গাজীপুর সিটি করপোরেশন (গাসিক) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৫ হাজার ১০২ কোটি ৩৫ লাখ ৮ হাজার টাকার জনকল্যাণমুখী ও উন্নয়নভিত্তিক প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করেছে। বাজেটের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক হলো, এটি একটি বৃহৎ উদ্বৃত্ত বাজেট। অর্থবছর শেষে প্রায় ২ হাজার ৬২১ কোটি ৮৭ লাখ ৫৮ হাজার টাকা উদ্বৃত্ত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে নগর ভবনের মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গাসিকের প্রশাসক মো. শওকত হোসেন সরকার বাজেট উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ তানজিলা খানম।
প্রস্তাবিত বাজেটে নগর উন্নয়ন, অবকাঠামো সম্প্রসারণ, পানি সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বৈদেশিক সহায়তাপুষ্ট উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গাজীপুরকে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ, আধুনিক ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।
বাজেটের আয়ের বড় অংশ আসবে বৈদেশিক সহায়তাপুষ্ট উন্নয়ন প্রকল্প থেকে। আয়ের বিভিন্ন উৎসের মধ্যে রয়েছে—
নগরবাসীর নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন খাতে ব্যয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া রাস্তাঘাট নির্মাণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
গাসিক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে মোট আয় ছিল ৩,৪৬৩ কোটি ৬ লাখ ৯৭ হাজার টাকা এবং মোট ব্যয় ছিল ১,০২৫ কোটি ৮০ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। বছর শেষে সমাপনী স্থিতি দাঁড়ায় ২,৪৩৭ কোটি ২৬ লাখ ৩৩ হাজার টাকা। সেই তুলনায় নতুন অর্থবছরের বাজেটের আকার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাজেট উপস্থাপনকালে প্রশাসক মো. শওকত হোসেন সরকার বলেন, “তারেক রহমানের নির্দেশনায় জনকল্যাণমুখী এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। আমাদের মূল লক্ষ্য গাজীপুরকে একটি ‘গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলা। এজন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, এই বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে গাজীপুরকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে তিনি নগরবাসী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে সিটি করপোরেশনের সচিব, প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল বারেক, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সুদীপ বসাক, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়াসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিষয় : নতুন লক্ষ্য বাজেট গাসিক রাজস্ব আয়

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
গাজীপুর সিটি করপোরেশন (গাসিক) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৫ হাজার ১০২ কোটি ৩৫ লাখ ৮ হাজার টাকার জনকল্যাণমুখী ও উন্নয়নভিত্তিক প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করেছে। বাজেটের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক হলো, এটি একটি বৃহৎ উদ্বৃত্ত বাজেট। অর্থবছর শেষে প্রায় ২ হাজার ৬২১ কোটি ৮৭ লাখ ৫৮ হাজার টাকা উদ্বৃত্ত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে নগর ভবনের মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গাসিকের প্রশাসক মো. শওকত হোসেন সরকার বাজেট উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ তানজিলা খানম।
প্রস্তাবিত বাজেটে নগর উন্নয়ন, অবকাঠামো সম্প্রসারণ, পানি সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বৈদেশিক সহায়তাপুষ্ট উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গাজীপুরকে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ, আধুনিক ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।
বাজেটের আয়ের বড় অংশ আসবে বৈদেশিক সহায়তাপুষ্ট উন্নয়ন প্রকল্প থেকে। আয়ের বিভিন্ন উৎসের মধ্যে রয়েছে—
নগরবাসীর নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন খাতে ব্যয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া রাস্তাঘাট নির্মাণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
গাসিক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে মোট আয় ছিল ৩,৪৬৩ কোটি ৬ লাখ ৯৭ হাজার টাকা এবং মোট ব্যয় ছিল ১,০২৫ কোটি ৮০ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। বছর শেষে সমাপনী স্থিতি দাঁড়ায় ২,৪৩৭ কোটি ২৬ লাখ ৩৩ হাজার টাকা। সেই তুলনায় নতুন অর্থবছরের বাজেটের আকার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাজেট উপস্থাপনকালে প্রশাসক মো. শওকত হোসেন সরকার বলেন, “তারেক রহমানের নির্দেশনায় জনকল্যাণমুখী এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। আমাদের মূল লক্ষ্য গাজীপুরকে একটি ‘গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলা। এজন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, এই বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে গাজীপুরকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে তিনি নগরবাসী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে সিটি করপোরেশনের সচিব, প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল বারেক, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সুদীপ বসাক, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়াসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন