বরিশালের নতুন সিভিল সার্জন হিসেবে ডা. এস. এম. মনিরুজ্জামান শাহিনের নিয়োগের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। কর্মসূচি শেষে তার অপসারণ এবং নতুন কর্মকর্তা নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।রোববার সকাল ১০টার দিকে বরিশাল সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে এই অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ফ্যাসিস্ট সরকারের সুবিধাভোগী, স্বৈরাচারের দোসর এবং শাস্তিপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তাকে জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা তারা মেনে নেবেন না।পরে আন্দোলনকারীরা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে গিয়ে জানতে পারেন, যোগদানের শেষ দিন হলেও ডা. মনিরুজ্জামান অফিসে উপস্থিত হননি।
আরও পড়ুন, রাজস্ব আয় বাড়িয়ে উন্নয়নের নতুন লক্ষ্য, ২,৬২১ কোটি টাকার বাজেট গাসিকের
এরপর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তার জন্য নির্ধারিত কক্ষের দরজায় প্রতীকীভাবে তালা ঝুলিয়ে প্রতিবাদ জানান।বিএম কলেজের শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেন বলেন, নানা অভিযোগে অভিযুক্ত একজন কর্মকর্তাকে বরিশালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলার দায়িত্ব দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।আরেক শিক্ষার্থী লাবণ্য আক্তার বলেন, বরিশালের মানুষ উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রাখে। তাই বিতর্কমুক্ত ও সৎ কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে।শিক্ষার্থী নাঈম ইসলাম অভিযোগ করেন, অতীতে শিক্ষার্থীদের ওপর জুলুমের অভিযোগ থাকা কোনো কর্মকর্তাকে বরিশালে দায়িত্ব দেওয়া উচিত নয়।কর্মসূচি শেষে শিক্ষার্থীরা দ্রুত বিতর্কিত নিয়োগ বাতিল করে নতুন সিভিল সার্জন নিয়োগের দাবি জানান। দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেন তারা।

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
বরিশালের নতুন সিভিল সার্জন হিসেবে ডা. এস. এম. মনিরুজ্জামান শাহিনের নিয়োগের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। কর্মসূচি শেষে তার অপসারণ এবং নতুন কর্মকর্তা নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।রোববার সকাল ১০টার দিকে বরিশাল সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে এই অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ফ্যাসিস্ট সরকারের সুবিধাভোগী, স্বৈরাচারের দোসর এবং শাস্তিপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তাকে জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা তারা মেনে নেবেন না।পরে আন্দোলনকারীরা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে গিয়ে জানতে পারেন, যোগদানের শেষ দিন হলেও ডা. মনিরুজ্জামান অফিসে উপস্থিত হননি।
আরও পড়ুন, রাজস্ব আয় বাড়িয়ে উন্নয়নের নতুন লক্ষ্য, ২,৬২১ কোটি টাকার বাজেট গাসিকের
এরপর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তার জন্য নির্ধারিত কক্ষের দরজায় প্রতীকীভাবে তালা ঝুলিয়ে প্রতিবাদ জানান।বিএম কলেজের শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেন বলেন, নানা অভিযোগে অভিযুক্ত একজন কর্মকর্তাকে বরিশালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলার দায়িত্ব দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।আরেক শিক্ষার্থী লাবণ্য আক্তার বলেন, বরিশালের মানুষ উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রাখে। তাই বিতর্কমুক্ত ও সৎ কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে।শিক্ষার্থী নাঈম ইসলাম অভিযোগ করেন, অতীতে শিক্ষার্থীদের ওপর জুলুমের অভিযোগ থাকা কোনো কর্মকর্তাকে বরিশালে দায়িত্ব দেওয়া উচিত নয়।কর্মসূচি শেষে শিক্ষার্থীরা দ্রুত বিতর্কিত নিয়োগ বাতিল করে নতুন সিভিল সার্জন নিয়োগের দাবি জানান। দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন