মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে ইয়াবা জব্দ নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় ১০০ পিস ইয়াবাসহ আটক এক যুবককে পরে মাত্র ৪ পিস ইয়াবাসহ পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা চলছে।মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার বীরতারা চান্দারটেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের দাবি, নিমতলী গ্রামের পলাশ মন্ডলের কাছ থেকে একটি পোটলায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।অভিযোগ রয়েছে, পরে কয়েকজন স্থানীয় যুবক পলাশকে নির্জন স্থানে নিয়ে যায় এবং তার কাছ থেকে টাকা দাবি করে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, ইয়াবা নিয়ে দেনদরবার চলছিল।
আরও পড়ুন, কিশোরগঞ্জে মাসব্যাপী বাতাসে উড়ছে গ্যাস
পরে খবর পেয়ে শ্রীনগর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে পলাশকে ৪ পিস ইয়াবাসহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, আগে দেখা যাওয়া ইয়াবার বাকি অংশ কোথায় গেল।তবে অভিযুক্ত রাসেল দাবি করেছেন, তারা কোনো ইয়াবা সরিয়ে ফেলেননি; পলাশ নিজেই ইয়াবা পানিতে ফেলে দিয়েছে।শ্রীনগর থানার ওসি (তদন্ত) মিল্টন দত্ত জানিয়েছেন, ৪ পিস ইয়াবাসহ পলাশের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে স্থানীয়দের তোলা অভিযোগও খতিয়ে দেখা হবে।ইয়াবা উদ্ধারের পরিমাণ নিয়ে পরস্পরবিরোধী তথ্য সামনে আসায় ঘটনাটি তদন্তের দাবি জোরালো হয়েছে। পুলিশ বলছে, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিষয় : যুবকের মৃত্যু ধোঁয়াশা ইয়াবা জব্দ

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে ইয়াবা জব্দ নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় ১০০ পিস ইয়াবাসহ আটক এক যুবককে পরে মাত্র ৪ পিস ইয়াবাসহ পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা চলছে।মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার বীরতারা চান্দারটেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের দাবি, নিমতলী গ্রামের পলাশ মন্ডলের কাছ থেকে একটি পোটলায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।অভিযোগ রয়েছে, পরে কয়েকজন স্থানীয় যুবক পলাশকে নির্জন স্থানে নিয়ে যায় এবং তার কাছ থেকে টাকা দাবি করে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, ইয়াবা নিয়ে দেনদরবার চলছিল।
আরও পড়ুন, কিশোরগঞ্জে মাসব্যাপী বাতাসে উড়ছে গ্যাস
পরে খবর পেয়ে শ্রীনগর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে পলাশকে ৪ পিস ইয়াবাসহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, আগে দেখা যাওয়া ইয়াবার বাকি অংশ কোথায় গেল।তবে অভিযুক্ত রাসেল দাবি করেছেন, তারা কোনো ইয়াবা সরিয়ে ফেলেননি; পলাশ নিজেই ইয়াবা পানিতে ফেলে দিয়েছে।শ্রীনগর থানার ওসি (তদন্ত) মিল্টন দত্ত জানিয়েছেন, ৪ পিস ইয়াবাসহ পলাশের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে স্থানীয়দের তোলা অভিযোগও খতিয়ে দেখা হবে।ইয়াবা উদ্ধারের পরিমাণ নিয়ে পরস্পরবিরোধী তথ্য সামনে আসায় ঘটনাটি তদন্তের দাবি জোরালো হয়েছে। পুলিশ বলছে, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন