জরুরি চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য ও দ্রুত করতে দেশজুড়ে ২৪ ঘণ্টার অ্যাম্বুলেন্স নেটওয়ার্ক চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন মহাসড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকা ২৪টি ট্রমা সেন্টার দ্রুততম সময়ের মধ্যে চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।দুর্ঘটনায় আহত রোগীদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনার পর আহতদের হাসপাতালে পৌঁছাতে সময় কমানো এবং প্রাথমিক জরুরি চিকিৎসা নিশ্চিত করাই ট্রমা সেন্টারগুলো চালুর অন্যতম লক্ষ্য।
আরও পড়ুন, জাপান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান
প্রস্তাবিত অ্যাম্বুলেন্স নেটওয়ার্কের আওতায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় জরুরি প্রয়োজনে ২৪ ঘণ্টা অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন দুর্ঘটনার পর দ্রুত চিকিৎসা পাওয়া গেলে গুরুতর আহত অনেক রোগীর জীবন রক্ষা করা সম্ভব। তাই হাসপাতাল ও ট্রমা সেন্টারের পাশাপাশি দ্রুত পরিবহন সুবিধা নিশ্চিত করাও জরুরি।মহাসড়কের পাশে থাকা ট্রমা সেন্টারগুলো চালু হলে দুর্ঘটনাস্থলের কাছাকাছি প্রাথমিক ও জরুরি চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ বাড়বে।সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থায় গতি আসার পাশাপাশি সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনার সুযোগ তৈরি হবে।
বিষয় : অ্যাম্বুলেন্স ২৪ ঘণ্টা চালুর উদ্যোগ

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জরুরি চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য ও দ্রুত করতে দেশজুড়ে ২৪ ঘণ্টার অ্যাম্বুলেন্স নেটওয়ার্ক চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন মহাসড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকা ২৪টি ট্রমা সেন্টার দ্রুততম সময়ের মধ্যে চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।দুর্ঘটনায় আহত রোগীদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনার পর আহতদের হাসপাতালে পৌঁছাতে সময় কমানো এবং প্রাথমিক জরুরি চিকিৎসা নিশ্চিত করাই ট্রমা সেন্টারগুলো চালুর অন্যতম লক্ষ্য।
আরও পড়ুন, জাপান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান
প্রস্তাবিত অ্যাম্বুলেন্স নেটওয়ার্কের আওতায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় জরুরি প্রয়োজনে ২৪ ঘণ্টা অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন দুর্ঘটনার পর দ্রুত চিকিৎসা পাওয়া গেলে গুরুতর আহত অনেক রোগীর জীবন রক্ষা করা সম্ভব। তাই হাসপাতাল ও ট্রমা সেন্টারের পাশাপাশি দ্রুত পরিবহন সুবিধা নিশ্চিত করাও জরুরি।মহাসড়কের পাশে থাকা ট্রমা সেন্টারগুলো চালু হলে দুর্ঘটনাস্থলের কাছাকাছি প্রাথমিক ও জরুরি চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ বাড়বে।সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থায় গতি আসার পাশাপাশি সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনার সুযোগ তৈরি হবে।

আপনার মতামত লিখুন