দেশে চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদে ১০ সদস্যের একটি যৌথ জ্বালানি কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন, যেখানে সরকার ও বিরোধী দলের প্রতিনিধিরা একসঙ্গে কাজ করবেন।বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বার্থে রাজনৈতিক বিভেদ ভুলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি প্রস্তাব করেন, এই কমিটিতে সরকার ও বিরোধী দলের সমান অংশগ্রহণ থাকবে, যাতে জ্বালানি সংকটের
কার্যকর ও টেকসই সমাধান বের করা যায়।প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু-কে এই কমিটির সভাপতি করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।এদিকে প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে বিরোধী দল। সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি-এর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের স্বার্থে এমন যৌথ উদ্যোগ সময়োপযোগী এবং
আরো পড়ুন , প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের সাক্ষাৎ
প্রয়োজনীয়।বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে গঠিত এ ধরনের কমিটি দেশের জ্বালানি খাতে স্থিতিশীলতা আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন, জ্বালানি আমদানি ও বিকল্প শক্তির ব্যবহার নিয়ে কার্যকর নীতিমালা তৈরিতে এই কমিটি ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।এখন দেখার বিষয়, এই প্রস্তাব কত দ্রুত বাস্তবায়ন হয় এবং এর মাধ্যমে দেশের জ্বালানি সংকট কতটা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়।
বিষয় : জ্বালানি সংকটের দেশে চলমান মোকাবিলায়

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
দেশে চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদে ১০ সদস্যের একটি যৌথ জ্বালানি কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন, যেখানে সরকার ও বিরোধী দলের প্রতিনিধিরা একসঙ্গে কাজ করবেন।বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বার্থে রাজনৈতিক বিভেদ ভুলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি প্রস্তাব করেন, এই কমিটিতে সরকার ও বিরোধী দলের সমান অংশগ্রহণ থাকবে, যাতে জ্বালানি সংকটের
কার্যকর ও টেকসই সমাধান বের করা যায়।প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু-কে এই কমিটির সভাপতি করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।এদিকে প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে বিরোধী দল। সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি-এর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের স্বার্থে এমন যৌথ উদ্যোগ সময়োপযোগী এবং
আরো পড়ুন , প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের সাক্ষাৎ
প্রয়োজনীয়।বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে গঠিত এ ধরনের কমিটি দেশের জ্বালানি খাতে স্থিতিশীলতা আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন, জ্বালানি আমদানি ও বিকল্প শক্তির ব্যবহার নিয়ে কার্যকর নীতিমালা তৈরিতে এই কমিটি ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।এখন দেখার বিষয়, এই প্রস্তাব কত দ্রুত বাস্তবায়ন হয় এবং এর মাধ্যমে দেশের জ্বালানি সংকট কতটা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়।

আপনার মতামত লিখুন