রস্তুতিও এগিয়ে চলছে। এর পাশাপাশি চীনে গ্যাস সরবরাহের আরও কয়েকটি সম্ভাব্য রুট নিয়ে আলোচনা করছে দুই দেশ। এর মধ্যে অন্যতম ‘পাওয়ার অব বাইকাল’।সম্প্রতি ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া–২’ প্রকল্পের নতুন নাম দেওয়া হয়েছে ‘পাওয়ার অব বাইকাল’।
আড়ও পড়ুন,বাংলাদেশিদের জন্য মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা সীমিত করল মালয়েশিয়া
গত ২ সেপ্টেম্বর রুশ জ্বালানিমন্ত্রী সের্গেই সিভিলিওভ জানান, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন প্রকল্পটির নতুন নাম দিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রকল্পটিকে নির্মাণ পর্যায়ে নেওয়ার প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত বলেও জানান তিনি।পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাশিয়ার ইয়ামাল অঞ্চলের গ্যাসক্ষেত্র থেকে মঙ্গোলিয়ার ভূখণ্ড হয়ে চীনে গ্যাস সরবরাহ করবে এই পাইপলাইন। এর মাধ্যমে বছরে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস পরিবহনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাইপলাইনটির সম্ভাব্য দৈর্ঘ্য প্রায় ২ হাজার ৬০০ কিলোমিটার।প্রকল্পটির গ্যাস সরবরাহের রুট ও বাণিজ্যিক বিষয় নিয়ে রাশিয়ার গ্যাজপ্রম এবং চীনের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান সিএনপিসির মধ্যে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে গ্যাসের মূল্য নির্ধারণসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে রাশিয়া ও চীন ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া–২’ এবং মঙ্গোলিয়ার মধ্য দিয়ে ‘সয়ুজ ভস্তক’ গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণের বিষয়ে আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক একটি সমঝোতা স্মারক সই করে।নাম পরিবর্তন হলেও প্রকল্পটির মূল রুট ও পরিকল্পিত গ্যাস পরিবহন সক্ষমতায় পরিবর্তনের কথা জানানো হয়নি।এদিকে বিদ্যমান ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া’ পাইপলাইনের পাশাপাশি ‘ফার ইস্টার্ন’ রুট চালুর প্রস্তুতিও এগিয়ে নিচ্ছে রাশিয়া। দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সহযোগিতা জোরদারে এসব প্রকল্পকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে মস্কো ও বেইজিং।

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চীনে রাশিয়ার গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে নতুন গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্প ‘পাওয়ার অব বাইকাল’ নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া ও চীন।আগে ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া–২’ নামে পরিচিত এই প্রকল্প নিয়ে শুক্রবার রাশিয়া-চীন আন্তঃসরকারি জ্বালানি সহযোগিতা কমিশনের বৈঠকে আলোচনা করেন রুশ উপপ্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক।নোভাক জানান, ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া’ পাইপলাইনের মাধ্যমে চীনে রাশিয়ার গ্যাস রপ্তানি ক্রমেই বাড়ছে। একই সঙ্গে ‘ফার ইস্টার্ন’ রুট চালুর প্রস্তুতিও এগিয়ে চলছে। এর পাশাপাশি চীনে গ্যাস সরবরাহের আরও কয়েকটি সম্ভাব্য রুট নিয়ে আলোচনা করছে দুই দেশ। এর মধ্যে অন্যতম ‘পাওয়ার অব বাইকাল’।সম্প্রতি ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া–২’ প্রকল্পের নতুন নাম দেওয়া হয়েছে ‘পাওয়ার অব বাইকাল’।
আড়ও পড়ুন,বাংলাদেশিদের জন্য মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা সীমিত করল মালয়েশিয়া
গত ২ সেপ্টেম্বর রুশ জ্বালানিমন্ত্রী সের্গেই সিভিলিওভ জানান, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন প্রকল্পটির নতুন নাম দিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রকল্পটিকে নির্মাণ পর্যায়ে নেওয়ার প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত বলেও জানান তিনি।পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাশিয়ার ইয়ামাল অঞ্চলের গ্যাসক্ষেত্র থেকে মঙ্গোলিয়ার ভূখণ্ড হয়ে চীনে গ্যাস সরবরাহ করবে এই পাইপলাইন। এর মাধ্যমে বছরে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস পরিবহনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাইপলাইনটির সম্ভাব্য দৈর্ঘ্য প্রায় ২ হাজার ৬০০ কিলোমিটার।প্রকল্পটির গ্যাস সরবরাহের রুট ও বাণিজ্যিক বিষয় নিয়ে রাশিয়ার গ্যাজপ্রম এবং চীনের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান সিএনপিসির মধ্যে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে গ্যাসের মূল্য নির্ধারণসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে রাশিয়া ও চীন ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া–২’ এবং মঙ্গোলিয়ার মধ্য দিয়ে ‘সয়ুজ ভস্তক’ গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণের বিষয়ে আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক একটি সমঝোতা স্মারক সই করে।নাম পরিবর্তন হলেও প্রকল্পটির মূল রুট ও পরিকল্পিত গ্যাস পরিবহন সক্ষমতায় পরিবর্তনের কথা জানানো হয়নি।এদিকে বিদ্যমান ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া’ পাইপলাইনের পাশাপাশি ‘ফার ইস্টার্ন’ রুট চালুর প্রস্তুতিও এগিয়ে নিচ্ছে রাশিয়া। দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সহযোগিতা জোরদারে এসব প্রকল্পকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে মস্কো ও বেইজিং।

আপনার মতামত লিখুন