সৌদি আরবে নির্মাণাধীন একটি ভবনে কাজ করার সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বাংলাদেশি শ্রমিক সোবহান। মৃত্যুর প্রায় ২০ দিন পর তার মরদেহ দেশে পৌঁছালে এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া।পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত সোবহান মাদারীপুর জেলার ডাসার উপজেলার ইউসুফ খাঁর ছেলে। জীবিকার তাগিদে দালালের মাধ্যমে প্রায় ৬ লাখ টাকা খরচ করে তিনি ২০২৫ সালের ১৯ নভেম্বর সৌদি আরবে পাড়ি জমান।গত ৭ এপ্রিল সৌদির রিয়াদে একটি নির্মীয়মাণ ভবনে কাজ করার সময় তিনি লিফট শ্যাফটে পড়ে গুরুতরভাবে আহত হন। সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
আরো পড়ুন , জানালাকাটা চোরের তাণ্ডব ঘুমন্ত বৃদ্ধার কানে টান দিয়ে স্বর্ণালংকার লুট
পরিবার জানায়, মৃত্যুর খবর তারা পান আরও পরে, যা তাদের জন্য ছিল এক ভয়াবহ ধাক্কা।আজ বৃহস্পতিবার মরদেহ দেশে পৌঁছালে নিজ এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। শেষবারের মতো প্রিয়জনকে বিদায় জানাতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বজন ও প্রতিবেশীরা।নিহতের স্ত্রী মরিয়ম বেগম বলেন, ধারদেনা করে স্বামী বিদেশে গিয়েছিলেন সংসারের স্বপ্ন নিয়ে। কিন্তু এমনভাবে ফিরে আসবেন, তা তারা কল্পনাও করেননি। এখন ৫ সন্তান নিয়ে ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, পরিবারকে সহায়তার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
বিষয় : মৃত্যু শ্রমিক লিফট দুর্ঘটনা

শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
সৌদি আরবে নির্মাণাধীন একটি ভবনে কাজ করার সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বাংলাদেশি শ্রমিক সোবহান। মৃত্যুর প্রায় ২০ দিন পর তার মরদেহ দেশে পৌঁছালে এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া।পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত সোবহান মাদারীপুর জেলার ডাসার উপজেলার ইউসুফ খাঁর ছেলে। জীবিকার তাগিদে দালালের মাধ্যমে প্রায় ৬ লাখ টাকা খরচ করে তিনি ২০২৫ সালের ১৯ নভেম্বর সৌদি আরবে পাড়ি জমান।গত ৭ এপ্রিল সৌদির রিয়াদে একটি নির্মীয়মাণ ভবনে কাজ করার সময় তিনি লিফট শ্যাফটে পড়ে গুরুতরভাবে আহত হন। সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
আরো পড়ুন , জানালাকাটা চোরের তাণ্ডব ঘুমন্ত বৃদ্ধার কানে টান দিয়ে স্বর্ণালংকার লুট
পরিবার জানায়, মৃত্যুর খবর তারা পান আরও পরে, যা তাদের জন্য ছিল এক ভয়াবহ ধাক্কা।আজ বৃহস্পতিবার মরদেহ দেশে পৌঁছালে নিজ এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। শেষবারের মতো প্রিয়জনকে বিদায় জানাতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বজন ও প্রতিবেশীরা।নিহতের স্ত্রী মরিয়ম বেগম বলেন, ধারদেনা করে স্বামী বিদেশে গিয়েছিলেন সংসারের স্বপ্ন নিয়ে। কিন্তু এমনভাবে ফিরে আসবেন, তা তারা কল্পনাও করেননি। এখন ৫ সন্তান নিয়ে ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, পরিবারকে সহায়তার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন