স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ অভিযোগ করেছেন যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সংবিধানের বাইরে গিয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার ফরম বিতরণ করেছেন। তিনি এই প্রক্রিয়াটিকে অবৈধ বলে অভিহিত করেছেন এবং বলেছেন যে এটি বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি 'প্রতারণার দলিল'।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে স্পিকারের অনুমতি নিয়ে সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদ উদ্ধৃত করে ২০২৫ সালে জারি করা 'সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশ'-এর আইনি অসারতা ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি বলেছেন যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শপথ নিয়েছেন, কিন্তু কোন আইন অনুযায়ী তিনি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার ফরম জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে পাঠালেন? এটি তার এখতিয়ারের বাইরে, ফলে শপথ ভঙ্গ ও সংবিধান লঙ্ঘনের শামিল।
আরও পড়ুন, ভারত ভিসা স্বাভাবিকীকরণ করবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেছেন যে নির্বাচন কমিশন সংসদ সদস্যদের জন্য ব্যালট দিয়েছিল, যেখানে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হওয়ার কোনও ব্যালট ছিল না। জনগণ সংসদ সদস্য হিসেবে ম্যান্ডেট দিয়েছে, অস্তিত্বহীন কোনও পরিষদের সদস্য হিসেবে নয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন যে বিগত সরকারের আদেশটি 'ভয়েড অ্যাব ইনিশিও' (শুরু থেকেই বাতিল)। ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিলের পর রাষ্ট্রপতির আদেশ জারির ক্ষমতা নেই। সংবিধানের চতুর্থ তফশিলের ১৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির সেই ক্ষমতা বাতিল হয়েছে। সুতরাং সেই আদেশের ভিত্তিতে কোনও অধিবেশন আহ্বান করা যায় না। এই আদেশটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি প্রতারণার দলিল। এটি না অধ্যাদেশ, না আইন। এটি সার্বভৌম পার্লামেন্টের অধিকার ক্ষুণ্ন করার একটি ব্যর্থ চেষ্টা বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুন, বগুড়া ও লালমনিরহাটে চালু হচ্ছে অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর, সৈয়দপুর হবে আঞ্চলিক হাব
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন যে বিএনপি সংস্কার চায় না—এমন প্রচারণাকে বিভ্রান্তিকর উল্লেখ করে তিনি বলেছেন যে ২০২৫ সালে স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিটি অক্ষর ও বাক্য তারা ধারণ করে। তবে তারা সেই সংস্কার চায় যা সংবিধানসম্মত এবং জনগণের সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেছেন যে জুলাই জাতীয় সনদের ৪৭টি বিষয়ে যে ঐকমত্য হয়েছে, তা আগামী সংসদে বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে।
বিষয় : অবৈধ শপথ সংবিধান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ অভিযোগ করেছেন যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সংবিধানের বাইরে গিয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার ফরম বিতরণ করেছেন। তিনি এই প্রক্রিয়াটিকে অবৈধ বলে অভিহিত করেছেন এবং বলেছেন যে এটি বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি 'প্রতারণার দলিল'।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে স্পিকারের অনুমতি নিয়ে সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদ উদ্ধৃত করে ২০২৫ সালে জারি করা 'সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশ'-এর আইনি অসারতা ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি বলেছেন যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শপথ নিয়েছেন, কিন্তু কোন আইন অনুযায়ী তিনি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার ফরম জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে পাঠালেন? এটি তার এখতিয়ারের বাইরে, ফলে শপথ ভঙ্গ ও সংবিধান লঙ্ঘনের শামিল।
আরও পড়ুন, ভারত ভিসা স্বাভাবিকীকরণ করবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেছেন যে নির্বাচন কমিশন সংসদ সদস্যদের জন্য ব্যালট দিয়েছিল, যেখানে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হওয়ার কোনও ব্যালট ছিল না। জনগণ সংসদ সদস্য হিসেবে ম্যান্ডেট দিয়েছে, অস্তিত্বহীন কোনও পরিষদের সদস্য হিসেবে নয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন যে বিগত সরকারের আদেশটি 'ভয়েড অ্যাব ইনিশিও' (শুরু থেকেই বাতিল)। ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিলের পর রাষ্ট্রপতির আদেশ জারির ক্ষমতা নেই। সংবিধানের চতুর্থ তফশিলের ১৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির সেই ক্ষমতা বাতিল হয়েছে। সুতরাং সেই আদেশের ভিত্তিতে কোনও অধিবেশন আহ্বান করা যায় না। এই আদেশটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি প্রতারণার দলিল। এটি না অধ্যাদেশ, না আইন। এটি সার্বভৌম পার্লামেন্টের অধিকার ক্ষুণ্ন করার একটি ব্যর্থ চেষ্টা বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুন, বগুড়া ও লালমনিরহাটে চালু হচ্ছে অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর, সৈয়দপুর হবে আঞ্চলিক হাব
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন যে বিএনপি সংস্কার চায় না—এমন প্রচারণাকে বিভ্রান্তিকর উল্লেখ করে তিনি বলেছেন যে ২০২৫ সালে স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিটি অক্ষর ও বাক্য তারা ধারণ করে। তবে তারা সেই সংস্কার চায় যা সংবিধানসম্মত এবং জনগণের সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেছেন যে জুলাই জাতীয় সনদের ৪৭টি বিষয়ে যে ঐকমত্য হয়েছে, তা আগামী সংসদে বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন