কুমিল্লার মুরাদনগরে মসজিদে নামাজরত অবস্থায় মো. গিয়াস উদ্দিন সরকার নামে এক মুসল্লির মৃত্যুর ঘটনা এলাকায় শোকের ছায়া ফেলেছে।বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ধনীরামপুর বাজার মসজিদে এশার নামাজ আদায়ের সময় এ ঘটনা ঘটে। নিহত গিয়াস উদ্দিন সরকার ছিলেন ধনীরামপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং পেশায় একজন জমির পরিমাপক বা আমিন। এলাকায় তিনি একজন ধর্মপ্রাণ ও সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রতিদিনের মতো এদিনও তিনি মসজিদে নামাজ আদায়ের জন্য যান।
আরও পড়ুন, বিজিবির কঠোর অবস্থানে ব্যর্থ বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, মেহেরপুর সীমান্তে উত্তেজনা
ফরজ নামাজ শেষে বিতর নামাজের দ্বিতীয় রাকাতের রুকুতে যাওয়ার সময় হঠাৎ সামনের দিকে ঢলে পড়ে যান। বিষয়টি দেখতে পেয়ে অন্য মুসল্লিরা দ্রুত এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন।পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।শুক্রবার সকাল ১০টায় ধনীরামপুর খেলার মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।মৃত্যুকালে গিয়াস উদ্দিন সরকার স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন এবং এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বিষয় : শোকের ছায়া মুসল্লির মৃত্যু রুকুতে

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
কুমিল্লার মুরাদনগরে মসজিদে নামাজরত অবস্থায় মো. গিয়াস উদ্দিন সরকার নামে এক মুসল্লির মৃত্যুর ঘটনা এলাকায় শোকের ছায়া ফেলেছে।বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ধনীরামপুর বাজার মসজিদে এশার নামাজ আদায়ের সময় এ ঘটনা ঘটে। নিহত গিয়াস উদ্দিন সরকার ছিলেন ধনীরামপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং পেশায় একজন জমির পরিমাপক বা আমিন। এলাকায় তিনি একজন ধর্মপ্রাণ ও সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রতিদিনের মতো এদিনও তিনি মসজিদে নামাজ আদায়ের জন্য যান।
আরও পড়ুন, বিজিবির কঠোর অবস্থানে ব্যর্থ বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, মেহেরপুর সীমান্তে উত্তেজনা
ফরজ নামাজ শেষে বিতর নামাজের দ্বিতীয় রাকাতের রুকুতে যাওয়ার সময় হঠাৎ সামনের দিকে ঢলে পড়ে যান। বিষয়টি দেখতে পেয়ে অন্য মুসল্লিরা দ্রুত এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন।পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।শুক্রবার সকাল ১০টায় ধনীরামপুর খেলার মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।মৃত্যুকালে গিয়াস উদ্দিন সরকার স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন এবং এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন