চীনের ডালিয়ান সফর শেষ করে বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে তিনি ডালিয়ান থেকে যাত্রা শুরু করেন। সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।এর আগে সকালে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম আয়োজিত গ্রীষ্মকালীন দাভোসের বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। চীনের ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের বৈশ্বিক আয়োজনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান, নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা অংশ নেন।১৭তম অ্যানুয়াল মিটিং অব দ্য নিউ চ্যাম্পিয়নস শীর্ষক এই সম্মেলনে বাংলাদেশের পাশাপাশি গিনি,
আরও পড়ুন, ১ জুলাই থেকেই নবম পে-স্কেল! আজ সচিব কমিটির বৈঠকে চূড়ান্ত হতে পারে
কাজাখস্তান, দক্ষিণ কোরিয়া, মঙ্গোলিয়া ও মন্টিনিগ্রোর সরকারপ্রধানরাও উপস্থিত ছিলেন।জানা গেছে, ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে ১ হাজার ৭০০–এর বেশি প্রতিনিধি এবারের গ্রীষ্মকালীন দাভোসে অংশ নেন। বৈশ্বিক অর্থনীতি, বিনিয়োগ, উদ্ভাবন, প্রযুক্তি এবং ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির পথনকশা নিয়ে সেখানে বিস্তৃত আলোচনা হয়।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই অংশগ্রহণ বাংলাদেশের জন্য কেবল কূটনৈতিক উপস্থিতি নয়, বরং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সেরা অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে।ডালিয়ান পর্ব শেষে এখন বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচির দিকেই নজর সবার।
বিষয় : সম্মেলন তারেক রহমানের শোক

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
চীনের ডালিয়ান সফর শেষ করে বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে তিনি ডালিয়ান থেকে যাত্রা শুরু করেন। সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।এর আগে সকালে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম আয়োজিত গ্রীষ্মকালীন দাভোসের বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। চীনের ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের বৈশ্বিক আয়োজনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান, নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা অংশ নেন।১৭তম অ্যানুয়াল মিটিং অব দ্য নিউ চ্যাম্পিয়নস শীর্ষক এই সম্মেলনে বাংলাদেশের পাশাপাশি গিনি,
আরও পড়ুন, ১ জুলাই থেকেই নবম পে-স্কেল! আজ সচিব কমিটির বৈঠকে চূড়ান্ত হতে পারে
কাজাখস্তান, দক্ষিণ কোরিয়া, মঙ্গোলিয়া ও মন্টিনিগ্রোর সরকারপ্রধানরাও উপস্থিত ছিলেন।জানা গেছে, ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে ১ হাজার ৭০০–এর বেশি প্রতিনিধি এবারের গ্রীষ্মকালীন দাভোসে অংশ নেন। বৈশ্বিক অর্থনীতি, বিনিয়োগ, উদ্ভাবন, প্রযুক্তি এবং ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির পথনকশা নিয়ে সেখানে বিস্তৃত আলোচনা হয়।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই অংশগ্রহণ বাংলাদেশের জন্য কেবল কূটনৈতিক উপস্থিতি নয়, বরং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সেরা অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে।ডালিয়ান পর্ব শেষে এখন বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচির দিকেই নজর সবার।

আপনার মতামত লিখুন