গাজীপুর কালিয়াকৈরএলাকার চন্দ্রায় অবস্থিত নাম সাইনবোর্ড বিহীন আবাসিক হোটেলে প্রতিনিয়ত চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ ও মাদক সেবন মাদক বিক্রি। গত কয়েক মাস আগে অভিযান পরিচালনা করে বেশ কজন কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় কালিয়াকৈর থানা পুলিশ।তবে আবাসিক হোটেলটি চালাচ্ছেন পতিতাবৃত্তির গডফাদার বাবুল, শাজাহান ও জাকির নামের তিন ব্যবসায়ী।কয়েক দিন আগে আবাসিক হোটেলটিতে অসামাজিক কার্যকলাপ চলছিলো পুলিশকে জানালে পুলিশ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে। তার দু একদিন পর মালিক পরিবর্তন করে আগের নিয়মেই বেপরওয়া গতিতে আবাসিক হোটেলটি চলছে।বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, আবাসিক হোটেলের অসাধু ব্যক্তিদের সাথে থানায় যোগাযোগ রয়েছে।
আর ও পড়ুন , শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন হত্যা মামলা, এজাহারে একাধিক নাম
অভিযানের কথা আগেই তারা ফাঁস করে দেন, আর সেই সুযোগে পুলিশ দেওয়ার আগেই পতিতা ও মাদক কারবারীদের আগেই সরিয়ে দেন যার কারণে পুলিশ অভিযানে গিয়ে কিছুই পায় না। তারপরো আবাসিক হোটেল গুলোতে নিয়ম-নীতির কোন বালাই নেই। নেই রাষ্ট্রের দাপ্তরিক কোন অনুমোদন। তাহলে পুলিশ বা কেনই তাদের এটা চালাতে দিচ্ছেন? এমন প্রশ্ন করেছেন স্থানীয়রা।এবার কালিয়াকৈর থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, আমি নতুন এসেছি। বিষয়টা আমি দেখছি।তবে গাজীপুর পুলিশের উর্ধ্বতন অফিসার বলেন, কোন হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপ চলবে না। যারা করবে বা কোন অসাধু অফিসার জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
গাজীপুর কালিয়াকৈরএলাকার চন্দ্রায় অবস্থিত নাম সাইনবোর্ড বিহীন আবাসিক হোটেলে প্রতিনিয়ত চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ ও মাদক সেবন মাদক বিক্রি। গত কয়েক মাস আগে অভিযান পরিচালনা করে বেশ কজন কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় কালিয়াকৈর থানা পুলিশ।তবে আবাসিক হোটেলটি চালাচ্ছেন পতিতাবৃত্তির গডফাদার বাবুল, শাজাহান ও জাকির নামের তিন ব্যবসায়ী।কয়েক দিন আগে আবাসিক হোটেলটিতে অসামাজিক কার্যকলাপ চলছিলো পুলিশকে জানালে পুলিশ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে। তার দু একদিন পর মালিক পরিবর্তন করে আগের নিয়মেই বেপরওয়া গতিতে আবাসিক হোটেলটি চলছে।বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, আবাসিক হোটেলের অসাধু ব্যক্তিদের সাথে থানায় যোগাযোগ রয়েছে।
আর ও পড়ুন , শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন হত্যা মামলা, এজাহারে একাধিক নাম
অভিযানের কথা আগেই তারা ফাঁস করে দেন, আর সেই সুযোগে পুলিশ দেওয়ার আগেই পতিতা ও মাদক কারবারীদের আগেই সরিয়ে দেন যার কারণে পুলিশ অভিযানে গিয়ে কিছুই পায় না। তারপরো আবাসিক হোটেল গুলোতে নিয়ম-নীতির কোন বালাই নেই। নেই রাষ্ট্রের দাপ্তরিক কোন অনুমোদন। তাহলে পুলিশ বা কেনই তাদের এটা চালাতে দিচ্ছেন? এমন প্রশ্ন করেছেন স্থানীয়রা।এবার কালিয়াকৈর থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, আমি নতুন এসেছি। বিষয়টা আমি দেখছি।তবে গাজীপুর পুলিশের উর্ধ্বতন অফিসার বলেন, কোন হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপ চলবে না। যারা করবে বা কোন অসাধু অফিসার জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন