দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

নেত্রকোনায় তেলের হাহাকার পাম্পে লম্বা লাইন খোলা বাজারে চড়া দাম

নেত্রকোনায় তেলের হাহাকার পাম্পে লম্বা লাইন খোলা বাজারে চড়া দাম
নেত্রকোনায় জ্বালানি তেলের সংকট দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করেছে।

নেত্রকোনায় জ্বালানি তেলের সংকট দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করেছে। জেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে ট্রাক ও মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন দেখা গেলেও বেশিরভাগ পাম্পে তেল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) নেত্রকোনা জেলার বেশ কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, তেল সরবরাহের অপেক্ষায় শত শত মোটরসাইকেল লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। কোথাও কোথাও ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে সীমিত পরিমাণে পেট্রোল দেওয়া হলেও অধিকাংশ স্টেশনে সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল থেকে পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়। নেত্রকোনা শহরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে মানুষের ভিড় চরম পর্যায়ে পৌঁছে যায়। সকাল থেকেই মোটরসাইকেল ও যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়, অনেককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে দেখা যায়। 

আরো পড়ুন , নেত্রকোনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত

এ সুযোগে শহরের বিভিন্ন খোলা বাজারে বাড়তি দামে তেল বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ফিলিং স্টেশনে তেল না পেলেও খুচরা দোকানে সহজেই পাওয়া যাচ্ছে পেট্রোল ও অকটেন। সেখানে পেট্রোল প্রতি লিটার ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা এবং অকটেন ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অনেকগুন বেশি।

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। অনেক স্থানে প্রতি লিটার পেট্রোল ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। দ্রুত প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীরা। এ পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসন মাঠে নেমেছে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট পাম্প মালিকদের কঠোরভাবে সতর্ক করা হচ্ছে যাতে কোনোভাবেই কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি না করা হয়। এ বিষয়ে নেত্রকোনা-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আনোয়ারুল হক বলেন, তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। কেউ যেন কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। স্থানীয়দের মতে, দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক ও বাজার নিয়ন্ত্রণে আনা না গেলে পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে উঠতে পারে।

বিষয় : সংকট জ্বালানি তেল

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


নেত্রকোনায় তেলের হাহাকার পাম্পে লম্বা লাইন খোলা বাজারে চড়া দাম

প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬

featured Image

নেত্রকোনায় জ্বালানি তেলের সংকট দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করেছে। জেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে ট্রাক ও মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন দেখা গেলেও বেশিরভাগ পাম্পে তেল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) নেত্রকোনা জেলার বেশ কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, তেল সরবরাহের অপেক্ষায় শত শত মোটরসাইকেল লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। কোথাও কোথাও ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে সীমিত পরিমাণে পেট্রোল দেওয়া হলেও অধিকাংশ স্টেশনে সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।


জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল থেকে পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়। নেত্রকোনা শহরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে মানুষের ভিড় চরম পর্যায়ে পৌঁছে যায়। সকাল থেকেই মোটরসাইকেল ও যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়, অনেককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে দেখা যায়। 


আরো পড়ুন , নেত্রকোনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত


এ সুযোগে শহরের বিভিন্ন খোলা বাজারে বাড়তি দামে তেল বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ফিলিং স্টেশনে তেল না পেলেও খুচরা দোকানে সহজেই পাওয়া যাচ্ছে পেট্রোল ও অকটেন। সেখানে পেট্রোল প্রতি লিটার ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা এবং অকটেন ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অনেকগুন বেশি।


এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। অনেক স্থানে প্রতি লিটার পেট্রোল ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। দ্রুত প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীরা। এ পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসন মাঠে নেমেছে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট পাম্প মালিকদের কঠোরভাবে সতর্ক করা হচ্ছে যাতে কোনোভাবেই কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি না করা হয়। এ বিষয়ে নেত্রকোনা-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আনোয়ারুল হক বলেন, তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। কেউ যেন কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। স্থানীয়দের মতে, দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক ও বাজার নিয়ন্ত্রণে আনা না গেলে পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে উঠতে পারে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত