দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

গ্লোবাল কনজ্যুমার অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস ফোরামের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

গ্লোবাল কনজ্যুমার অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস ফোরামের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

গোপালপুরে খাবার খেয়ে শিশুসহ একই পরিবারের ৭ জন অসুস্থ: হাসপাতালে ভর্তি

গোপালপুরে খাবার খেয়ে শিশুসহ একই পরিবারের ৭ জন অসুস্থ: হাসপাতালে ভর্তি

কালিহাতীতে সিসা কারখানা বন্ধের দাবিতে বিক্ষুব্ধ জনগনের থানা ঘেরাও

কালিহাতীতে সিসা কারখানা বন্ধের দাবিতে বিক্ষুব্ধ জনগনের থানা ঘেরাও

মহেশপুরে ডেকোরেটর,সাউন্ড,লাইট এন্ড ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট মালিক  সমিতির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মহেশপুরে ডেকোরেটর,সাউন্ড,লাইট এন্ড ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট মালিক সমিতির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মহেশপুরে নগর পরিচালক ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পরামর্শকরণ

মহেশপুরে নগর পরিচালক ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পরামর্শকরণ

টঙ্গী পশ্চিম থানার অভিযানে ১০৭ পিস ইয়াবাসহ বিভিন্ন মামলায় ১০ জন গ্রেফতার

টঙ্গী পশ্চিম থানার অভিযানে ১০৭ পিস ইয়াবাসহ বিভিন্ন মামলায় ১০ জন গ্রেফতার

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ ইসরাইল হাওলাদার অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ ইসরাইল হাওলাদার অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি

কক্সবাজারের উন্নয়ন ত্বরান্বিতের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি

কক্সবাজারের উন্নয়ন ত্বরান্বিতের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি

কৃষক বঞ্চনার অভিযোগ: খাদ্য নিয়ন্ত্রককে ৭ দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে ইউএনওর নির্দেশ

কৃষক বঞ্চনার অভিযোগ: খাদ্য নিয়ন্ত্রককে ৭ দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে ইউএনওর নির্দেশ
কৃষক বঞ্চনার অভিযোগ:

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলা খাদ্য গুদামে সরকারি ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে অনিয়ম, দুর্নীতি ও উৎকোচ বাণিজ্যের অভিযোগের পর প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। আমাদের প্রতিদিন  পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি আমলে নিয়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কাছে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা ও প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত চেয়েছে।উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ জুলাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার স্বাক্ষরিত এক পত্রে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোছা. উম্মে কুলছুমা খাতুনকে অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়।এর আগে গত ৭ জুলাই আমাদের প্রতিদিন  পত্রিকায় গঙ্গাচড়া উপজেলা খাদ্য গুদামে সরকারি ধান সংগ্রহে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হয়। একই দিনে আলহাজ্ব বীর মুক্তিযোদ্ধা আখতার রহমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।অভিযোগে বলা হয়, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান সংগ্রহের কথা থাকলেও বাস্তবে স্থানীয় ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ও চালকল মালিকদের মাধ্যমে ধান সংগ্রহ করা হচ্ছে। ফলে প্রকৃত কৃষকরা সরকারি নির্ধারিত মূল্যের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।লিখিত অভিযোগে গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম খানের বিরুদ্ধে কৃষকদের ধান গ্রহণে অনীহা, বিভিন্ন অজুহাতে হয়রানি এবং ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহের অভিযোগ আনা হয়েছে। একইসঙ্গে প্রতি টনে কয়েক হাজার টাকা উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও  পড়ুন, গঙ্গাচড়ায় জ্ঞানগৃহ আইডিয়াল স্কুলে ফল উৎসব, দেশি ফলেই বেশি গুরুত্ব

অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির পেছনে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোছা. উম্মে কুলছুমা খাতুনেরও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। ধান সরবরাহকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের তালিকা যাচাই করা হলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে বলেও তিনি দাবি করেন।স্থানীয় একাধিক কৃষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সরকারি গুদামে ধান বিক্রির জন্য নিবন্ধন করেও তারা কাঙ্ক্ষিত সুযোগ পাননি। অনেককে বারবার গুদামে গিয়ে যোগাযোগ করতে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে তারা বাজারে কম দামে ধান বিক্রি করেছেন। অন্যদিকে কিছু ব্যবসায়ী সহজেই ধান সরবরাহের সুযোগ পেয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, অভিযোগের পর প্রশাসনের ব্যাখ্যা তলবের ঘটনায় বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। তারা বলছেন, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা প্রয়োজন। স্থানীয়দের দাবি, শুধু লিখিত ব্যাখ্যা গ্রহণেই সীমাবদ্ধ না থেকে ধান সরবরাহকারীদের তালিকা, কৃষক নিবন্ধন তথ্য, গুদামে জমা হওয়া ধানের উৎস, অর্থ লেনদেনের রেকর্ড এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভূমিকা তদন্তের আওতায় আনা হোক। পাশাপাশি অভিযোগের সত্যতা মিললে দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানান তারা।এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার বলেন, “অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। লিখিত জবাব পাওয়ার পর বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

বিষয় : দুর্নীতি খাদ্য নিয়ন্ত্রক প্রশাসনিক তৎপরতা

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬


কৃষক বঞ্চনার অভিযোগ: খাদ্য নিয়ন্ত্রককে ৭ দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে ইউএনওর নির্দেশ

প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলা খাদ্য গুদামে সরকারি ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে অনিয়ম, দুর্নীতি ও উৎকোচ বাণিজ্যের অভিযোগের পর প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। আমাদের প্রতিদিন  পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি আমলে নিয়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কাছে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা ও প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত চেয়েছে।উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ জুলাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার স্বাক্ষরিত এক পত্রে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোছা. উম্মে কুলছুমা খাতুনকে অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়।এর আগে গত ৭ জুলাই আমাদের প্রতিদিন  পত্রিকায় গঙ্গাচড়া উপজেলা খাদ্য গুদামে সরকারি ধান সংগ্রহে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হয়। একই দিনে আলহাজ্ব বীর মুক্তিযোদ্ধা আখতার রহমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।অভিযোগে বলা হয়, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান সংগ্রহের কথা থাকলেও বাস্তবে স্থানীয় ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ও চালকল মালিকদের মাধ্যমে ধান সংগ্রহ করা হচ্ছে। ফলে প্রকৃত কৃষকরা সরকারি নির্ধারিত মূল্যের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।লিখিত অভিযোগে গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম খানের বিরুদ্ধে কৃষকদের ধান গ্রহণে অনীহা, বিভিন্ন অজুহাতে হয়রানি এবং ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহের অভিযোগ আনা হয়েছে। একইসঙ্গে প্রতি টনে কয়েক হাজার টাকা উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও  পড়ুন, গঙ্গাচড়ায় জ্ঞানগৃহ আইডিয়াল স্কুলে ফল উৎসব, দেশি ফলেই বেশি গুরুত্ব

অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির পেছনে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোছা. উম্মে কুলছুমা খাতুনেরও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। ধান সরবরাহকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের তালিকা যাচাই করা হলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে বলেও তিনি দাবি করেন।স্থানীয় একাধিক কৃষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সরকারি গুদামে ধান বিক্রির জন্য নিবন্ধন করেও তারা কাঙ্ক্ষিত সুযোগ পাননি। অনেককে বারবার গুদামে গিয়ে যোগাযোগ করতে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে তারা বাজারে কম দামে ধান বিক্রি করেছেন। অন্যদিকে কিছু ব্যবসায়ী সহজেই ধান সরবরাহের সুযোগ পেয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, অভিযোগের পর প্রশাসনের ব্যাখ্যা তলবের ঘটনায় বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। তারা বলছেন, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা প্রয়োজন। স্থানীয়দের দাবি, শুধু লিখিত ব্যাখ্যা গ্রহণেই সীমাবদ্ধ না থেকে ধান সরবরাহকারীদের তালিকা, কৃষক নিবন্ধন তথ্য, গুদামে জমা হওয়া ধানের উৎস, অর্থ লেনদেনের রেকর্ড এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভূমিকা তদন্তের আওতায় আনা হোক। পাশাপাশি অভিযোগের সত্যতা মিললে দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানান তারা।এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার বলেন, “অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। লিখিত জবাব পাওয়ার পর বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত