চীনের লিয়াওনিং প্রদেশের ডালিয়ান থেকে হাই-স্পিড বুলেট ট্রেনে করে বেইজিং পৌঁছেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার চীনের স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় ডালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা করে বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে তিনি চীনের রাজধানীতে পৌঁছান। এ সময় তার সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।এর আগে, একই দিন সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডালিয়ানে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম—ডব্লিউইএফের ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’ সম্মেলনে অংশ নেন। ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘১৭তম অ্যানুয়াল মিটিং অব দ্য নিউ চ্যাম্পিয়নস’-এ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান, নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা অংশ নেন।সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছাড়াও গিনির প্রধানমন্ত্রী আমাদু উরি বাহ, কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওলজাস বেকতেনভ, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিম মিন সেওক,
আরও পড়ুন ,জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে অবসর ভাতা পাবেন বেসরকারি শিক্ষকরা: শিক্ষামন্ত্রী
মঙ্গোলিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিয়াম ওসর উচরাল এবং মন্টিনিগ্রোর প্রধানমন্ত্রী মিলোইকো স্পাইজিচ অংশ নেন। আয়োজকদের তথ্যমতে, ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে ১ হাজার ৭০০ জনের বেশি প্রতিনিধি এই সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’-এ প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ বাংলাদেশের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এই প্ল্যাটফর্মে বৈশ্বিক বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি, বাণিজ্য ও টেকসই উন্নয়ন নিয়ে বিশ্বের শীর্ষ পর্যায়ের সিদ্ধান্তনির্ধারকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ একদিকে নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ, অন্যদিকে উন্নত অর্থনীতির সেরা অনুশীলন ও অভিজ্ঞতা গ্রহণের সুযোগ পেতে পারে।চীন সফরের এই ধাপকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। ডালিয়ান থেকে বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর যাত্রা এখন দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় আলোচনা, বিনিয়োগ সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সহযোগিতার দিকেই নতুন করে নজর তৈরি করেছে।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
চীনের লিয়াওনিং প্রদেশের ডালিয়ান থেকে হাই-স্পিড বুলেট ট্রেনে করে বেইজিং পৌঁছেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার চীনের স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় ডালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা করে বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে তিনি চীনের রাজধানীতে পৌঁছান। এ সময় তার সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।এর আগে, একই দিন সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডালিয়ানে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম—ডব্লিউইএফের ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’ সম্মেলনে অংশ নেন। ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘১৭তম অ্যানুয়াল মিটিং অব দ্য নিউ চ্যাম্পিয়নস’-এ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান, নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা অংশ নেন।সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছাড়াও গিনির প্রধানমন্ত্রী আমাদু উরি বাহ, কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওলজাস বেকতেনভ, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিম মিন সেওক,
আরও পড়ুন ,জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে অবসর ভাতা পাবেন বেসরকারি শিক্ষকরা: শিক্ষামন্ত্রী
মঙ্গোলিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিয়াম ওসর উচরাল এবং মন্টিনিগ্রোর প্রধানমন্ত্রী মিলোইকো স্পাইজিচ অংশ নেন। আয়োজকদের তথ্যমতে, ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে ১ হাজার ৭০০ জনের বেশি প্রতিনিধি এই সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’-এ প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ বাংলাদেশের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এই প্ল্যাটফর্মে বৈশ্বিক বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি, বাণিজ্য ও টেকসই উন্নয়ন নিয়ে বিশ্বের শীর্ষ পর্যায়ের সিদ্ধান্তনির্ধারকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ একদিকে নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ, অন্যদিকে উন্নত অর্থনীতির সেরা অনুশীলন ও অভিজ্ঞতা গ্রহণের সুযোগ পেতে পারে।চীন সফরের এই ধাপকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। ডালিয়ান থেকে বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর যাত্রা এখন দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় আলোচনা, বিনিয়োগ সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সহযোগিতার দিকেই নতুন করে নজর তৈরি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন