গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর পল্লীতে জোরপূর্বক জমি দখলের প্রতিবাদে এক সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী পরিবার। গতকাল শনিবার (৭ মার্চ) বিকেলে পলাশবাড়ী প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী লিমা বেগম।
উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের নিমদাসেরভিটা গ্রামের সৌদি প্রবাসী মো. আসাদুল ইসলাম বিপুলের স্ত্রী মোছা. লিমা বেগম তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, উক্ত মৌজার জেএল নং- ১৫১, আরএস খতিয়ান নং- ১৯৮, বর্তমান বিআরএস খতিয়ান নং- ৩৪২, হাল দাগ নং- ৫২০, সাবেক দাগ- ১৬৯, মোট জমি সাড়ে ৫ শতক জমি ২০২০ সালে ক্রয় করেন। ক্রয়ের পর থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত নিজেরাই ভোগ দখল করে আসছিলেন। কিন্তু গত ২০২৫ সালে একই দাগের জমি আমার প্রতিবেশী মো. মতিউর রহমান ক্রয় করেন। এরপর থেকে বিবাদের সৃষ্টি হয়। আমার স্বামী সৌদি প্রবাসী হওয়ায় আমি ছোট ছোট দুই ছেলে ও দুই মেয়েকে নিয়ে বসবাস করি। আমার শ্বশুর গত দুই হলো মৃত্যুকরণ করেছেন। তাই আমার অভিভাবক হিসেবে কেউই না থাকার এই সুযোগে আমার প্রতিবেশী মতিউর রহমান, মোত্তালেব, মালেক, রিতু, মমিনা, সাথীসহ অন্যান্যরা আমার ক্রয়কৃত জমি জোরপূর্বক ভোগ দখল কওে আসছেন। আমি বাঁধা দিতে গেলে প্রায় সময়ই ঝগড়া-বিবাদ ও মারামারি লেগেই থাকতো।
আরও পড়ুন, মহেশপুর সীমান্তে ৭ ভারতীয় নাগরিকসহ ১১ জন আটক
তিনি আরও বলেন, গত ০৫/০১/২০২৬ তারিখে উল্লিখিত ব্যক্তিবর্গের নামে হরিনাবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে অভিযোগ দাখিল করা হয়। তারা তদন্তে এসে মতিউর গংদের হুশিয়ারি দিয়ে যায় যাতে তারা তাদের সাথে বাগড়া এবং মারামারি না করে। কিন্তু নির্বাচনের পরে মতিউর ইউনিয়ন সভাপতি হয়ে আইনের তোয়াক্কা না করে অত্যাচারের মাত্রা বাড়িয়ে দেন। গত ১৮/০২/২০২৬ তারিখে রোজ বুধবার আনুমানিক দুপুর দেড়টার দিকে আমার জমিতে তারা ঘিরা দেয়। আমি বাঁধা দিতে গেলে মতিউর গংরা সবাই মিলে আমাকে মারপিট করে গলা টিপে ধরে কাঁদা মাটির সাথে ঠেসে ধরে রক্তাত জখম করে। তারপরও তারা আমার ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদেরও মারপিট করে। এতে মেয়ে জ্ঞান হযে পড়ে। এসময় পাড়াপ্রতিবেশী এসে আমাদের রক্ষা করে। পরে তারা আমাদের অটোযোগে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে জরুরি বিভাগে ভর্তি করে। এসব ঘটনার স্বাক্ষী হিসেবে একই৯গ্রামের মো. সাফুল, মো. পারভেজ, মোছা. মাহমুদা, মোছা. মরিয়ম, মোছা. পাপিয়াসহ অন্যান্যরা ঘটনা জানে।
আরও পড়ুন, পলাশবাড়ীর ঠুটিয়াপাকুর বাজারের দানকৃত জমি দখলমুক্ত করে বাজার স্থাপনের দাবি
এসময় সংবাদ সম্মেলন লিমা বেগমের মা রেবেকা বেগম, জ্যা মাহমুদা বেগম, দেবর পারভেদ, মাজু ও তার ছেলে-মেয়েরা উপস্থিত ছিলেন। এমতাবস্থায় উল্লেখিত বিয়য়ে পরিত্রাণ পেতে ন্যায়বিচার এবং প্রতিকার চেয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত পূর্বক ন্যায় বিচারসহ যথাযথ হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর পল্লীতে জোরপূর্বক জমি দখলের প্রতিবাদে এক সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী পরিবার। গতকাল শনিবার (৭ মার্চ) বিকেলে পলাশবাড়ী প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী লিমা বেগম।
উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের নিমদাসেরভিটা গ্রামের সৌদি প্রবাসী মো. আসাদুল ইসলাম বিপুলের স্ত্রী মোছা. লিমা বেগম তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, উক্ত মৌজার জেএল নং- ১৫১, আরএস খতিয়ান নং- ১৯৮, বর্তমান বিআরএস খতিয়ান নং- ৩৪২, হাল দাগ নং- ৫২০, সাবেক দাগ- ১৬৯, মোট জমি সাড়ে ৫ শতক জমি ২০২০ সালে ক্রয় করেন। ক্রয়ের পর থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত নিজেরাই ভোগ দখল করে আসছিলেন। কিন্তু গত ২০২৫ সালে একই দাগের জমি আমার প্রতিবেশী মো. মতিউর রহমান ক্রয় করেন। এরপর থেকে বিবাদের সৃষ্টি হয়। আমার স্বামী সৌদি প্রবাসী হওয়ায় আমি ছোট ছোট দুই ছেলে ও দুই মেয়েকে নিয়ে বসবাস করি। আমার শ্বশুর গত দুই হলো মৃত্যুকরণ করেছেন। তাই আমার অভিভাবক হিসেবে কেউই না থাকার এই সুযোগে আমার প্রতিবেশী মতিউর রহমান, মোত্তালেব, মালেক, রিতু, মমিনা, সাথীসহ অন্যান্যরা আমার ক্রয়কৃত জমি জোরপূর্বক ভোগ দখল কওে আসছেন। আমি বাঁধা দিতে গেলে প্রায় সময়ই ঝগড়া-বিবাদ ও মারামারি লেগেই থাকতো।
আরও পড়ুন, মহেশপুর সীমান্তে ৭ ভারতীয় নাগরিকসহ ১১ জন আটক
তিনি আরও বলেন, গত ০৫/০১/২০২৬ তারিখে উল্লিখিত ব্যক্তিবর্গের নামে হরিনাবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে অভিযোগ দাখিল করা হয়। তারা তদন্তে এসে মতিউর গংদের হুশিয়ারি দিয়ে যায় যাতে তারা তাদের সাথে বাগড়া এবং মারামারি না করে। কিন্তু নির্বাচনের পরে মতিউর ইউনিয়ন সভাপতি হয়ে আইনের তোয়াক্কা না করে অত্যাচারের মাত্রা বাড়িয়ে দেন। গত ১৮/০২/২০২৬ তারিখে রোজ বুধবার আনুমানিক দুপুর দেড়টার দিকে আমার জমিতে তারা ঘিরা দেয়। আমি বাঁধা দিতে গেলে মতিউর গংরা সবাই মিলে আমাকে মারপিট করে গলা টিপে ধরে কাঁদা মাটির সাথে ঠেসে ধরে রক্তাত জখম করে। তারপরও তারা আমার ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদেরও মারপিট করে। এতে মেয়ে জ্ঞান হযে পড়ে। এসময় পাড়াপ্রতিবেশী এসে আমাদের রক্ষা করে। পরে তারা আমাদের অটোযোগে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে জরুরি বিভাগে ভর্তি করে। এসব ঘটনার স্বাক্ষী হিসেবে একই৯গ্রামের মো. সাফুল, মো. পারভেজ, মোছা. মাহমুদা, মোছা. মরিয়ম, মোছা. পাপিয়াসহ অন্যান্যরা ঘটনা জানে।
আরও পড়ুন, পলাশবাড়ীর ঠুটিয়াপাকুর বাজারের দানকৃত জমি দখলমুক্ত করে বাজার স্থাপনের দাবি
এসময় সংবাদ সম্মেলন লিমা বেগমের মা রেবেকা বেগম, জ্যা মাহমুদা বেগম, দেবর পারভেদ, মাজু ও তার ছেলে-মেয়েরা উপস্থিত ছিলেন। এমতাবস্থায় উল্লেখিত বিয়য়ে পরিত্রাণ পেতে ন্যায়বিচার এবং প্রতিকার চেয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত পূর্বক ন্যায় বিচারসহ যথাযথ হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

আপনার মতামত লিখুন