ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে ডাকসুর ভিপি
সাদিক কায়েম-কে ঘিরে।জামায়াত থেকে মনোনয়ন পাওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়কআব্দুল কাদের।শুক্রবার বিকেলে দেওয়া ওই পোস্টের শুরুতেই কাদের শুভকামনা জানালেও পরবর্তী অংশে তুলে ধরেন একাধিক সমালোচনা ও প্রশ্ন।তিনি বলেন, ডাকসু নির্বাচনের সময় নিজেদের ‘অ-লেজুড়বৃত্তিক’
সংগঠন হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও পরবর্তীতে জামায়াতের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ায় শিক্ষার্থীদের একাংশ হতাশ হয়েছে।কাদেরের ভাষ্য অনুযায়ী, সাদিক কায়েমের জুলাইয়ের আন্দোলনে ভূমিকা থাকলেও তার আগের ও পরের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে জনমনে বিতর্ক রয়েছে।স্ট্যাটাসে তিনি আরও অভিযোগ করেন, ডাকসু ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ক্যাম্পাসে স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছেন সাদিক।এছাড়া সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলেন
আরো পড়ুন , মে দিবসে নয়াপল্টনে বিএনপির শ্রমিক সমাবেশ শুরু, প্রধান অতিথি তারেক রহমান
কাদের। তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে এই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন করে বিস্ময় ও হতাশা তৈরি করতে পারে।স্ট্যাটাসে তিনি ব্যঙ্গাত্মকভাবে উল্লেখ করেন, ভিপির দায়িত্ব শুধুমাত্র বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়ানো বা আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়।সবশেষে কাদের বলেন, ডাকসুর অভিজ্ঞতার পর ঢাকা দক্ষিণের জনগণ সাদিক কায়েমের ওপর আস্থা রাখবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে।বিশ্লেষকদের মতে, এই স্ট্যাটাস শুধু একজন প্রার্থীকে ঘিরে নয়, বরং ছাত্র রাজনীতি থেকে মূলধারার রাজনীতিতে প্রবেশের ধারাকেও নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে ডাকসুর ভিপি
সাদিক কায়েম-কে ঘিরে।জামায়াত থেকে মনোনয়ন পাওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়কআব্দুল কাদের।শুক্রবার বিকেলে দেওয়া ওই পোস্টের শুরুতেই কাদের শুভকামনা জানালেও পরবর্তী অংশে তুলে ধরেন একাধিক সমালোচনা ও প্রশ্ন।তিনি বলেন, ডাকসু নির্বাচনের সময় নিজেদের ‘অ-লেজুড়বৃত্তিক’
সংগঠন হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও পরবর্তীতে জামায়াতের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ায় শিক্ষার্থীদের একাংশ হতাশ হয়েছে।কাদেরের ভাষ্য অনুযায়ী, সাদিক কায়েমের জুলাইয়ের আন্দোলনে ভূমিকা থাকলেও তার আগের ও পরের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে জনমনে বিতর্ক রয়েছে।স্ট্যাটাসে তিনি আরও অভিযোগ করেন, ডাকসু ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ক্যাম্পাসে স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছেন সাদিক।এছাড়া সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলেন
আরো পড়ুন , মে দিবসে নয়াপল্টনে বিএনপির শ্রমিক সমাবেশ শুরু, প্রধান অতিথি তারেক রহমান
কাদের। তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে এই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন করে বিস্ময় ও হতাশা তৈরি করতে পারে।স্ট্যাটাসে তিনি ব্যঙ্গাত্মকভাবে উল্লেখ করেন, ভিপির দায়িত্ব শুধুমাত্র বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়ানো বা আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়।সবশেষে কাদের বলেন, ডাকসুর অভিজ্ঞতার পর ঢাকা দক্ষিণের জনগণ সাদিক কায়েমের ওপর আস্থা রাখবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে।বিশ্লেষকদের মতে, এই স্ট্যাটাস শুধু একজন প্রার্থীকে ঘিরে নয়, বরং ছাত্র রাজনীতি থেকে মূলধারার রাজনীতিতে প্রবেশের ধারাকেও নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন