দেশে কার্যকর কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সরকার, বেসরকারি খাত, উন্নয়ন সহযোগী এবং সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে 'কার্যকর কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত উদ্যোগ' শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে এ আহ্বান জানানো হয়। সোমবার ঢাকার আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর অডিটোরিয়ামে পরিবেশ অধিদপ্তর এবং ওয়াটারএইড বাংলাদেশ-সুইসকনটাক্ট বাংলাদেশ কনসোর্টিয়ামের যৌথ উদ্যোগে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ
আরো পড়ুন , স্যাটেলাইট প্রযুক্তিতে ফ্রান্সের সহায়তা চায় বাংলাদেশ
শফিউল্লাহ বলেন, টেকসই পরিবেশ রক্ষায় আধুনিক ও সমন্বিত কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।সেমিনারে পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জিয়াউল হকের সভাপতিত্বে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ, আইনি কাঠামো, প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং অংশীজনদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়।বিশেষজ্ঞরা বলেন, পরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে পরিবেশ দূষণ কমবে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষিত হবে এবং টেকসই নগর ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।সেমিনারে ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণে বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরা হয় এবং পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
দেশে কার্যকর কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সরকার, বেসরকারি খাত, উন্নয়ন সহযোগী এবং সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে 'কার্যকর কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত উদ্যোগ' শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে এ আহ্বান জানানো হয়। সোমবার ঢাকার আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর অডিটোরিয়ামে পরিবেশ অধিদপ্তর এবং ওয়াটারএইড বাংলাদেশ-সুইসকনটাক্ট বাংলাদেশ কনসোর্টিয়ামের যৌথ উদ্যোগে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ
আরো পড়ুন , স্যাটেলাইট প্রযুক্তিতে ফ্রান্সের সহায়তা চায় বাংলাদেশ
শফিউল্লাহ বলেন, টেকসই পরিবেশ রক্ষায় আধুনিক ও সমন্বিত কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।সেমিনারে পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জিয়াউল হকের সভাপতিত্বে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ, আইনি কাঠামো, প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং অংশীজনদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়।বিশেষজ্ঞরা বলেন, পরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে পরিবেশ দূষণ কমবে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষিত হবে এবং টেকসই নগর ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।সেমিনারে ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণে বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরা হয় এবং পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন