ঢাকায় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় আত্মসমর্পণের পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে আলোচিত অভিনেতা জাহের আলভী-কে। আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এ নির্দেশ দেন।ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।মামলার নথি অনুযায়ী, স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরা আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে এই মামলা করা হয়েছে। পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিনের মানসিক নির্যাতন, অবহেলা এবং দাম্পত্য কলহের কারণেই ইকরা আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হন।
আরও পড়ুন, ফিরবেন না পপি
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, প্রায় দুই বছর আগে ইকরা জানতে পারেন তার স্বামী অন্য এক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক করছেন। এরপর থেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনে চরম টানাপোড়েন শুরু হয়।পরিবারের দাবি অনুযায়ী, একাধিকবার পারিবারিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও কোনো ফল আসেনি। মৃত্যুর আগের দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টও ইকরাকে মানসিকভাবে আরও ভেঙে দেয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার বাসা থেকে ইকরাকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে এবং তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।
বিষয় : কারাগার আত্মসমর্পণ জাহের আলভী

রোববার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
ঢাকায় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় আত্মসমর্পণের পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে আলোচিত অভিনেতা জাহের আলভী-কে। আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এ নির্দেশ দেন।ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।মামলার নথি অনুযায়ী, স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরা আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে এই মামলা করা হয়েছে। পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিনের মানসিক নির্যাতন, অবহেলা এবং দাম্পত্য কলহের কারণেই ইকরা আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হন।
আরও পড়ুন, ফিরবেন না পপি
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, প্রায় দুই বছর আগে ইকরা জানতে পারেন তার স্বামী অন্য এক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক করছেন। এরপর থেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনে চরম টানাপোড়েন শুরু হয়।পরিবারের দাবি অনুযায়ী, একাধিকবার পারিবারিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও কোনো ফল আসেনি। মৃত্যুর আগের দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টও ইকরাকে মানসিকভাবে আরও ভেঙে দেয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার বাসা থেকে ইকরাকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে এবং তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।

আপনার মতামত লিখুন