দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মিনিটেই মাটিতে মিশল নির্মাণাধীন গুদাম, প্রাণ গেল ৩ শ্রমিকের

মিনিটেই মাটিতে মিশল নির্মাণাধীন গুদাম, প্রাণ গেল ৩ শ্রমিকের
একটি গুদামের ছাদ ধসে অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন।

ভারতের কলকাতার তারাতলা এলাকায় নির্মাণাধীন একটি গুদামের ছাদ ধসে অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বুধবার দুপুরে ঘটে যাওয়া এ দুর্ঘটনার পরপরই শুরু হয় বড় পরিসরের উদ্ধার অভিযান।স্থানীয় সময় দুপুরের দিকে তারাতলার ব্রেস ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় নির্মাণাধীন তিনতলা গুদাম ভবনের ছাদ ধসে পড়ে। দুর্ঘটনার সময় সেখানে কয়েক ডজন শ্রমিক কাজ করছিলেন। ছাদ ধসে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই অনেকে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ, দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান।এ পর্যন্ত অন্তত ২১ জনকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। আহতদের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। পশ্চিমবঙ্গ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখনও ১২ থেকে ১৮ জন পর্যন্ত 

আরো পড়ুন, ইরানের পর সুন্নি শক্তিই বড় হুমকি: ইসরায়েলি বিশ্লেষকের দাবি

শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকতে পারেন। ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ধসের পর ভেতর থেকে আটকে পড়া শ্রমিকদের আর্তনাদ শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু ভারী কংক্রিট, লোহার বিম ও ধসে পড়া কাঠামো সরাতে গিয়ে উদ্ধারকাজ জটিল হয়ে ওঠে। ক্রেন, গ্যাস কাটার ও বিশেষ সরঞ্জাম ব্যবহার করে উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এখন পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। একইসঙ্গে তিনি জানান, ধ্বংসস্তূপের ভেতরে এখনও বেশ কয়েকজন আটকে থাকতে পারেন। উদ্ধার অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে না।প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নির্মাণাধীন কাঠামোর ছাদ বা শেডের কোনো অংশ হঠাৎ ভেঙে পড়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। ঠিক কী কারণে ধস নামল, তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। নির্মাণে ত্রুটি, নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার বা নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি ছিল কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বিষয় : ভারতের কলকাতার একটি গুদামের ছাদ ধসে অন্তত তিনজন নিহত

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬


মিনিটেই মাটিতে মিশল নির্মাণাধীন গুদাম, প্রাণ গেল ৩ শ্রমিকের

প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬

featured Image

ভারতের কলকাতার তারাতলা এলাকায় নির্মাণাধীন একটি গুদামের ছাদ ধসে অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বুধবার দুপুরে ঘটে যাওয়া এ দুর্ঘটনার পরপরই শুরু হয় বড় পরিসরের উদ্ধার অভিযান।স্থানীয় সময় দুপুরের দিকে তারাতলার ব্রেস ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় নির্মাণাধীন তিনতলা গুদাম ভবনের ছাদ ধসে পড়ে। দুর্ঘটনার সময় সেখানে কয়েক ডজন শ্রমিক কাজ করছিলেন। ছাদ ধসে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই অনেকে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ, দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান।এ পর্যন্ত অন্তত ২১ জনকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। আহতদের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। পশ্চিমবঙ্গ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখনও ১২ থেকে ১৮ জন পর্যন্ত 

আরো পড়ুন, ইরানের পর সুন্নি শক্তিই বড় হুমকি: ইসরায়েলি বিশ্লেষকের দাবি

শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকতে পারেন। ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ধসের পর ভেতর থেকে আটকে পড়া শ্রমিকদের আর্তনাদ শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু ভারী কংক্রিট, লোহার বিম ও ধসে পড়া কাঠামো সরাতে গিয়ে উদ্ধারকাজ জটিল হয়ে ওঠে। ক্রেন, গ্যাস কাটার ও বিশেষ সরঞ্জাম ব্যবহার করে উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এখন পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। একইসঙ্গে তিনি জানান, ধ্বংসস্তূপের ভেতরে এখনও বেশ কয়েকজন আটকে থাকতে পারেন। উদ্ধার অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে না।প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নির্মাণাধীন কাঠামোর ছাদ বা শেডের কোনো অংশ হঠাৎ ভেঙে পড়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। ঠিক কী কারণে ধস নামল, তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। নির্মাণে ত্রুটি, নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার বা নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি ছিল কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত