গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার মহদীপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বিষ্ণুপুর জামে মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনের নামের তালিকা প্রেরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় মুসুল্লিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত আবেদন দাখিল করেছেন। জানা যায়, গত ২ মার্চ বিষ্ণুপুর গ্রামের বাসিন্দা ও মসজিদের নিয়মিত মুসুল্লিদের পক্ষ থেকে পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর একটি আবেদন জমা দেয়া হয়। আবেদনে অভিযোগ করা হয়, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী মসজিদের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের নামের তালিকা পাঠানোর সময় মসজিদের মুসুল্লি বা পরিচালনা কমিটিকে অবহিত না করে কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের ইচ্ছামতো কিছু নাম প্রেরণ করেছেন।
আরও পড়ুন, নেত্রকোনায় স্বামীর অধিকার আদায়ের দাবিতে স্ত্রী সাবরিনা সুলতানার সংবাদ সম্মেলন
আবেদনকারীরা জানান, পরবর্তীতে তথ্যানুসন্ধানে জানা যায় যে মসজিদের বর্তমান মুয়াজ্জিনকে ইমাম হিসেবে দেখিয়ে তথ্য ছক পূরণ করে পাঠানো হয়েছে। অথচ তিনি ইমাম হওয়ার প্রয়োজনীয় যোগ্যতা রাখেন না এবং মুসুল্লিদের অনেকেই তাকে ইমাম হিসেবে মেনে নেন না। একইভাবে মুয়াজ্জিন পদে যার নাম পাঠানো হয়েছে, তিনি নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন না বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে মসজিদের খতিবের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কয়েকজন মিলে বসে ৪ জনের নাম পাঠানোর বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়।
আরও পড়ুন, মাদারীপুরের কালকিনিতে ভ্রা'ম্যমাণ আদাল'তের অভিযান দুই ক্লিনিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা
আবেদনকারীরা বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য যাচাই এবং বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এদিকে; সচেতন মহলের মতে এ ধরনের অনিয়ম শুধু বিষ্ণুপুর জামে মসজিদেই নয়, দেশের বিভিন্ন মসজিদেও মাঝে মাঝে দেখা যায়। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি বাড়িয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার মহদীপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বিষ্ণুপুর জামে মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনের নামের তালিকা প্রেরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় মুসুল্লিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত আবেদন দাখিল করেছেন। জানা যায়, গত ২ মার্চ বিষ্ণুপুর গ্রামের বাসিন্দা ও মসজিদের নিয়মিত মুসুল্লিদের পক্ষ থেকে পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর একটি আবেদন জমা দেয়া হয়। আবেদনে অভিযোগ করা হয়, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী মসজিদের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের নামের তালিকা পাঠানোর সময় মসজিদের মুসুল্লি বা পরিচালনা কমিটিকে অবহিত না করে কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের ইচ্ছামতো কিছু নাম প্রেরণ করেছেন।
আরও পড়ুন, নেত্রকোনায় স্বামীর অধিকার আদায়ের দাবিতে স্ত্রী সাবরিনা সুলতানার সংবাদ সম্মেলন
আবেদনকারীরা জানান, পরবর্তীতে তথ্যানুসন্ধানে জানা যায় যে মসজিদের বর্তমান মুয়াজ্জিনকে ইমাম হিসেবে দেখিয়ে তথ্য ছক পূরণ করে পাঠানো হয়েছে। অথচ তিনি ইমাম হওয়ার প্রয়োজনীয় যোগ্যতা রাখেন না এবং মুসুল্লিদের অনেকেই তাকে ইমাম হিসেবে মেনে নেন না। একইভাবে মুয়াজ্জিন পদে যার নাম পাঠানো হয়েছে, তিনি নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন না বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে মসজিদের খতিবের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কয়েকজন মিলে বসে ৪ জনের নাম পাঠানোর বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়।
আরও পড়ুন, মাদারীপুরের কালকিনিতে ভ্রা'ম্যমাণ আদাল'তের অভিযান দুই ক্লিনিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা
আবেদনকারীরা বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য যাচাই এবং বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এদিকে; সচেতন মহলের মতে এ ধরনের অনিয়ম শুধু বিষ্ণুপুর জামে মসজিদেই নয়, দেশের বিভিন্ন মসজিদেও মাঝে মাঝে দেখা যায়। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি বাড়িয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন