রাজধানীজুড়ে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পেট্রোল পাম্পগুলোতে দেখা যাচ্ছে দীর্ঘ লাইন, ক্লান্ত অপেক্ষা আর অনিশ্চয়তা।সোমবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, তেলের সংকট শুধু সড়কেই নয়—মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও কর্মঘণ্টায়ও ফেলছে বড় প্রভাব।
বিজয় সরণির ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারের দীর্ঘ সারি মহাখালী রেলগেট পর্যন্ত গিয়ে ঠেকেছে। কেউ দুই ঘণ্টা, কেউ চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও তেল পাচ্ছেন না।গাজীপুরের বাসিন্দা আলামিন হোসেন বলেন, আগে অল্প তেলেই চলত, এখন সবাই ফুল ট্যাংক করতে চাইছে—ফলে চাপ বেড়েছে। পেশাগত কারণে প্রতিদিন দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হওয়ায় নিয়মিত তেল নেওয়া তার জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে পড়েছে।
আরো পড়ুন , গুলশানের হত্যা মামলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ফাহিমকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন
পাম্প কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও অতিরিক্ত চাহিদার কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।অন্যদিকে, ভুক্তভোগীরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের অভিযোগ—এক শ্রেণির অসাধু চক্র কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। কোথাও কোথাও তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ রাখা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।রমনা, মিরপুর, শেওড়াপাড়া, শ্যামলীসহ বিভিন্ন এলাকায় সীমিত পরিমাণে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। মোটরসাইকেলে নির্দিষ্ট অঙ্কের বেশি এবং প্রাইভেটকারে নির্দিষ্ট লিটারের বেশি তেল দেওয়া হচ্ছে না।
অনেক চালক জানান, এক পাম্প থেকে আরেক পাম্পে ঘুরতে ঘুরতেই তাদের যানবাহনের তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে। কেউ কেউ লাইনে দাঁড়িয়ে রোদে পুড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন, আবার কেউ রাস্তার পাশেই খাবার সেরে নিচ্ছেন।যাত্রাবাড়ী ও আশপাশের মহাসড়ক এলাকাগুলোতেও একই চিত্র। কোথাও তেল দেওয়া হচ্ছে শুনলেই সেখানে ভিড় জমাচ্ছেন চালকরা। এমনকি বাড়তি তেলের জন্য কেউ কেউ বকশিশ দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
সব মিলিয়ে, জ্বালানি সংকট এখন রাজধানীর জনজীবনে বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছে—দ্রুত সমাধান না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
রাজধানীজুড়ে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পেট্রোল পাম্পগুলোতে দেখা যাচ্ছে দীর্ঘ লাইন, ক্লান্ত অপেক্ষা আর অনিশ্চয়তা।সোমবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, তেলের সংকট শুধু সড়কেই নয়—মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও কর্মঘণ্টায়ও ফেলছে বড় প্রভাব।
বিজয় সরণির ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারের দীর্ঘ সারি মহাখালী রেলগেট পর্যন্ত গিয়ে ঠেকেছে। কেউ দুই ঘণ্টা, কেউ চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও তেল পাচ্ছেন না।গাজীপুরের বাসিন্দা আলামিন হোসেন বলেন, আগে অল্প তেলেই চলত, এখন সবাই ফুল ট্যাংক করতে চাইছে—ফলে চাপ বেড়েছে। পেশাগত কারণে প্রতিদিন দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হওয়ায় নিয়মিত তেল নেওয়া তার জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে পড়েছে।
আরো পড়ুন , গুলশানের হত্যা মামলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ফাহিমকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন
পাম্প কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও অতিরিক্ত চাহিদার কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।অন্যদিকে, ভুক্তভোগীরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের অভিযোগ—এক শ্রেণির অসাধু চক্র কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। কোথাও কোথাও তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ রাখা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।রমনা, মিরপুর, শেওড়াপাড়া, শ্যামলীসহ বিভিন্ন এলাকায় সীমিত পরিমাণে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। মোটরসাইকেলে নির্দিষ্ট অঙ্কের বেশি এবং প্রাইভেটকারে নির্দিষ্ট লিটারের বেশি তেল দেওয়া হচ্ছে না।
অনেক চালক জানান, এক পাম্প থেকে আরেক পাম্পে ঘুরতে ঘুরতেই তাদের যানবাহনের তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে। কেউ কেউ লাইনে দাঁড়িয়ে রোদে পুড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন, আবার কেউ রাস্তার পাশেই খাবার সেরে নিচ্ছেন।যাত্রাবাড়ী ও আশপাশের মহাসড়ক এলাকাগুলোতেও একই চিত্র। কোথাও তেল দেওয়া হচ্ছে শুনলেই সেখানে ভিড় জমাচ্ছেন চালকরা। এমনকি বাড়তি তেলের জন্য কেউ কেউ বকশিশ দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
সব মিলিয়ে, জ্বালানি সংকট এখন রাজধানীর জনজীবনে বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছে—দ্রুত সমাধান না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন