সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে বসতভিটার জমি লিখে না দেওয়ায় মোহাম্মদ আলী (৭৫) নামে এক বৃদ্ধকে গামছা প্যাঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার পুত্রবধূর বিরুদ্ধে। দাফনের প্রস্তুতিকালে লাশের মুখে রক্তের চিহ্ন ও গলায় কালো দাগ দেখে সন্দেহ হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের পর মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে নিহতের পুত্রবধূ হোসনা বেগমসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শনিবার (১৫ আগস্ট) দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে দোয়ারাবাজার থানা-পুলিশ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন নিহতের পুত্রবধূ হোসনা বেগম (৩৮), হাবিবনগর গ্রামের রুহুল আমিন (২২) ও নজরুল ইসলাম (২০)। পুলিশের দাবি, হোসনা বেগম হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী। আর রুহুল আমিন ও নজরুল ইসলাম ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেন।
আরও পড়ুন, সিরাজগঞ্জে পৌর স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পুত্রবধূর সঙ্গে পারিবারিক বিরোধের কারণে মোহাম্মদ আলী নিজ বাড়িতে একাই বসবাস করতেন। শুক্রবার রাতে নিজ কক্ষে ঘুমাতে যান তিনি। পরদিন সকালে স্বজনরা তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। এরপর দ্রুত দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও লাশের মুখে রক্তের চিহ্ন ও গলায় কালো দাগ দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। পরে ঘটনার তদন্তে নেমে নিহতের পুত্রবধূসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বসতভিটার জমি হোসনা বেগম ও তার সৌদি আরবপ্রবাসী স্বামী ইসমাইল মিয়ার নামে লিখে দেওয়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। জমি লিখে না দেওয়ায় শ্বশুরকে হত্যার পরিকল্পনা করেন হোসনা। পরে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে রুহুল আমিনকে হত্যার দায়িত্ব দেওয়া হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিকল্পনা অনুযায়ী হত্যার রাতে ঘরে প্রবেশের সুবিধার জন্য পেছনের দরজা খুলে রাখেন হোসনা। পরে রুহুল আমিন ও নজরুল ইসলাম ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত মোহাম্মদ আলীকে গামছা প্যাঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।
বিষয় : বসতভিটা পুত্রবধূ শ্বশুরকে হত্যা

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে বসতভিটার জমি লিখে না দেওয়ায় মোহাম্মদ আলী (৭৫) নামে এক বৃদ্ধকে গামছা প্যাঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার পুত্রবধূর বিরুদ্ধে। দাফনের প্রস্তুতিকালে লাশের মুখে রক্তের চিহ্ন ও গলায় কালো দাগ দেখে সন্দেহ হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের পর মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে নিহতের পুত্রবধূ হোসনা বেগমসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শনিবার (১৫ আগস্ট) দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে দোয়ারাবাজার থানা-পুলিশ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন নিহতের পুত্রবধূ হোসনা বেগম (৩৮), হাবিবনগর গ্রামের রুহুল আমিন (২২) ও নজরুল ইসলাম (২০)। পুলিশের দাবি, হোসনা বেগম হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী। আর রুহুল আমিন ও নজরুল ইসলাম ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেন।
আরও পড়ুন, সিরাজগঞ্জে পৌর স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পুত্রবধূর সঙ্গে পারিবারিক বিরোধের কারণে মোহাম্মদ আলী নিজ বাড়িতে একাই বসবাস করতেন। শুক্রবার রাতে নিজ কক্ষে ঘুমাতে যান তিনি। পরদিন সকালে স্বজনরা তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। এরপর দ্রুত দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও লাশের মুখে রক্তের চিহ্ন ও গলায় কালো দাগ দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। পরে ঘটনার তদন্তে নেমে নিহতের পুত্রবধূসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বসতভিটার জমি হোসনা বেগম ও তার সৌদি আরবপ্রবাসী স্বামী ইসমাইল মিয়ার নামে লিখে দেওয়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। জমি লিখে না দেওয়ায় শ্বশুরকে হত্যার পরিকল্পনা করেন হোসনা। পরে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে রুহুল আমিনকে হত্যার দায়িত্ব দেওয়া হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিকল্পনা অনুযায়ী হত্যার রাতে ঘরে প্রবেশের সুবিধার জন্য পেছনের দরজা খুলে রাখেন হোসনা। পরে রুহুল আমিন ও নজরুল ইসলাম ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত মোহাম্মদ আলীকে গামছা প্যাঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।

আপনার মতামত লিখুন