ধর্ম মানুষকে কল্যাণের পথ দেখায়, হিংসার জন্য নয়—এমন মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশকে এমন একটি রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে, যেখানে ধর্ম-বর্ণের কোনো বিভেদ থাকবে না।শুক্রবার রাতে রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে বাংলাদেশ বৌদ্ধ ফেডারেশন।মির্জা ফখরুল বলেন, গৌতম বুদ্ধ শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং অসত্য দূর করতে পৃথিবীতে এসেছিলেন। বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধ ও সহিংসতার প্রেক্ষাপটে বুদ্ধের অহিংসার বাণী আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে।
আরো্ পড়ুন , ৭ দিনের সফরে জাপান গেলেন ডা. শফিকুর রহমান
তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ২০১৬ সালে ঘোষিত ‘ভিশন-২০৩০’-এ একটি ‘রেইনবো স্টেট’ বা রংধনু রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, যেখানে সব ধর্ম-বর্ণের মানুষ সমান মর্যাদায় বসবাস করবে।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাহিদ ইসলাম।ফখরুল বলেন, কোনো ধর্মই হিংসা বা হত্যা সমর্থন করে না। সমাজে বিভেদ সৃষ্টির জন্য ধর্মকে ব্যবহার করা একটি অপচেষ্টা, যা থেকে বেরিয়ে এসে একটি মানবিক ও সহনশীল সমাজ গড়তে হবে।তিনি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের শিক্ষা ও জ্ঞানের প্রতি আগ্রহের প্রশংসা করেন এবং সবাইকে সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
ধর্ম মানুষকে কল্যাণের পথ দেখায়, হিংসার জন্য নয়—এমন মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশকে এমন একটি রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে, যেখানে ধর্ম-বর্ণের কোনো বিভেদ থাকবে না।শুক্রবার রাতে রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে বাংলাদেশ বৌদ্ধ ফেডারেশন।মির্জা ফখরুল বলেন, গৌতম বুদ্ধ শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং অসত্য দূর করতে পৃথিবীতে এসেছিলেন। বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধ ও সহিংসতার প্রেক্ষাপটে বুদ্ধের অহিংসার বাণী আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে।
আরো্ পড়ুন , ৭ দিনের সফরে জাপান গেলেন ডা. শফিকুর রহমান
তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ২০১৬ সালে ঘোষিত ‘ভিশন-২০৩০’-এ একটি ‘রেইনবো স্টেট’ বা রংধনু রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, যেখানে সব ধর্ম-বর্ণের মানুষ সমান মর্যাদায় বসবাস করবে।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাহিদ ইসলাম।ফখরুল বলেন, কোনো ধর্মই হিংসা বা হত্যা সমর্থন করে না। সমাজে বিভেদ সৃষ্টির জন্য ধর্মকে ব্যবহার করা একটি অপচেষ্টা, যা থেকে বেরিয়ে এসে একটি মানবিক ও সহনশীল সমাজ গড়তে হবে।তিনি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের শিক্ষা ও জ্ঞানের প্রতি আগ্রহের প্রশংসা করেন এবং সবাইকে সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন