ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ ঘিরে রাজধানীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা রূপ নেয় এক জীবন্ত ফুটবল উৎসবে। বিশেষ করে গ্রুপ ‘সি’-তে ব্রাজিল ও মরক্কোর ম্যাচকে কেন্দ্র করে টিএসসি থেকে শাহবাগ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে হাজারো ফুটবলপ্রেমীর উচ্ছ্বাস।শনিবার রাত ১০টার পর থেকেই টিএসসি চত্বরে সমর্থকদের ভিড় জমতে শুরু করে। ধীরে ধীরে নীলক্ষেত মোড়, দোয়েল চত্বর ও শাহবাগ এলাকায় মানুষের ঢল নামে। রাত ১২টার পর পুরো এলাকা রূপ নেয় এক জনসমুদ্রে।রাতভর চলে স্লোগান, পতাকা উড়ানো এবং দলীয় উচ্ছ্বাস। ব্রাজিল সমর্থকরা ‘হেক্সা এবার আসছেই’ স্লোগানে মুখরিত করেন পুরো এলাকা, আর আর্জেন্টিনা ভক্তরা ‘সেভেন আপ, সেভেন আপ’ বলে মাতিয়ে তোলেন পরিবেশ।
আরও পড়ুন, গুলশানে স্পা নেটওয়ার্কের নেপথ্যে কে এই নুর-ইসলাম?
হলুদ-সবুজ ও আকাশি-সাদা জার্সিতে বিভক্ত হয়ে পড়ে পুরো ক্যাম্পাস এলাকা। বাঁশির শব্দ, ঢোলের তালে তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। পতাকা, ব্যাজ, টুপি ও চাবির রিং বিক্রিও ছিল চোখে পড়ার মতো।ভোরের ম্যাচকে কেন্দ্র করে সমর্থকরা চায়ের দোকান ও অলিগলিতে জমায়েত হয়ে আগাম প্রস্তুতি নেন। অনেকেই নিজেদের দলের জয়ের প্রত্যাশা ও ভবিষ্যৎ বিশ্বকাপ পরিকল্পনা নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।শুধু সমর্থকরাই নয়, সাধারণ দর্শনার্থীরাও এই ফুটবল উন্মাদনায় অংশ নেন। তবে সবাই সহিংসতা এড়িয়ে শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব উপভোগের আহ্বান জানান।
বিষয় : উচ্ছ্বাস ফুটবল উৎসব ব্রাজিল ও মরক্কো

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ ঘিরে রাজধানীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা রূপ নেয় এক জীবন্ত ফুটবল উৎসবে। বিশেষ করে গ্রুপ ‘সি’-তে ব্রাজিল ও মরক্কোর ম্যাচকে কেন্দ্র করে টিএসসি থেকে শাহবাগ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে হাজারো ফুটবলপ্রেমীর উচ্ছ্বাস।শনিবার রাত ১০টার পর থেকেই টিএসসি চত্বরে সমর্থকদের ভিড় জমতে শুরু করে। ধীরে ধীরে নীলক্ষেত মোড়, দোয়েল চত্বর ও শাহবাগ এলাকায় মানুষের ঢল নামে। রাত ১২টার পর পুরো এলাকা রূপ নেয় এক জনসমুদ্রে।রাতভর চলে স্লোগান, পতাকা উড়ানো এবং দলীয় উচ্ছ্বাস। ব্রাজিল সমর্থকরা ‘হেক্সা এবার আসছেই’ স্লোগানে মুখরিত করেন পুরো এলাকা, আর আর্জেন্টিনা ভক্তরা ‘সেভেন আপ, সেভেন আপ’ বলে মাতিয়ে তোলেন পরিবেশ।
আরও পড়ুন, গুলশানে স্পা নেটওয়ার্কের নেপথ্যে কে এই নুর-ইসলাম?
হলুদ-সবুজ ও আকাশি-সাদা জার্সিতে বিভক্ত হয়ে পড়ে পুরো ক্যাম্পাস এলাকা। বাঁশির শব্দ, ঢোলের তালে তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। পতাকা, ব্যাজ, টুপি ও চাবির রিং বিক্রিও ছিল চোখে পড়ার মতো।ভোরের ম্যাচকে কেন্দ্র করে সমর্থকরা চায়ের দোকান ও অলিগলিতে জমায়েত হয়ে আগাম প্রস্তুতি নেন। অনেকেই নিজেদের দলের জয়ের প্রত্যাশা ও ভবিষ্যৎ বিশ্বকাপ পরিকল্পনা নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।শুধু সমর্থকরাই নয়, সাধারণ দর্শনার্থীরাও এই ফুটবল উন্মাদনায় অংশ নেন। তবে সবাই সহিংসতা এড়িয়ে শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব উপভোগের আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন