রাজধানী ঢাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিং দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কৃষকদের সেচ কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে এবং গ্রাম-শহরের বৈষম্য কমানোর লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি জানান, এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান-এর সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, জ্বালানি সংকটে সরকার–বিরোধী এক টেবিলে, ১০ সদস্যের কমিটি প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি রয়েছে। বুধবার বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল প্রায় ১৬ হাজার মেগাওয়াট, বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে ১৪ হাজার ১২৬ মেগাওয়াট। ফলে বাধ্য হয়েই লোডশেডিং করতে হচ্ছে। তিনি স্বীকার করেন, চলমান তীব্র গরমে বিদ্যুৎ সংকটে মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। তবে এই পরিস্থিতি সাময়িক এবং আগামী সাত দিনের মধ্যেই তা অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশ্বাস দেন তিনি। অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো কৃষকদের সেচ কার্যক্রমে কোনো বিঘ্ন না ঘটানো। এ জন্য গ্রামাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে শহরাঞ্চলেও লোডশেডিং দেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন, ইট খসে পড়লে যেমন কাঁদি” উন্নয়নবোধ জাগাতে কায়সার কামালের আহ্বান
তিনি আরও জানান, দেশে প্রতিদিন প্রায় ৩৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা থাকলেও উৎপাদন ও আমদানির মাধ্যমে সরবরাহ করা যাচ্ছে প্রায় ২৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট। ফলে বড় ধরনের ঘাটতি থেকেই যাচ্ছে। অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে চাইলেও দ্রুত গ্যাস আমদানি বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়া, কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র রক্ষণাবেক্ষণের কারণে পুরো সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে না বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তবে সেগুলো দ্রুত পূর্ণ উৎপাদনে ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংসদে বক্তব্যে জনগণের ভোগান্তির জন্য দুঃখ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে।
বিষয় : প্রধানমন্ত্রী লোডশেডিং বিদ্যুৎ

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানী ঢাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিং দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কৃষকদের সেচ কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে এবং গ্রাম-শহরের বৈষম্য কমানোর লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি জানান, এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান-এর সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, জ্বালানি সংকটে সরকার–বিরোধী এক টেবিলে, ১০ সদস্যের কমিটি প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি রয়েছে। বুধবার বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল প্রায় ১৬ হাজার মেগাওয়াট, বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে ১৪ হাজার ১২৬ মেগাওয়াট। ফলে বাধ্য হয়েই লোডশেডিং করতে হচ্ছে। তিনি স্বীকার করেন, চলমান তীব্র গরমে বিদ্যুৎ সংকটে মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। তবে এই পরিস্থিতি সাময়িক এবং আগামী সাত দিনের মধ্যেই তা অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশ্বাস দেন তিনি। অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো কৃষকদের সেচ কার্যক্রমে কোনো বিঘ্ন না ঘটানো। এ জন্য গ্রামাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে শহরাঞ্চলেও লোডশেডিং দেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন, ইট খসে পড়লে যেমন কাঁদি” উন্নয়নবোধ জাগাতে কায়সার কামালের আহ্বান
তিনি আরও জানান, দেশে প্রতিদিন প্রায় ৩৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা থাকলেও উৎপাদন ও আমদানির মাধ্যমে সরবরাহ করা যাচ্ছে প্রায় ২৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট। ফলে বড় ধরনের ঘাটতি থেকেই যাচ্ছে। অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে চাইলেও দ্রুত গ্যাস আমদানি বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়া, কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র রক্ষণাবেক্ষণের কারণে পুরো সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে না বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তবে সেগুলো দ্রুত পূর্ণ উৎপাদনে ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংসদে বক্তব্যে জনগণের ভোগান্তির জন্য দুঃখ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে।

আপনার মতামত লিখুন