জুলাই মাসের শুরুতেই রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে। চলতি মাসের প্রথম চার দিনেই দেশে এসেছে ৩৪ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৪ হাজার ৩০৫ কোটি টাকা।বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, এই চার দিনে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৮ কোটি ৭৩ লাখ ডলার, অর্থাৎ এক হাজার কোটি টাকারও বেশি রেমিট্যান্স। তবে গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩৬ কোটি ডলার, যা এবারকার তুলনায় কিছুটা বেশি।এর আগে জুন মাসে দেশে আসে ২৮১ কোটি ৭০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স।
আরও পড়ুন, তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা, বছরে আয় কমেছে ১.৬৪ শতাংশ
এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৮৫ কোটি ৩৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার এসেছে বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে। এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৫১ কোটি ৫১ লাখ ডলার, বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ৪৪ কোটি ১৬ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৬৬ লাখ ১০ হাজার ডলার।এরও আগে মে মাসে দেশে এসেছিল ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মাসিক রেমিট্যান্স প্রবাহ। আর মার্চ মাসে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার পাঠিয়ে নতুন ইতিহাস গড়েন প্রবাসীরা।অর্থনীতিবিদদের মতে, রেমিট্যান্সের এই ধারাবাহিক প্রবাহ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করবে, আমদানি ব্যয় মেটাতে সহায়তা করবে এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
জুলাই মাসের শুরুতেই রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে। চলতি মাসের প্রথম চার দিনেই দেশে এসেছে ৩৪ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৪ হাজার ৩০৫ কোটি টাকা।বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, এই চার দিনে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৮ কোটি ৭৩ লাখ ডলার, অর্থাৎ এক হাজার কোটি টাকারও বেশি রেমিট্যান্স। তবে গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩৬ কোটি ডলার, যা এবারকার তুলনায় কিছুটা বেশি।এর আগে জুন মাসে দেশে আসে ২৮১ কোটি ৭০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স।
আরও পড়ুন, তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা, বছরে আয় কমেছে ১.৬৪ শতাংশ
এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৮৫ কোটি ৩৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার এসেছে বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে। এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৫১ কোটি ৫১ লাখ ডলার, বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ৪৪ কোটি ১৬ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৬৬ লাখ ১০ হাজার ডলার।এরও আগে মে মাসে দেশে এসেছিল ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মাসিক রেমিট্যান্স প্রবাহ। আর মার্চ মাসে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার পাঠিয়ে নতুন ইতিহাস গড়েন প্রবাসীরা।অর্থনীতিবিদদের মতে, রেমিট্যান্সের এই ধারাবাহিক প্রবাহ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করবে, আমদানি ব্যয় মেটাতে সহায়তা করবে এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

আপনার মতামত লিখুন