পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীর মৌডুবি ইউনিয়ন ও পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণে গভীর বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবির ঘটনার তিন দিন পর নিখোঁজ ছয় জেলের মধ্যে একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনও পাঁচ জেলের কোনো সন্ধান মেলেনি।বুধবার (৮ জুলাই) রাতে গভীর সাগরে মাছ ধরার সময় ভোলার একদল জেলে আল আমিন (৪৫) নামে ওই জেলেকে উদ্ধার করেন। তিনি গলাচিপা উপজেলার গজালিয়া এলাকার চান মিয়ার ছেলে।গলাচিপা ও রাঙ্গাবালী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুন্নবী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দীর্ঘ সময় সাগরে ভেসে থাকার পর আল আমিনকে উদ্ধার করে চরফ্যাশনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তিনি বর্তমানে উদ্ধারকারী ট্রলারের এক জেলের বাড়িতে অবস্থান করছেন।
আরও পড়ুন , বাসন থানার বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলার ১৩ আসামি গ্রেফতার
তিনি আরও জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে নিজ এলাকায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।এর আগে গত রোববার রাত ১০টার দিকে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি ইউনিয়নের খরিদা গ্রামের এমাদুল সিকদারের মালিকানাধীন একটি মাছ ধরার ট্রলার গভীর বঙ্গোপসাগরে ডুবে যায়। ট্রলারটিতে মোট ১১ জন জেলে ছিলেন। দুর্ঘটনার পর পাঁচজনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও ছয়জন নিখোঁজ হন। সর্বশেষ আল আমিনকে উদ্ধার করায় এখনও পাঁচ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন।নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে কোস্ট গার্ড, নৌপুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন, স্থানীয় জেলে ও আশপাশে মাছ ধরার ট্রলারগুলো যৌথভাবে অনুসন্ধান অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। তবে বৈরী আবহাওয়া উদ্ধারকাজে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিষয় : ট্রলারডুবি সমুদ্রবন্দর জীবিত উদ্ধার

শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীর মৌডুবি ইউনিয়ন ও পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণে গভীর বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবির ঘটনার তিন দিন পর নিখোঁজ ছয় জেলের মধ্যে একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনও পাঁচ জেলের কোনো সন্ধান মেলেনি।বুধবার (৮ জুলাই) রাতে গভীর সাগরে মাছ ধরার সময় ভোলার একদল জেলে আল আমিন (৪৫) নামে ওই জেলেকে উদ্ধার করেন। তিনি গলাচিপা উপজেলার গজালিয়া এলাকার চান মিয়ার ছেলে।গলাচিপা ও রাঙ্গাবালী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুন্নবী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দীর্ঘ সময় সাগরে ভেসে থাকার পর আল আমিনকে উদ্ধার করে চরফ্যাশনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তিনি বর্তমানে উদ্ধারকারী ট্রলারের এক জেলের বাড়িতে অবস্থান করছেন।
আরও পড়ুন , বাসন থানার বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলার ১৩ আসামি গ্রেফতার
তিনি আরও জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে নিজ এলাকায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।এর আগে গত রোববার রাত ১০টার দিকে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি ইউনিয়নের খরিদা গ্রামের এমাদুল সিকদারের মালিকানাধীন একটি মাছ ধরার ট্রলার গভীর বঙ্গোপসাগরে ডুবে যায়। ট্রলারটিতে মোট ১১ জন জেলে ছিলেন। দুর্ঘটনার পর পাঁচজনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও ছয়জন নিখোঁজ হন। সর্বশেষ আল আমিনকে উদ্ধার করায় এখনও পাঁচ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন।নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে কোস্ট গার্ড, নৌপুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন, স্থানীয় জেলে ও আশপাশে মাছ ধরার ট্রলারগুলো যৌথভাবে অনুসন্ধান অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। তবে বৈরী আবহাওয়া উদ্ধারকাজে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন