দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৬ জুলাই পর্যন্ত দেশের গ্রস বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৭ হাজার ৮৪৭ দশমিক ৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, অর্থাৎ প্রায় ৩৭ দশমিক ৮৪ বিলিয়ন ডলার।সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতিতে দেশের রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার ১৯৯ দশমিক ৩৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
আরও পড়ুন, স্বস্তির আভাস! জুনে মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশে
এর আগে ২ জুলাই পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৭ হাজার ৬৫৮ দশমিক ৬৩ মিলিয়ন ডলার। একই সময়ে বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ৩৩ হাজার ১৩ দশমিক ১৯ মিলিয়ন ডলার।বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি বৈদেশিক দায় বাদ দিয়ে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ নির্ধারণ করা হয়। এই পদ্ধতিই বর্তমানে আইএমএফের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।বিশ্লেষকদের মতে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি দেশের আমদানি সক্ষমতা, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য ইতিবাচক ইঙ্গিত বহন করে।
বিষয় : ডলার কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রার রিজার্ভ

বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৬ জুলাই পর্যন্ত দেশের গ্রস বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৭ হাজার ৮৪৭ দশমিক ৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, অর্থাৎ প্রায় ৩৭ দশমিক ৮৪ বিলিয়ন ডলার।সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতিতে দেশের রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার ১৯৯ দশমিক ৩৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
আরও পড়ুন, স্বস্তির আভাস! জুনে মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশে
এর আগে ২ জুলাই পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৭ হাজার ৬৫৮ দশমিক ৬৩ মিলিয়ন ডলার। একই সময়ে বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ৩৩ হাজার ১৩ দশমিক ১৯ মিলিয়ন ডলার।বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি বৈদেশিক দায় বাদ দিয়ে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ নির্ধারণ করা হয়। এই পদ্ধতিই বর্তমানে আইএমএফের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।বিশ্লেষকদের মতে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি দেশের আমদানি সক্ষমতা, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য ইতিবাচক ইঙ্গিত বহন করে।

আপনার মতামত লিখুন