লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে ২১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এর মধ্যে রয়েছেন ১৬ জন লেবানিজ নাগরিক এবং ৫টি লেবাননভিত্তিক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ডব্লিউএএম জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আর্থিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, রাশিয়ার নতুন আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র ‘সারমাত’ সফল পরীক্ষা
সরকারের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দেশটির সব নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে দ্রুত তালিকাভুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আর্থিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক শনাক্ত করতে হবে। পাশাপাশি তাদের সব ধরনের সম্পদ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জব্দ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তালিকাভুক্তদের সঙ্গে যেকোনো ধরনের লেনদেন, বিনিয়োগ বা ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। আরব আমিরাত সরকার বলছে, সন্ত্রাসবাদ ও উগ্রবাদ দমনে তাদের দীর্ঘমেয়াদি নীতির অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, পরাজয়ের ধাক্কায় সংগঠন গোছাতে তৃণমূল
সরকারি বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর অর্থায়ন বন্ধ করা জরুরি। এ কারণে সন্দেহভাজন আর্থিক নেটওয়ার্কগুলোর ওপর নজরদারি আরও জোরদার করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন, হান্টাভাইরাস নিয়ে সতর্ক করল ফ্রান্স
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের মার্চে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ বা জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে একাত্ম হয়ে হিজবুল্লাহকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ ঘোষণা করেছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে এই নতুন সিদ্ধান্ত আঞ্চলিক রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ তৈরি করতে পারে।
বিষয় : নিষেধাজ্ঞা লেবানন আরব আমিরাত

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে ২১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এর মধ্যে রয়েছেন ১৬ জন লেবানিজ নাগরিক এবং ৫টি লেবাননভিত্তিক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ডব্লিউএএম জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আর্থিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, রাশিয়ার নতুন আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র ‘সারমাত’ সফল পরীক্ষা
সরকারের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দেশটির সব নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে দ্রুত তালিকাভুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আর্থিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক শনাক্ত করতে হবে। পাশাপাশি তাদের সব ধরনের সম্পদ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জব্দ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তালিকাভুক্তদের সঙ্গে যেকোনো ধরনের লেনদেন, বিনিয়োগ বা ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। আরব আমিরাত সরকার বলছে, সন্ত্রাসবাদ ও উগ্রবাদ দমনে তাদের দীর্ঘমেয়াদি নীতির অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, পরাজয়ের ধাক্কায় সংগঠন গোছাতে তৃণমূল
সরকারি বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর অর্থায়ন বন্ধ করা জরুরি। এ কারণে সন্দেহভাজন আর্থিক নেটওয়ার্কগুলোর ওপর নজরদারি আরও জোরদার করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন, হান্টাভাইরাস নিয়ে সতর্ক করল ফ্রান্স
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের মার্চে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ বা জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে একাত্ম হয়ে হিজবুল্লাহকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ ঘোষণা করেছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে এই নতুন সিদ্ধান্ত আঞ্চলিক রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ তৈরি করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন