ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের পুনর্নির্বাচনে ব্যাপক ভোটগ্রহণ হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে অনুষ্ঠিত এই পুনর্নির্বাচনে প্রায় ৮৬ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন, যুদ্ধের তিন মাস পর ইরানের অবস্থান নিয়ে নতুন মোড়
জানা যায়, তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান নির্বাচনের কিছুদিন আগে হঠাৎ করেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। তবে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় তার নাম ও দলীয় প্রতীক ব্যালট ও ইভিএমে থেকে যায়।
আরও পড়ুন, যুদ্ধ থামলেও থামবে না সংকট! ইরান যুদ্ধের ‘অদৃশ্য বিল’ গুনবে বিশ্ব
ভোটের দিন ফলতা এলাকায় দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। জাহাঙ্গীর খানের বাড়ি ও রাজনৈতিক কার্যালয় দুটিই তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল। তিনি নিজে ভোট দিতে যাননি এবং তার দলের কোনো পোলিং এজেন্টও বুথে উপস্থিত ছিলেন না। স্থানীয়ভাবে ‘পুষ্পা’ নামে পরিচিত এই প্রার্থীর অনুপস্থিতির মধ্যেও ভোটগ্রহণে ভোটারদের ব্যাপক অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। সকাল থেকে শুরু হওয়া ভোট শেষে প্রায় ৮৬ শতাংশ ভোট রেকর্ড করা হয়।
আরও পড়ুন, ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠাবে না ইরান, কঠোর বার্তা মোজতবা খামেনির
এর আগে এই আসনে ভোটগ্রহণ চলাকালে ইভিএম অনিয়ম ও সহিংসতার অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নির্বাচন কমিশন সেখানে ভোট স্থগিত করে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দেয়। পুনর্নির্বাচনকে ঘিরে এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। ভোট শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হলেও প্রার্থীর অনুপস্থিতি রাজনৈতিকভাবে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বিষয় : ভারত পশ্চিমবঙ্গ পুনর্নির্বাচন

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের পুনর্নির্বাচনে ব্যাপক ভোটগ্রহণ হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে অনুষ্ঠিত এই পুনর্নির্বাচনে প্রায় ৮৬ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন, যুদ্ধের তিন মাস পর ইরানের অবস্থান নিয়ে নতুন মোড়
জানা যায়, তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান নির্বাচনের কিছুদিন আগে হঠাৎ করেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। তবে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় তার নাম ও দলীয় প্রতীক ব্যালট ও ইভিএমে থেকে যায়।
আরও পড়ুন, যুদ্ধ থামলেও থামবে না সংকট! ইরান যুদ্ধের ‘অদৃশ্য বিল’ গুনবে বিশ্ব
ভোটের দিন ফলতা এলাকায় দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। জাহাঙ্গীর খানের বাড়ি ও রাজনৈতিক কার্যালয় দুটিই তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল। তিনি নিজে ভোট দিতে যাননি এবং তার দলের কোনো পোলিং এজেন্টও বুথে উপস্থিত ছিলেন না। স্থানীয়ভাবে ‘পুষ্পা’ নামে পরিচিত এই প্রার্থীর অনুপস্থিতির মধ্যেও ভোটগ্রহণে ভোটারদের ব্যাপক অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। সকাল থেকে শুরু হওয়া ভোট শেষে প্রায় ৮৬ শতাংশ ভোট রেকর্ড করা হয়।
আরও পড়ুন, ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠাবে না ইরান, কঠোর বার্তা মোজতবা খামেনির
এর আগে এই আসনে ভোটগ্রহণ চলাকালে ইভিএম অনিয়ম ও সহিংসতার অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নির্বাচন কমিশন সেখানে ভোট স্থগিত করে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দেয়। পুনর্নির্বাচনকে ঘিরে এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। ভোট শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হলেও প্রার্থীর অনুপস্থিতি রাজনৈতিকভাবে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন