নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে সরকারি রাস্তা উন্নয়নকাজে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে এক সাংবাদিকের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তায় জলাবদ্ধতার কারণে জনসাধারণ, শিক্ষার্থী ও যানবাহন চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছিল। এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে সরকারি বরাদ্দে একটি উন্নয়নকাজ শুরু হয়। স্থানীয় সুশীল সমাজ ও বাসিন্দাদের সম্পৃক্ত করে কাজটি সঠিকভাবে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হলে অভিযুক্ত ইকবাল কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের কাছে চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ করা হয়। চাঁদা না দেওয়ায় কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানালে সাংবাদিক পীর মোহাম্মদের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে তিনি আহত হন এবং সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। পরে তিনি সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, হামলার পর অভিযুক্ত পক্ষ বিভিন্ন জনপ্রতিনিধির নাম ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে এবং সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
অভিযোগে বলা হয়, ঘটনাটি দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ৩২৩/৩২৫/৩২৬, ৩০৭, ৩৮৪, ৩৯২ ও ৫০৬ ধারার আওতাভুক্ত অপরাধের শামিল। এছাড়া এটি একজন সাংবাদিকের সাংবিধানিক অধিকার ও পেশাগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।এদিকে সাংবাদিক বাসায় না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা দলবল নিয়ে তার বাড়ির গেটে গিয়ে হামলার চেষ্টা করে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন, লামা বাজারে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অভিযান, জরিমানা ৮ হাজার
এবিষয়ে নারায়নগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মো: মিজানুর রহমান মুন্সী বলেন, সাংবাদিকের উপর হামলার বিষয়টি খুবই দু:খজনক এবং আমরা অপরাধ চক্রকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করবো। তবে অপরাধীদের কোন ছাড় নয়। এদিকে সোনারগাঁ থানার তদন্ত কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। স্থানীয় সচেতন মহল উন্নয়নকাজে বাধা ও সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ নেওয়া হবে। এবিষয়ে অভিযুক্ত ইকবালের সাথে এশাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে সরকারি রাস্তা উন্নয়নকাজে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে এক সাংবাদিকের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তায় জলাবদ্ধতার কারণে জনসাধারণ, শিক্ষার্থী ও যানবাহন চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছিল। এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে সরকারি বরাদ্দে একটি উন্নয়নকাজ শুরু হয়। স্থানীয় সুশীল সমাজ ও বাসিন্দাদের সম্পৃক্ত করে কাজটি সঠিকভাবে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হলে অভিযুক্ত ইকবাল কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের কাছে চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ করা হয়। চাঁদা না দেওয়ায় কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানালে সাংবাদিক পীর মোহাম্মদের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে তিনি আহত হন এবং সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। পরে তিনি সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, হামলার পর অভিযুক্ত পক্ষ বিভিন্ন জনপ্রতিনিধির নাম ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে এবং সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
অভিযোগে বলা হয়, ঘটনাটি দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ৩২৩/৩২৫/৩২৬, ৩০৭, ৩৮৪, ৩৯২ ও ৫০৬ ধারার আওতাভুক্ত অপরাধের শামিল। এছাড়া এটি একজন সাংবাদিকের সাংবিধানিক অধিকার ও পেশাগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।এদিকে সাংবাদিক বাসায় না থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা দলবল নিয়ে তার বাড়ির গেটে গিয়ে হামলার চেষ্টা করে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন, লামা বাজারে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অভিযান, জরিমানা ৮ হাজার
এবিষয়ে নারায়নগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মো: মিজানুর রহমান মুন্সী বলেন, সাংবাদিকের উপর হামলার বিষয়টি খুবই দু:খজনক এবং আমরা অপরাধ চক্রকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করবো। তবে অপরাধীদের কোন ছাড় নয়। এদিকে সোনারগাঁ থানার তদন্ত কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। স্থানীয় সচেতন মহল উন্নয়নকাজে বাধা ও সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ নেওয়া হবে। এবিষয়ে অভিযুক্ত ইকবালের সাথে এশাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন