দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

গুলশানে অভিযোগের কেন্দ্রে অবৈধ স্পা ব্যবসায়ী নুর-ইসলাম

গুলশানে অভিযোগের কেন্দ্রে অবৈধ স্পা ব্যবসায়ী নুর-ইসলাম
স্পা ব্যবসায়ী নুর-ইসলাম

রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে পরিচালিত কয়েকটি স্পা সেন্টার এবং উত্তরায় একটি আবাসিক হোটেলকে ঘিরে নুরইসলাম নামে এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন মহলে অভিযোগ উঠেছে| অভিযোগকারীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ রয়েছে| স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, গুলশানের কয়েকটি বাণিজ্যিক ভবন ছাড়া পরিচালিত কিছু স্পা সেন্টারে নিয়মিত বিভিন্ন ব্যক্তির যাতায়াত নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা রয়েছে| তাদের অভিযোগ, এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম যথাযথভাবে তদারকি করা হচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে| 

আরও পড়ুন: বনানীতে শহিদের অবৈধ স্পা সেন্টার ঘিরে অন্ধকার জগৎ

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, নুরইসলাম দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীতে ব্যবসা পরিচালনা করছেন এবং গুলশান ও উত্তরায় তাঁর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নাম বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় এসেছে| তবে এসব প্রতিষ্ঠানের মালিকানা, লাইসেন্স এবং পরিচালনার ˆবধতা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সরকারি নথি কোনটাই নেই| এসব ব্যবসা নুরইসলাম নারী ও মাদক সিন্ডিকেট দিয়ে পরিচালনা করে থাকেন| একটি গুলশানের ৪৭ নং রোডে  এবং অণ্যটি ৫৫ নং রোডে বিলাশ বহুল অবৈধ স্পা সেন্টার রয়েছে তার| এসব অবৈধ ব্যবসায় হয়েছেন কোটিপতি|    

এলাকাবাসীর একাংশের মতে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় স্পা ও আবাসিক হোটেল পরিচালনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন| তাদের দাবি, লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স, অগ্নিনিরাপত্তা, স্বাস্থ্যবিধি ও অন্যান্য আইনগত শর্ত যথাযথভাবে মানা হচ্ছে কি না তা নিয়মিত পরিদর্শনের মাধ্যমে নিশ্চিত করা উচিত|

আরও পড়ুন: বনানীর ২৭ নম্বর রোডের স্পা নিয়ে প্রশ্নের শেষ কোথায়?

সুশাসন ও আইন প্রয়োগ বিষয়ে কাজ করা বিশ্লেষকদের মতে, কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন| অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত, আর অভিযোগ প্রমাণিত না হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সুনাম যেন অযথা ক্ষুণ্ন না হয়, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ|

স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমšি^ত তদন্ত হলে প্রকৃত চিত্র সামনে আসবে| একই সঙ্গে তারা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং নিয়মিত মনিটরিং জোরদারের আহ্বান জানান|

আরও পড়ুন: গুলশান বারিধারায় দোলার অবৈধ স্পা সেন্টার নিয়ে বিতর্ক

এই প্রতিবেদনের জন্য নুরইসলামের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তা পাওয়া যায়নি| ভবিষ্যতে তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে| একইভাবে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), সিটি করপোরেশন এবং অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার বক্তব্যও সংগ্রহের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে|

সাংবাদিকতা বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিযোগভিত্তিক প্রতিবেদন প্রকাশের ক্ষেত্রে তথ্য-প্রমাণ, নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এবং কর্তৃপক্ষের অবস্থান তুলে ধরা অপরিহার্য| এতে পাঠক একটি ভারসাম্যপূর্ণ চিত্র পান এবং তদন্ত প্রক্রিয়াও আরও স্বচ্ছ হতে সহায়তা করে|

আরও পড়ুন: বনানীতে অনুমোদনহীন হোটেল ‘মার্ভেল ইন’ নারী সিন্ডিকেটের দাপট

রাজধানীর অভিজাত এলাকাগুলোতে পরিচালিত স্পা, ওয়েলনেস সেন্টার ও আবাসিক হোটেলগুলোর কার্যক্রম আইন অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে কি না তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়মিত পরিদর্শন ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা| তাদের মতে, অভিযোগ থাকলে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা উদ্ঘাটন এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণই হবে সবচেয়ে কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য পথ|

একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেই আমরা সেটিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করি| অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়| যদি তদন্তে কোনো ধরনের অনিয়ম, আইন লঙ্ঘন বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে| একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে কাউকে অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করা সমীচীন নয়| আমরা সুনির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণ পেলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করব|

আরও পড়ুন: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ

নিজাম নামের একজন পথচারী বলেন, আমি নিয়মিত এই এলাকা দিয়ে যাতায়াত করি| এখানে বেশ কয়েকটি স্পা সেন্টারে দিনের তুলনায় সন্ধ্যার পর মানুষের আনাগোনা অনেক বেশি দেখা যায়| এলাকায় কী ধরনের ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি করা উচিত| কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে সেটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন| এতে আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনাকারীরাও উপকৃত হবেন, আবার অনিয়ম থাকলে সেটিরও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে|

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬


গুলশানে অভিযোগের কেন্দ্রে অবৈধ স্পা ব্যবসায়ী নুর-ইসলাম

প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬

featured Image

রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে পরিচালিত কয়েকটি স্পা সেন্টার এবং উত্তরায় একটি আবাসিক হোটেলকে ঘিরে নুরইসলাম নামে এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন মহলে অভিযোগ উঠেছে| অভিযোগকারীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ রয়েছে| স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, গুলশানের কয়েকটি বাণিজ্যিক ভবন ছাড়া পরিচালিত কিছু স্পা সেন্টারে নিয়মিত বিভিন্ন ব্যক্তির যাতায়াত নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা রয়েছে| তাদের অভিযোগ, এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম যথাযথভাবে তদারকি করা হচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে| 

আরও পড়ুন: বনানীতে শহিদের অবৈধ স্পা সেন্টার ঘিরে অন্ধকার জগৎ

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, নুরইসলাম দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীতে ব্যবসা পরিচালনা করছেন এবং গুলশান ও উত্তরায় তাঁর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নাম বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় এসেছে| তবে এসব প্রতিষ্ঠানের মালিকানা, লাইসেন্স এবং পরিচালনার ˆবধতা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সরকারি নথি কোনটাই নেই| এসব ব্যবসা নুরইসলাম নারী ও মাদক সিন্ডিকেট দিয়ে পরিচালনা করে থাকেন| একটি গুলশানের ৪৭ নং রোডে  এবং অণ্যটি ৫৫ নং রোডে বিলাশ বহুল অবৈধ স্পা সেন্টার রয়েছে তার| এসব অবৈধ ব্যবসায় হয়েছেন কোটিপতি|    

এলাকাবাসীর একাংশের মতে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় স্পা ও আবাসিক হোটেল পরিচালনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন| তাদের দাবি, লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স, অগ্নিনিরাপত্তা, স্বাস্থ্যবিধি ও অন্যান্য আইনগত শর্ত যথাযথভাবে মানা হচ্ছে কি না তা নিয়মিত পরিদর্শনের মাধ্যমে নিশ্চিত করা উচিত|

আরও পড়ুন: বনানীর ২৭ নম্বর রোডের স্পা নিয়ে প্রশ্নের শেষ কোথায়?

সুশাসন ও আইন প্রয়োগ বিষয়ে কাজ করা বিশ্লেষকদের মতে, কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন| অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত, আর অভিযোগ প্রমাণিত না হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সুনাম যেন অযথা ক্ষুণ্ন না হয়, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ|

স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমšি^ত তদন্ত হলে প্রকৃত চিত্র সামনে আসবে| একই সঙ্গে তারা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং নিয়মিত মনিটরিং জোরদারের আহ্বান জানান|

আরও পড়ুন: গুলশান বারিধারায় দোলার অবৈধ স্পা সেন্টার নিয়ে বিতর্ক

এই প্রতিবেদনের জন্য নুরইসলামের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তা পাওয়া যায়নি| ভবিষ্যতে তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে| একইভাবে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), সিটি করপোরেশন এবং অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার বক্তব্যও সংগ্রহের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে|

সাংবাদিকতা বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিযোগভিত্তিক প্রতিবেদন প্রকাশের ক্ষেত্রে তথ্য-প্রমাণ, নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এবং কর্তৃপক্ষের অবস্থান তুলে ধরা অপরিহার্য| এতে পাঠক একটি ভারসাম্যপূর্ণ চিত্র পান এবং তদন্ত প্রক্রিয়াও আরও স্বচ্ছ হতে সহায়তা করে|

আরও পড়ুন: বনানীতে অনুমোদনহীন হোটেল ‘মার্ভেল ইন’ নারী সিন্ডিকেটের দাপট

রাজধানীর অভিজাত এলাকাগুলোতে পরিচালিত স্পা, ওয়েলনেস সেন্টার ও আবাসিক হোটেলগুলোর কার্যক্রম আইন অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে কি না তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়মিত পরিদর্শন ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা| তাদের মতে, অভিযোগ থাকলে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা উদ্ঘাটন এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণই হবে সবচেয়ে কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য পথ|

একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেই আমরা সেটিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করি| অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়| যদি তদন্তে কোনো ধরনের অনিয়ম, আইন লঙ্ঘন বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে| একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে কাউকে অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করা সমীচীন নয়| আমরা সুনির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণ পেলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করব|

আরও পড়ুন: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ

নিজাম নামের একজন পথচারী বলেন, আমি নিয়মিত এই এলাকা দিয়ে যাতায়াত করি| এখানে বেশ কয়েকটি স্পা সেন্টারে দিনের তুলনায় সন্ধ্যার পর মানুষের আনাগোনা অনেক বেশি দেখা যায়| এলাকায় কী ধরনের ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি করা উচিত| কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে সেটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন| এতে আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনাকারীরাও উপকৃত হবেন, আবার অনিয়ম থাকলে সেটিরও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে|




দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত