বাংলাদেশ ও তুরস্কের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে রাজধানীতে। ঢাকা সফররত তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান আজ শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।তেজগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের প্রতি অব্যাহত সমর্থনের জন্য তুরস্ককে ধন্যবাদ জানান। বিশেষ করে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ায় তুরস্ক সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
আরও পড়ুন, বৃষ্টি-বজ্রপাতে ভিজবে দেশ, ৫ দিনের পূর্বাভাসে স্বস্তির বার্তা
বৈঠকে দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে প্রতিবছর পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠক আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।এছাড়া প্রতিরক্ষা ও রাজনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে দুই দেশের প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পর্যায়ে একটি যৌথ কমিটি গঠনের বিষয়েও ঐকমত্য হয়।বৈঠকে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, যৌথ উৎপাদন এবং রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান নিয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বিষয় : বৈঠক প্রধানমন্ত্রী নতুন উদ্যোগ

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
বাংলাদেশ ও তুরস্কের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে রাজধানীতে। ঢাকা সফররত তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান আজ শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।তেজগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের প্রতি অব্যাহত সমর্থনের জন্য তুরস্ককে ধন্যবাদ জানান। বিশেষ করে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ায় তুরস্ক সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
আরও পড়ুন, বৃষ্টি-বজ্রপাতে ভিজবে দেশ, ৫ দিনের পূর্বাভাসে স্বস্তির বার্তা
বৈঠকে দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে প্রতিবছর পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠক আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।এছাড়া প্রতিরক্ষা ও রাজনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে দুই দেশের প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পর্যায়ে একটি যৌথ কমিটি গঠনের বিষয়েও ঐকমত্য হয়।বৈঠকে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, যৌথ উৎপাদন এবং রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান নিয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন