নেত্রকোনার দুর্গাপুরে অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর উন্নয়নে বিশেষ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, উন্নয়নের প্রতিটি বিষয় মানুষের হৃদয়ে নাড়া দিতে হবে।বৃহস্পতিবার বিকেলে আয়োজিত ছাগল প্যাকেজ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “রাস্তার একটি ইট খসে পড়লে যেমন আমার অন্তর কাঁদে, তেমনি আপনাদের অন্তরেও সেই অনুভূতি তৈরি করতে হবে।”তিনি আরও বলেন, সরকারের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম শুধু অবকাঠামো নয়, মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এই ধরনের উদ্যোগ বাস্তব পরিবর্তন আনছে।অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রকল্পের
আরো পড়ুন , জ্বালানি সংকটে সরকার–বিরোধী এক টেবিলে, ১০ সদস্যের কমিটি প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর
আওতায় মোট ১৯৫টি ছাগল প্যাকেজ বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ৬৫টি প্যাকেজ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি প্যাকেজে রয়েছে দুটি ছাগল, খাদ্য, খুঁটি ও প্রয়োজনীয় উপকরণ—যা উপকারভোগীদের আত্মকর্মসংস্থানে সহায়ক হবে।স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে পশুপালন বাড়বে এবং পরিবারের আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি জীবনমান উন্নয়ন ঘটবে।বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের ক্ষুদ্র উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর উন্নয়নে বিশেষ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, উন্নয়নের প্রতিটি বিষয় মানুষের হৃদয়ে নাড়া দিতে হবে।বৃহস্পতিবার বিকেলে আয়োজিত ছাগল প্যাকেজ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “রাস্তার একটি ইট খসে পড়লে যেমন আমার অন্তর কাঁদে, তেমনি আপনাদের অন্তরেও সেই অনুভূতি তৈরি করতে হবে।”তিনি আরও বলেন, সরকারের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম শুধু অবকাঠামো নয়, মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এই ধরনের উদ্যোগ বাস্তব পরিবর্তন আনছে।অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রকল্পের
আরো পড়ুন , জ্বালানি সংকটে সরকার–বিরোধী এক টেবিলে, ১০ সদস্যের কমিটি প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর
আওতায় মোট ১৯৫টি ছাগল প্যাকেজ বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ৬৫টি প্যাকেজ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি প্যাকেজে রয়েছে দুটি ছাগল, খাদ্য, খুঁটি ও প্রয়োজনীয় উপকরণ—যা উপকারভোগীদের আত্মকর্মসংস্থানে সহায়ক হবে।স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে পশুপালন বাড়বে এবং পরিবারের আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি জীবনমান উন্নয়ন ঘটবে।বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের ক্ষুদ্র উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন