দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : রোববার, ২২ মার্চ ২০২৬

ঈদের দ্বিতীয় দিনে কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকের ঢল

ঈদের দ্বিতীয় দিনে কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকের ঢল
ঈদের দ্বিতীয় দিনে কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকের ঢল

সাগরপাড়ে আছড়ে পড়া ঢেউয়ের সঙ্গে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে মেতেছে লাখো পর্যটক। ঈদুল ফিতরের দ্বিতীয় দিন রবিবার (২২ মার্চ) এমন প্রাণচঞ্চল দৃশ্য দেখা গেছে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত জুড়ে। আজ সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে বিশ্বের দীর্ঘতম এই সমুদ্রসৈকত। লাবণী, সুগন্ধা, কলাতলীসহ বিভিন্ন পয়েন্টে ছিল উপচে পড়া ভিড়।

আরও পড়ুন, ঈদে ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় সিলেট পর্যটন, বুকিংয়ে ফিরছে প্রাণ

পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সাগরের নীল জলে নেমে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন পর্যটকরা। সিলেট থেকে আগত পর্যটক রবিন হাওলাদার বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে পরিবার নিয়ে কক্সবাজারে এসেছি। সমুদ্রের এমন সৌন্দর্য আর পরিবেশ সত্যিই মন ভরে দেয়। এখানে এসে খুব ভালো লাগছে, বিশেষ করে ঢেউয়ের সঙ্গে সময় কাটানোটা দারুণ উপভোগ করছি।ঢাকার নবাবগঞ্জ থেকে পরিবারসহ কক্সবাজারে ঘুরতে আাসা তানজিনা আকতার বলেন, ‘অনেকদিনের ইচ্ছা ছিল পরিবারের সবাইকে নিয়ে এখানে আসার। ঈদের এই সময়টা বেছে নেওয়াটা সার্থক হয়েছে। বাচ্চারা খুব আনন্দ করছে, আমরাও দারুণ সময় কাটাচ্ছি।’ আগত পর্যটকদের অনেকেই মেতে উঠেছেন সমুদ্রস্নানের আনন্দে। আর তাদের এই সমুদ্র গোসলকে নিরাপদ করতে নিরলসভাবে কাজ করছে সি-সেইফ লাইফগার্ড সংস্থা।

আরও পড়ুন, কুমিল্লায় ট্রেন-বাস সংঘর্ষের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা ঘোষণা

সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে লাইফগার্ড সদস্যরা পর্যটকদের সতর্ক করছেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় যেতে নিরুৎসাহিত করছেন এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছেন বলে জানান সংস্থাটির ফিল্ড ইনচার্জ ইমতিয়াজ আহমেদ। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে টুরিস্ট পুলিশও সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে সৈকতের বিভিন্ন স্থানে টহল জোরদার করা হয়েছে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি পর্যটকদের সহায়তায় হেল্প ডেস্ক স্থাপনসহ নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঢেউয়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিশু-কিশোরদের দৌড়ঝাঁপ, তরুণদের উল্লাস আর বড়দের নিশ্চিন্ত অবকাশ—সব মিলিয়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে পুরো সৈকতজুড়ে। অনেকেই স্মৃতিবন্দি করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন ছবি ও ভিডিও ধারণে। সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদের টানা ছুটিকে ঘিরে কক্সবাজারে পর্যটকের এই চাপ আরো কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। এতে পর্যটন খাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

বিষয় : কক্সবাজার পর্যটক সমুদ্রসৈকত

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


ঈদের দ্বিতীয় দিনে কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকের ঢল

প্রকাশের তারিখ : ২২ মার্চ ২০২৬

featured Image

সাগরপাড়ে আছড়ে পড়া ঢেউয়ের সঙ্গে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে মেতেছে লাখো পর্যটক। ঈদুল ফিতরের দ্বিতীয় দিন রবিবার (২২ মার্চ) এমন প্রাণচঞ্চল দৃশ্য দেখা গেছে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত জুড়ে। আজ সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে বিশ্বের দীর্ঘতম এই সমুদ্রসৈকত। লাবণী, সুগন্ধা, কলাতলীসহ বিভিন্ন পয়েন্টে ছিল উপচে পড়া ভিড়।

আরও পড়ুন, ঈদে ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় সিলেট পর্যটন, বুকিংয়ে ফিরছে প্রাণ

পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সাগরের নীল জলে নেমে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন পর্যটকরা। সিলেট থেকে আগত পর্যটক রবিন হাওলাদার বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে পরিবার নিয়ে কক্সবাজারে এসেছি। সমুদ্রের এমন সৌন্দর্য আর পরিবেশ সত্যিই মন ভরে দেয়। এখানে এসে খুব ভালো লাগছে, বিশেষ করে ঢেউয়ের সঙ্গে সময় কাটানোটা দারুণ উপভোগ করছি।ঢাকার নবাবগঞ্জ থেকে পরিবারসহ কক্সবাজারে ঘুরতে আাসা তানজিনা আকতার বলেন, ‘অনেকদিনের ইচ্ছা ছিল পরিবারের সবাইকে নিয়ে এখানে আসার। ঈদের এই সময়টা বেছে নেওয়াটা সার্থক হয়েছে। বাচ্চারা খুব আনন্দ করছে, আমরাও দারুণ সময় কাটাচ্ছি।’ আগত পর্যটকদের অনেকেই মেতে উঠেছেন সমুদ্রস্নানের আনন্দে। আর তাদের এই সমুদ্র গোসলকে নিরাপদ করতে নিরলসভাবে কাজ করছে সি-সেইফ লাইফগার্ড সংস্থা।

আরও পড়ুন, কুমিল্লায় ট্রেন-বাস সংঘর্ষের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা ঘোষণা

সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে লাইফগার্ড সদস্যরা পর্যটকদের সতর্ক করছেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় যেতে নিরুৎসাহিত করছেন এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছেন বলে জানান সংস্থাটির ফিল্ড ইনচার্জ ইমতিয়াজ আহমেদ। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে টুরিস্ট পুলিশও সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে সৈকতের বিভিন্ন স্থানে টহল জোরদার করা হয়েছে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি পর্যটকদের সহায়তায় হেল্প ডেস্ক স্থাপনসহ নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঢেউয়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিশু-কিশোরদের দৌড়ঝাঁপ, তরুণদের উল্লাস আর বড়দের নিশ্চিন্ত অবকাশ—সব মিলিয়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে পুরো সৈকতজুড়ে। অনেকেই স্মৃতিবন্দি করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন ছবি ও ভিডিও ধারণে। সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদের টানা ছুটিকে ঘিরে কক্সবাজারে পর্যটকের এই চাপ আরো কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। এতে পর্যটন খাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত